
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপন হয় ২৫ ডিসেম্বর। এই দিনের খুব কাছাকাছি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য না করতে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই আহ্বান জানান বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বড়দিনের খুব কাছাকাছি যেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের দিন নির্ধারণ না করা হয়, সেজন্য আমরা আবেদন করেছি। কমিশন আমাদের প্রস্তাব সক্রিয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে দেখবে বলে জানিয়েছে।
লিখিত এক বিবৃতির মাধ্যমে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসির কাছে দাবি জানায় যে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ২৫ ডিসেম্বরের খুব কাছাকাছি নির্ধারণ না করতে। সম্ভব হলে নির্বাচনের দিন ২০ ডিসেম্বরের আগে কিংবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্ধারণ করা হোক। তাতে আরও বলা হয়, নির্বাচনের আগে ও পরে খ্রিস্টান ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোর ভোট কেন্দ্রগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া, যাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।
দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনেরও আহ্বান জানানো হয়। এ ক্ষেত্রে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয় বিবৃতিতে।
৩০ অক্টোবর থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের দিন গণনা শুরু হয়েছে। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা বলে আসছে কমিশন। গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, ৪ নভেম্বর কমিশন সভা শেষে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। আগামী ১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন :
আরসি/এমকে




