ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় ‘বড় পরিবর্তন’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ এএম
একদল ফায়ার সার্ভিস কর্মী। ছবি: সংগৃহীত

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, একই কর্মস্থলে একটানা তিন বছরের বেশি চাকরি করলে কর্মচারীরা বদলিযোগ্য হবেন। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

গত ৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অগ্নি-১ শাখা থেকে ‘অগ্নি নির্বাপণ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তরের কর্মচারীগণের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করা হয়।

এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। নীতিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় ২০২৩ সালের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা (সংশোধিত ২০২৪) রহিত করা হয়েছে। অধিদপ্তরের অস্থায়ী ও স্থায়ী পদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি অন্যত্র প্রেষণ বা লিয়েনে নিয়োজিত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও এর শর্ত প্রযোজ্য হবে।

তবে উন্নয়ন প্রকল্পে চুক্তিভিত্তিক, আউটসোর্সিং বা দৈনিক হাজিরাভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে এ নীতিমালার শর্ত মানার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, পঞ্চম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন মন্ত্রণালয় নিষ্পত্তি করবে। ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এ দায়িত্ব পালন করবে অধিদপ্তর। বদলির আবেদন বিবেচনায় জ্যেষ্ঠতা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

১২তম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো কর্মচারীকে নিজ জেলায় বদলি বা পদায়ন করা যাবে না। তবে ১৩তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের নিজ উপজেলা বাদে নিজ জেলার মধ্যে স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি দপ্তর বা স্টেশনে পদায়ন করা যাবে।

নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে, নিজ বিভাগের অন্য জেলায় এবং সেখানে সম্ভব না হলে পার্শ্ববর্তী বিভাগের স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি দপ্তর বা স্টেশনে বদলি করা যাবে।

একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি কর্মরত থাকলে সাধারণভাবে বদলিযোগ্য হবেন কর্মচারীরা। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং হাওর, দ্বীপ ও চর উপজেলায় স্থায়ী অধিবাসী নন, এমন কর্মচারীদের ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে বদলি বা পদায়নের বিধান রাখা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এসব মেয়াদসংক্রান্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

স্টেশন অফিসার বা সমমানের পদ থেকে তদূর্ধ্ব পদের কর্মচারীদের নিজ জেলায় বদলি বা পদায়ন করা যাবে না। তবে মহানগর বা সিটি করপোরেশন এলাকায় পদায়নের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে সমগ্র চাকরিজীবনে একজন কর্মচারীকে সর্বোচ্চ দুইবার এ ধরনের বদলি বা পদায়ন করা যাবে।

জনস্বার্থে বদলির ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় যেকোনো দপ্তর বা স্টেশনে কর্মচারীকে বদলি বা পদায়ন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ বদলির শর্ত প্রযোজ্য হবে না। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলি করা হলে তিন বছরের মধ্যে বদলি বা পারস্পরিক বদলির জন্য আবেদন করা যাবে না।

নিজস্ব স্বার্থে বদলির ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সুবিধাও রাখা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী দুজন চাকরিজীবী হলে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই কর্মস্থলে বা কাছাকাছি জেলা কিংবা উপজেলায় পদায়নের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে।

কর্মচারী নিজে অথবা তার বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রী কিংবা সন্তানের দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুবিধার্থে উপযুক্ত স্থানে বদলি বা পদায়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অবসরোত্তর ছুটি শুরু হতে ১৩ মাসের কম সময় বাকি থাকলে জনস্বার্থ বা প্রশাসনিক প্রয়োজনে অত্যাবশ্যক না হলে কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মচারী দায়িত্ব পালনে অনুপযুক্ত বা অক্ষম বিবেচিত না হলে আবেদন ছাড়া অন্য কর্মস্থলে বদলি করা যাবে না।

পেনশন-সংক্রান্ত সুবিধার জন্য অবসরোত্তর ছুটি শুরুর ১৩ মাস আগে নিজ জেলা বা আবেদিত জেলায় বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে জনস্বার্থ ব্যাহত হওয়ার বা প্রশাসনিক অসুবিধা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকলে এসব সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

মানবিক বা অন্য কোনো কারণে বদলি বা পদায়নের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য মহাপরিচালকের কাছে সমগ্র চাকরিজীবনে অবসর ব্যতীত সর্বোচ্চ দুইবার আবেদন করা যাবে।

একই পদে কর্মরত দুজন কর্মচারীর সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড ও উভয়ের সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকলে পারস্পরিক বদলির সুযোগ থাকবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ বদলি ও পদায়নের শর্তও অনুসরণ করতে হবে।

নবনিযুক্ত কর্মচারীদের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে জনবলস্বল্পতাসম্পন্ন বিভাগে পদায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পদায়নের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন করতে হবে। অন্যদিকে, লিয়েন, প্রেষণ বা শিক্ষাছুটি শেষে অধিদপ্তরে যোগদান করলে পূর্বের কর্মস্থল ছাড়া অন্যত্র পদায়ন করতে হবে। শিক্ষাছুটি থেকে ফেরা কর্মচারীদের অর্জিত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মস্থলে পদায়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অধিদপ্তরের সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতা, বিশেষায়িত ইউনিট পরিচালনা এবং অপারেশনাল ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে কোনো কর্মচারীকে এক বছরের জন্য সংযুক্ত করা যাবে।

জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ এ মেয়াদ আরও সর্বোচ্চ এক বছর বাড়াতে পারবে। তবে প্রশাসনিক শৃঙ্খলাজনিত কারণে বদলি হওয়া কর্মচারীকে তিন বছরের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ বা দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো সংযুক্তি দেওয়া যাবে না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বদলি ও পদায়নের প্রস্তাব অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন ও অর্থ) মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র / ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে অর্থনীতির দৃশ্যপট
দেশের বিদ্যুৎ খাতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন এখন কেবলই সময়ের অপেক্ষা। পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষার ফলাফল অনুমোদিত হওয়ায় পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম শুরুর সুযোগ তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী মাসে এ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হতে পারে। প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদন থেকে শুরু করে দুটি ইউনিটের পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনা—প্রতিটি ধাপই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দুটি ইউনিট চালু হলে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস বহুমুখী হবে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি এবং শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চারের সম্ভাবনা তৈরি হবে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরুর পরিকল্পনা ছিল সেপ্টেম্বর মাসে। তবে নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় ত্রুটি ধরা পড়ায় পরবর্তী কার্যক্রম পিছিয়ে যায়। পরে উচ্চ চাপে দুই দফা পরীক্ষা সম্পন্ন করে পরীক্ষার ফলাফল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ তা অনুমোদন করেছে বলে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পরীক্ষার সময় নিয়ন্ত্রণ ভালভগুলো নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করছে কি না, তা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে অগ্নিনিরাপত্তা ও তেজস্ক্রিয়তা সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পরীক্ষা করা হয়। এ অগ্রগতির ফলে চুল্লির পরবর্তী পর্যায়ের কমিশনিং কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু, চুল্লির সক্ষমতা ধাপে ধাপে বৃদ্ধি, টারবাইন চালু এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ—প্রতিটি পৃথক ধাপ। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব নিরাপত্তা পরীক্ষা ও কারিগরি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়াই এখন প্রধান বিবেচ্য। রূপপুরের সামনে এখন গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ পর্যায়ে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত ও স্বনির্ভর পারমাণবিক শৃঙ্খল বিক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চুল্লির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে এক মাস সময় লাগতে পারে। পরে ধাপে ধাপে চুল্লির তাপ উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রাথমিকভাবে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর পরীক্ষামূলক উৎপাদন ও বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা চলবে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে পৌঁছাতে আরও সময় প্রয়োজন হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এ কেন্দ্রের চুল্লিতে ব্যবহৃত হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তি। দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে মোট উৎপাদনক্ষমতা দাঁড়াবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘমেয়াদি হিসাব অনুযায়ী, পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করতে পারবে। তবে প্রকৃত অবদান নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট সময়ের বিদ্যুৎ চাহিদা, কেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জাতীয় গ্রিডের সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা, তেল বা গ্যাসের মতো জ্বালানি পুড়িয়ে তাপ তৈরি করতে হয় না। চুল্লির ভেতরে ইউরেনিয়ামের পরমাণুর বিভাজন বা নিউক্লিয়ার ফিশনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপ দিয়ে পানি থেকে বাষ্প তৈরি করা হয়। সেই বাষ্প টারবাইন ঘোরায় এবং টারবাইনের সঙ্গে যুক্ত জেনারেটর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পিত আয়ুষ্কাল ৬০ বছর। প্রয়োজনীয় কারিগরি সংস্কার, নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এ আয়ুষ্কাল আরও ২০ থেকে ৩০ বছর বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।   প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্যানুযায়ী, কেন্দ্রটির প্রতিটি ইউনিট দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালনার জন্য পরিকল্পিত। তবে নির্দিষ্ট সময় পর জ্বালানি পরিবর্তন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা পরীক্ষা প্রয়োজন হবে। সাধারণ পরিচালন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় দেড় বছর পরপর নতুন পারমাণবিক জ্বালানি দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ব্যবহৃত জ্বালানি অপসারণ, নতুন জ্বালানি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে একটি ইউনিট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হবে। রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ধারণা স্বাধীনতার পরপরই আলোচনায় আসে। বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৭৭ সালে ফরাসি প্রতিষ্ঠান সফরাটম রূপপুরে ১২৫ মেগাওয়াটের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করলেও তখন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সমীক্ষা ও প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত থাকে। ১৯৯৬ সালের জাতীয় জ্বালানি নীতিতে পারমাণবিক শক্তিকে বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০০৫ সালে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি এবং ২০০৭ সালে ৫০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বর্তমান প্রকল্পের কাঠামো নির্ধারিত হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্প এলাকায় পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটি কমিশনিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করে। এখন প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তব উৎপাদনের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা বিভিন্ন সরকারের সময়ে এগিয়েছে। বিএনপির ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারেও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ছিল। বর্তমান বিএনপি সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্মার্ট গ্রিড সম্প্রসারণ, সর্বনিম্ন ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো, স্বচ্ছ ট্যারিফ ব্যবস্থা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যের কথা বিএনপি’র  ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রূপপুরের ভূমিকা শুধু উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পারমাণবিক শক্তি (পাশ) উইংয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নয়; এটি আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি বড় সুযোগ। তিনি বলেন, প্রথম ইউনিট উৎপাদনের প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়ামও ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। নির্ধারিত সময়সীমার আগেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। একই উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব বাসস’কে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও অর্থনীতির অনেক প্রচলিত সমীকরণ নতুনভাবে বিন্যস্ত হবে। তিনি বলেন, ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বাসস’কে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। নির্ভরযোগ্য ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। রূপপুরের মাধ্যমে বাংলাদেশ পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন সক্ষমতার দ্বার উন্মোচন করেছে। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ সক্ষমতা কাজে লাগানোর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও জ্বালানি-নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান বিএনপি সরকারের সদিচ্ছা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন পারমাণবিক শক্তি (পাশ) উইং সরকারের পক্ষে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। আরটিভি/এসআর
২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে অর্থনীতির দৃশ্যপট
বাংলাদেশে আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই
বাংলাদেশ সফরে আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই। ১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন তিনি। শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারির মাধ্যমে কানাডা ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করা যায় এটাই হলো এ সফরের উদ্দেশ্য। প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই ঢাকা ও কক্সবাজারে কানাডার সহায়তায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন উদ্যোগ পরিদর্শন করবেন। কানাডার আন্তর্জাতিক সহায়তা কিভাবে এ দেশে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়তা করছে, তা এই সফরে তুলে ধরা হবে।  এসব উদ্যোগ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে কানাডা বাংলাদেশকে ৬.৩ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। এর মধ্যে ব্র্যাক ও আইসিডিডিআর,বির মতো বাংলাদেশভিত্তিক এনজিও/সংস্থার কার্যক্রমে কানাডার দীর্ঘদিনের সমর্থন উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও সম্মানিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই উন্নয়ন অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কানাডা এখন বাংলাদেশে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে। ২০২৫ সালে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সুশাসন, নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা  এবং অর্থনৈতিক কাঠামোর উন্নয়ন ও সংস্কার অব্যাহত থাকলে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি হবে এবং উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক সমৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণের এই সময়ে কানাডার অংশীদারত্ব স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জেন্ডার সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে যাচ্ছে। কক্সবাজার সফরকালে প্রতিমন্ত্রী সরাই রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং চলমান সংকট মোকাবিলায় নিয়োজিত অংশীজনদের কাছ থেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হবেন।   ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় কানাডা অন্যতম প্রধান দাতা হিসেবে ৬০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি সহায়তা প্রদান করেছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং বাংলাদেশের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য উল্লেখযোগ্য সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।  কানাডা মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখবে এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাবে। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশে আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই
সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ
দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচির প্রচারণায় দেশের মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ
সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, তীব্র প্রতিবাদ জানাল ঢাকা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসামরিক মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, তীব্র প্রতিবাদ জানাল ঢাকা
বাংলাদেশ সম্পর্কে আইপিইউর ভুল ধারণা কেটে গেছে: স্পিকার
বাংলাদেশ সম্পর্কে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ভুল ধারণা কেটে গেছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।  রোববার (১১ অক্টোবর) তানজানিয়ার আরুশায় অনুষ্ঠিত ১৫৩তম আইপিইউ সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরে এ কথা জানান তিনি।   গত ৫ অক্টোবর স্পিকার আইপিইউ এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির কাছ থেকে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।  একই দিনে (৫ অক্টোবর) আইপিইউ এর ১৫৩তম অ্যাসেম্বলিতে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের পক্ষ থেকে নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী, এমপি। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সংসদীয় কূটনীতিতে অনন্য গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ।  স্পিকারের সফরসঙ্গী হয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, এ ছাড়াও সংসদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন সরওয়ার জামাল নিজাম এ, ই, সুলতান মাহমুদ বাবু, মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এস কে আজিজুল বারী, হুমাম কাদের চৌধুরী, মীর আহমাদ বিন কাসেম, সানসিলা জেবরিন এবং রোকেয়া বেগম। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় প্রতিনিধি দল এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুইয়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সবাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান । উল্লেখ্য, এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে ৩৭টি দেশ সদস্য হিসেবে রয়েছে। এই দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশ সম্পর্কে আইপিইউর ভুল ধারণা কেটে গেছে: স্পিকার
আরও পড়ুন
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা: প্রায় ৩ কোটি ৫৭ লাখ চারা রোপণ
ঢাকায় অটোরিকশা চলাচল নিয়ে যা বললেন সড়কমন্ত্রী
বিমানের ঊর্ধ্বতন ১০ কর্মকর্তাকে বদলি
জলবায়ু-অভিবাসন-অস্ত্র আইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে নতুন অধিবেশন