ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

বাসস

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের প্রতিনিধিদল : ছবি সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা গেলে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজ হবে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ পরামর্শ দেন।

এ সময় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে আরো গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিষয় ও সমস্যা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

সমস্যা সমাধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি তাদেরকে আশ্বস্ত করে বলেন, সব সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

এ সময় তারা আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুষ্ঠেয় কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) এবং রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু)-সহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জলবায়ু ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে সংসদীয় ককাস: ডেপুটি স্পিকার
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে পার্লামেন্টারি ককাস বা সংসদীয় ককাস বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
জলবায়ু ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে কাজ করবে সংসদীয় ককাস: ডেপুটি স্পিকার
‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’
সংকট কাটিয়ে বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে সফলভাবে টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
‘সাত মাসে ২ কোটি শিশুকে টিকা দিয়েছে সরকার’
দুর্গাপূজায় মণ্ডপের নিরাপত্তা ইস্যুতে পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে এবং মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পূজার আয়োজক, দর্শনার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
দুর্গাপূজায় মণ্ডপের নিরাপত্তা ইস্যুতে পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ
পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিল্পখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে হাইকমিশনারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে পাকিস্তানের শিয়ালকোটের খ্যাতনামা ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগে ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয়পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।  এ উদ্যোগের আওতায় টেনিস বলসহ বিভিন্ন ধরনের বল ও অন্যান্য ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি, দুই দেশের ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশিক্ষণ বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) সঙ্গে পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসি (এনএসপিপি) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির (বিসিএসএএ) সঙ্গে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস একাডেমির (সিসিএ) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে পাকিস্তান আগ্রহী।  তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন এবং আরও ৩৫ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসকরণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অভিজ্ঞতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির কোটা রেখেছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের চা রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে আনারস ও চিংড়ি রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ এসব পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে ‘পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড লিভার সেন্টার’-এ প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির হাইকমিশনার। এছাড়া, বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাবও দেন তিনি। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।  এসময় দুই দেশের মধ্যে চিকিৎসাসেবা বিনিময় ও মেডিকেল ট্যুরিজম সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।  এছাড়া তিনি জানান, ওষুধশিল্প, পর্যটন, পাটশিল্প, শিক্ষা ও বিমান চলাচল খাতেও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহও প্রকাশ করেন। পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, ১৪ বছর পর ঢাকা করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। আরটিভি/এসআর
পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা
রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরের সব শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, কোনো শিশু যেন টিকাদান থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রতিটি বাড়ি ও মহল্লায় গিয়ে কাজ করতে হবে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর( রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইলেন্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ২০২৬-এর ফলাফল অবহিতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ৷  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গ্রাম ও শহরের মধ্যে টিকাদানের বৈষম্য দূর করতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বাড়ি-বাড়ি গিয়ে টিকাদানের উপযোগী শিশুদের চিহ্নিত করে টিকার আওতায় আনতে হবে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে টিকার গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা সংরক্ষণে কোল্ড চেইন ব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সরবরাহ থেকে শুরু করে প্রয়োগ পর্যন্ত টিকার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।  সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ও মহামারি থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদান কর্মসূচির বিকল্প নেই। ১৯৭৯ সাল থেকে বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শিশুদের বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।  এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গ্যাভি, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানও তুলে ধরেন তিনি। অনুষ্ঠানে ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে নগরবাসী—সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আরও ১ লাখ ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং কর্মী’ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কর্মশালায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ ডা. রাজেশ নরওয়েল, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
রোগ প্রতিরোধে গ্রাম ও শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ওসমান হাদি বলে গেছেন, পাটওয়ারী জুলাই বিক্রিকারী গাদ্দার: ফারুক
ছয় আসনের বিনিময়ে নতুন বন্দোবস্ত জামায়াতের কাছে বিক্রি করে এনসিপি: আবু হানিফ 
ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যায় গুপ্ত শিবির জড়িত ছিল: আবু হানিফ