
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ কর্মী বিশ্বের ১৬৮টি দেশে কর্মরত রয়েছে, তারা নিয়মিত রেমিটেন্স এনে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছেন। এসব বিবেচনায় নিয়ে সরকার বৈদেশিক শ্রমবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য জনগণকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তুলছে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সব প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজড করা হয়েছে।
বললেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার অভিবাসীর মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ অভিবাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বব্যাপী অভিবাসন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া নিরাপদ ও সুষ্ঠু করতে প্রতিবছর ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হচ্ছে।
এ আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব রৌনক জাহান, বায়রার সভাপতি বেনজীর আহমেদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর মিশন প্রধান গিওরগিও গিগারিও এবং অভিবাসী কর্মীদের পক্ষে লামিয়া আক্তার।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির পাঠানো বানী পাঠ করে শোনান জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. সেলিম রেজা। এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রবাসী কর্মীদের সন্তান মেরাজুল হক মেহেদী, আবদুল্লাহ আমীন ফারহান, সায়রা জাহান সারবীন, তানজীম আহমেদ ও সাজনীন হককে শিক্ষাবৃত্তির চেক প্রদান করেন।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মেলা উদ্বোধন করেন এবং মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এরপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসজে




