ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদনের আশা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের ১৮টি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছে নাজিরারটেক শুঁটকি পল্লি। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে মহাল (শুঁটকি উৎপাদনের খামার) আছে প্রায় ৬শ’টি। এছাড়াও জেলার টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন, মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপেও রয়েছে শুঁটকি উৎপাদনের খামার।

দীর্ঘ ২২ দিন সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত ২৯ অক্টোবর। এর পর থেকেই কক্সবাজার উপকূলে শুঁটকি মাছ উৎপাদনের ধুম পড়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, সব মিলিয়ে কক্সবাজার উপকূলে আট শতাধিক মহালে দৈনিক উৎপাদিত হচ্ছে ১শ’ ৫০ মেট্রিক টনের বেশি শুঁটকি। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এ বছর জেলা থেকে ৫শ’ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদনের আশা করছেন উৎপাদনকারীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নাজিরারটেক এলাকার নেয়ামত এন্টারপ্রাইজ মহালে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে ৯ জন নারীসহ ৩০ জন শ্রমিক কাজ করছেন।

এরমধ্যে একজন নারী শ্রমিক হলেন সাবেকুন্নাহার। তিনি বলেন, এখন শুঁটকির ভরা মৌসুম চলছে। দীর্ঘদিন সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর ৫ দিন আগে মাত তোরা (মাছ ধরা) আবার শুরু হয়েছে। এরপর থেকে শুটকি উৎপাদনে ধুম পড়েছে।

এর পাশেই কামাল ট্রেডার্স নামে একটি মহালে শুঁটকি আছে প্রায় ৫০ মণ। সেখানে নিয়োজিত শ্রমিক মামুনুল হক বলেন, শীতকালে শুঁটকির চাহিদা বেশি থাকে। তবে শুঁটকি উৎপাদন মূলত নির্ভর করে সাগরে কী পরিমাণ মাছ ধরা পড়ছে, তার ওপর। ট্রলারের জালে বেশি মাছ ধরা পড়লে শুঁটকির উৎপাদনও বেড়ে যায়।

আলম এন্টারপ্রাইজ মহালের মালিক মো. আলম বলেন, সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহালগুলোতে কাজ চলে। কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণে আসা বিপুলসংখ্যক পর্যটক বাড়ি ফেরার সময় কয়েক কেজি করে শুঁটকি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন বাড়লে শুঁটকির চাহিদাও বাড়ে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের নাজিরারটেক শুটকি মহালে গিয়ে দেখা যায়, গভীর সাগর থেকে জেলেরা মাছ নিয়ে ঘাটে ভিড়ছেন। ব্যবসায়ীরা সেই মাছ কিনে মহালে নিয়ে যাচ্ছেন। এরপর ধুয়েমুছে মাছগুলো শুঁটকি করার জন্য বাঁশের তৈরি মাচায় তুলে দিচ্ছেন শ্রমিকরা।

তিনি বলেন, এসব মাছের মধ্যে বেশির ভাগ লইট্টা, ছুরি, পোপা, মাইট্যা, কামিলা, ফাইস্যা ও রূপচান্দাসহ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। এসব মাছ সংগ্রহ করে ধুয়েমুছে তপ্ত রোদে ঘাম ঝরিয়ে শুঁটকি তৈরির কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন বেশির ভাগ নারী শ্রমিক। অনেক নারীই এ পেশাকে একমাত্র অবলম্বন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

নারী শ্রমিক রোকেয়া বেগম বলেন, ‘সাগর থেকে আহরণকৃত মাছ প্রথমে বেছে পৃথক করি। তারপর রোদে শুকাই। আমার তিন সন্তান রয়েছে। দু’জন স্কুলে পড়ে, খরচ নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে আছি। তাই কয়েক বছর ধরে এ কাজ করে সংসার চালাতে হচ্ছে।’

ব্যবসায়ীরা যা বলছেন:

শুঁটকি ব্যবসায়ীরা জানান, শহরের ছোট-বড় ৬ শতাধিক হোটেল-রেস্তোরাঁয় পর্যটকের জন্য খাবারের সঙ্গে শুঁটকির ভর্তা রাখতে হচ্ছে। তাই পর্যটক বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে শুটকির দামও বেড়ে যায়।

ব্যবসায়ী মোস্তফা সরওয়ার বলেন, ‘১৫ থেকে ২০ হাজার শ্রমিক এখানে কাজ করেন। চলতি মৌসুমে সাগরে মাছ কম, তাই দামও বেশি। সঠিক বাজারমূল্য পেলে আশা করছি লাভ হবে। এ পর্যন্ত এক কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে।’

আমান ট্রেডার্স মহালের মালিক আমান উল্লাহ বলেন, শীতের শুরুতে যে শুঁটকি উৎপাদিত হয়, তার কদর দেশব্যাপী। পুরোনো শুঁটকির তুলনায় নতুন শুঁটকির দাম প্রতি কেজিতে ১শ’ থেকে ৩শ’ টাকা বেশি। আগামী মে পর্যন্ত এ শুঁটকি উৎপাদন চলবে।

