ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নিরাপদ অভিবাসন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিরাপদ অভিবাসন, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত ও দক্ষ জনশক্তির তৈরির মাধ্যমে বিশ্ববাজারে দেশের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আসুন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে অভিবাসন হবে নিরাপদ, কর্মসংস্থান হবে মর্যাদাপূর্ণ, দক্ষ জনশক্তি বিশ্ববাজারে দেশের অবস্থানকে করবে শক্তিশালী এবং প্রবাসী ও প্রত্যাগত কর্মীরা হবেন জাতীয় উন্নয়নের সমান অংশীদার।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং সোনার মানুষ সম্মিলন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতি সরকার ও বিরোধীদলসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে অভিবাসীদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে, রেমিট্যান্সের প্রতিটি ডলারের পেছনে রয়েছে একজন মানুষের শ্রম, ত্যাগ ও স্বপ্ন। তাদের অধিকার রক্ষা, মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং তাদের অর্জনকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।

এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমাদের প্রবাসীরা ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। তাদের কারণে আমাদের অর্থনীতি সচল আছে। সুতরাং তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি।

প্রবাসীদের কর্মক্ষম ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা যে বিদেশে যান, এই যাওয়ার ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা তাদেরকে খুব বেশি তৈরি করতে পারি না, সক্ষম করতে পারি না। ফলে বেশিরভাগই দেখবেন যে, তারা অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে যায়। কখনও কখনও কোনো রকমের কাগজ ছাড়াই যায়। কখনও কখনও দেখা যায় যে, যে কাজের জন্য তাকে নেওয়া হলো সেই কাজও সে করতে পারছে না এবং মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, আমি এই বিষয়গুলো মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে মিডল ইস্টে দেখেছি যে, তারা অত্যন্ত কষ্ট করে জীবনযাপন করে এবং সমস্ত টাকাই তারা দেশে পাঠায়। এজন্য আমাদের দেশে তাদেরকে সবচেয়ে বেশি সম্মান দেওয়া উচিত। তারা আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

প্রবাসীদের এই রেমিট্যান্স আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনা, দেশে কল কারখানা গড়ে তোলা ও দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে সাহায্য করে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল হচ্ছে দু’টি সেক্টর। একটি হচ্ছে আমাদের আরএমজি সেক্টর, আরেকটি এই রেমিট্যান্স সেক্টর।

এ সময় অতীতের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একবার মধ্যপ্রাচ্য ঘুরে এসে ডেকে নিয়ে বললেন যে, সৌদি আরব ১০ হাজার শ্রমিক নেবে তাদের পৌরসভার জন্য এবং শর্ত হচ্ছে যে, যারা যাবে তাদেরকে শুধু পাসপোর্টটা তৈরি করতে হবে। বাকি টিকিট এবং যাবতীয় খরচ সৌদি আরব নিজে বহন করবে।

বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু আজকের অবস্থা ঠিক উল্টো। তার নিজের খরচ তো বটেই আমাদের যারা তাদেরকে রিক্রুট করে তাদের খরচ— সবমিলিয়ে আরও অনেক বেশি ৫-৬ লাখ টাকা পে করতে হয়।

বর্তমানে প্রবাসীদের এ ধরনের ভোগান্তির জন্য বিভিন্ন মধ্যস্বত্বভোগী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও এজেন্সির অনেকাংশে দায় আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও প্রবাসীদের অধিকার নিশ্চিতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ— যেমন উপজেলা পর্যায়ে ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার খোলা, প্রবাসী কার্ড চালু ইত্যাদির কথা উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ সময় তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি প্রস্তাবিত অভিবাসন দশক বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ জানান এবং একই সঙ্গে অভিবাসনের অধিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সম্মেলন আগামীতে অভিবাসন আরো নিরাপদ ও পরিকল্পিত করতে ভূমিকা রাখবে।

এর আগে, রাষ্ট্রপতি সাতটি ক্যাটাগরিতে সোনার মানুষ সম্মাননা স্মারক পুরস্কার ও ক্রেস্ট হস্তান্তর করেন।

আরএমএমআরইউ’র নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনীম সিদ্দিকী অনুষ্ঠানে নীতি নির্ধারণী এবং পরবর্তী বছরের পরিকল্পনা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন এবং সংগঠনটির উপনির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
জলবায়ু ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে সংসদীয় ককাস: ডেপুটি স্পিকার
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে পার্লামেন্টারি ককাস বা সংসদীয় ককাস বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
জলবায়ু ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে সংসদীয় ককাস: ডেপুটি স্পিকার
‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’
সংকট কাটিয়ে বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে সফলভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’
দুর্গাপূজায় মণ্ডপের নিরাপত্তা ইস্যুতে পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে এবং মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পূজার আয়োজক, দর্শনার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
দুর্গাপূজায় মণ্ডপের নিরাপত্তা ইস্যুতে পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ
পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিল্পখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে হাইকমিশনারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে পাকিস্তানের শিয়ালকোটের খ্যাতনামা ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগে ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয়পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।  এ উদ্যোগের আওতায় টেনিস বলসহ বিভিন্ন ধরনের বল ও অন্যান্য ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি, দুই দেশের ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশিক্ষণ বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) সঙ্গে পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসি (এনএসপিপি) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির (বিসিএসএএ) সঙ্গে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস একাডেমির (সিসিএ) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে পাকিস্তান আগ্রহী।  তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন এবং আরও ৩৫ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসকরণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অভিজ্ঞতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির কোটা রেখেছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের চা রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে আনারস ও চিংড়ি রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ এসব পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে ‘পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড লিভার সেন্টার’-এ প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির হাইকমিশনার। এছাড়া, বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাবও দেন তিনি। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।  এসময় দুই দেশের মধ্যে চিকিৎসাসেবা বিনিময় ও মেডিকেল ট্যুরিজম সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।  এছাড়া তিনি জানান, ওষুধশিল্প, পর্যটন, পাটশিল্প, শিক্ষা ও বিমান চলাচল খাতেও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহও প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, ১৪ বছর পর ঢাকা করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। আরটিভি/এসআর
পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা
আরও পড়ুন
শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
দুর্যোগ মোকাবিলায় দূরদর্শী নীতি ও সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
তিন দিন ধরে মেয়ে নেই, বাবা-মায়ের উদ্বেগ লক্ষ্য করিনি: রাষ্ট্রপতি