নাজিরটেক শুঁটকি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি নেয়ামত উল্লাহ বলেন, মহালে উৎপাদিত শুঁটকি ব্যবসায়ীরা কিনে এনে প্রথমে গুদামে মজুত করে রাখেন। তারপর প্রতি সপ্তাহে শুক্র ও মঙ্গলবার শুঁটকি ট্রাকবোঝাই করে চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হয়। গত ৫ দিনে ৩০ ট্রাক (প্রতি ট্রাকে ১২-১৩ টন) শুঁটকি পাঠানো হয়েছে। এবার চড়া মূল্যে কাঁচা মাছ কিনতে হচ্ছে বলে গত বছরের তুলনায় শুঁটকির দাম অনেক বেড়েছে বলে জানান নেয়ামত উল্লাহ।

স্থানীয় মহাল ও বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, মহালে উৎপাদিত প্রতি কেজি ছুরি শুঁটকি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’, লইট্যার কেজি ৫শ’ থেকে ১২শ’, ফাইস্যা ৩শ’ থেকে ৩শ’ ৫০, পোপা ৫শ’ থেকে ৮শ’, মাইট্যা ১২শ’ থেকে ১৫শ’, রূপচাঁদা ৩২শ’ থেকে ৩ হাজার ৭শ’, লাক্ষ্যা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩শ’ ও কোরাল ১২শ’ থেকে ১৫শ’ টাকায়।

স্থানীয় খুচরা বাজারে এসব শুঁটকি কেজিতে আরও ৫০ থেকে ২শ’ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুঁটকির দাম গত বছরের তুলনায় এবার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলায় শুঁটকি উৎপাদন হয়ছিল ৩৯ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন। চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২০২৭) লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪২ হাজার মেট্রিক টন। তবে প্রতিদিন যে পরিমাণ শুঁটকি উৎপাদিত হচ্ছে, তাতে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

জেলার এ মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, শীত মৌসুমের শুরুতে কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি উৎপাদন শুরু হয়। প্রতিবছর মূলত অক্টোবর-নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয়ে শুঁটকি উৎপাদন চলে শীতকাল জুড়ে।

বাংলাদেশ শুঁটকি মাছ রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আবদুল শুক্কুর বলেন, জেলার অন্তত ৪০টি মহাল থেকে গত বছর হংকং, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় শুধু পোপা শুঁটকি রপ্তানি করে প্রায় ২শ’ কোটি টাকা আয় করা হয়। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এ বছর শুঁটকি রপ্তানি থেকে ৩শ’ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বেশি রপ্তানি হয় পোপা শুঁটকি। কারণ পোপা শুঁটকি দিয়ে সুস্বাদু স্যুপও তৈরি হয়।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা বলেন, ভ্রমণে আসা পর্যটকসহ দেশের মানুষকে বিষমুক্ত শুঁটকি সরবরাহ করতে কাজ চলছে। গত বছর কক্সবাজারে প্রায় ৪শ’ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদিত হয়েছিল। পরিবেশ-পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এবার শুঁটকির উৎপাদন ৫শ’ কোটি টাকার কাছাকাছি যেতে পারে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীড। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স এ্যাডভাইজার শাহনাজ করিম ও সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এ্যাডভাইজার তাহেরা জাবীন, এফওআরবি প্রজেক্টের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটির রুহী নাজ ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায় উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে ড. চার্লস রীড এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় বর্তমান সরকার যে সহযোগিতা, নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে, তা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রশংসার দাবিদার। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করে।  তারা বলেন, সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তারা ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি জোরদারে সংসদীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে তাদের আগ্রহের কথা জানান। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একটি ‘ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠনের বিষয়ে তারা ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা সকল ধর্মের মানুষের উৎসব অত্যন্ত সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করি। আমাদের কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন নেই। এ দেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষ এ দেশের সমান নাগরিক। তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা সমুন্নত রাখতে সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও স্বাধীনতা বিষয়ে পার্লামেন্টারি ককাস গঠন এক্ষেত্রে একটি চমৎকার উদ্যোগ হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং নীতি প্রণয়নে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব যা সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, বর্তমান সংসদে সকল সংসদ সদস্যের মতামত ও কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটি বর্তমান সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ চর্চা, যা অতীতে সেভাবে দেখা যায়নি। সংসদে ভিন্নমত ও বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, যেখানে এই দেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারবে; প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও মতাদর্শ স্বাধীনভাবে ধারণ ও পালন করতে পারবে এবং সকলের অধিকার ও মর্যাদা সমানভাবে সুরক্ষিত থাকবে। উভয় পক্ষ ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সংসদীয় পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সংসদীয় কার্যক্রম, সুশাসন ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। সাক্ষাৎকালে সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাক কারখানাগুলোতেও এ ছুটি কার্যকর হবে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি পালন করা হবে। গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে দিনটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় পোশাক কারখানাগুলোতেও সাধারণ ছুটি কার্যকরের ঘোষণা দিল বিজিএমইএ। উল্লেখ্য, চলতি বছর ৭ নভেম্বর শনিবার। ফলে দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যেই পড়েছে। আরটিভি/টিআর
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
পোশাক খাতে অস্থিরতা: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, নজরদারিতে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
পোশাকশ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান অস্থিরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
পোশাক খাতে অস্থিরতা: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, নজরদারিতে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ। তারাই আগামী দিনে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এবং দেশ গড়ে তুলতে পারবে। এজন্য শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিল্পকলার সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকতে হবে।
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী