ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

দেশে মোট আক্রান্ত ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যুও হাজারের কাছাকাছি 

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২০, ০২:৩৭ পিএম
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। ফাইল ছবি।

করোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে উদ্বেগ কমছে না। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৭১ জন। দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৬৭৫ জনে। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জন মারা গেছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭৫ জনে। এদিকে আরও ৭৭৭ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ১৫ হাজার ৩৩৬ জন সুস্থ হলেন। সুস্থতার হার ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৩৩, নারী ১২ জন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আছেন ২৮ জন, চট্টগ্রামে আছেন ১১ জন, সিলেটে ২ জন, রাজশাহীতে ২ জন, রংপুরে ২ জন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী ২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ২ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১০ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সী ৮ জন জন মারা গেছেন।

গত কয়েকদিনে আক্রান্ত, মৃত ও সুস্থতার হিসেবে দেখা যায়-
১৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ১৮২, মারা যান ৫। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।
১৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২০৯ জন, মারা যান ৭ জন। কেউ সুস্থ হননি।
১৫ এপ্রিল এই সংখ্যা ঠেকে ২১৯ জনে, মারা যান ৪জন। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন।
১৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩৪১ জন, মারা যান ১০ জন।
১৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২৬৬ জন, মারা যান আরও ১৫ জন।
১৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৬ জন, আর ৯ জন মারা যান। সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।
১৯ এপ্রিল ৭ জন মারা যান, আক্রান্ত হয় ৩১২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯ জন।
২০ এপ্রিল ১০ জন মারা যান, আক্রান্ত হন ৪৯২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০ জন।
২১ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৩৪ জন, মারা যান ৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ জন।
২২ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৩৯০ জনের দেহে। মারা যান ১০ জন, সুস্থ হন ৫ জন।
২৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪১৪ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৬ জন।
২৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫০৩ জন, মারা যান ৪ জন, সুস্থ হন ৪ জন।
২৫ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৯ জন, মারা যান ৯ জন, সুস্থ হননি কেউই।
২৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।
২৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৯৭ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ৯ জন।
২৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৪৯ জন, মৃত্যু হয় ৩ জনের, সুস্থ হন ৮ জন।
২৯ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৬৪১ জন, মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ১১ জন।
৩০ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৬৪ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।
১ মে আক্রান্ত হন ৫৭১ জন, মারা যান ২ জন, সুস্থ হন ১৪ জন।
২ মে আক্রান্ত হন ৫৫২ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ৩ জন।
৩ মে আক্রান্ত হন ৬৬৫ জন, মারা যান ২ জন, নতুন গাইডলাইনে সুস্থতা দেখায় ১০৬৩ জন।
৪ মে আক্রান্ত হন ৬৮৮ জন মে, মারা যান ৫ জন, নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১,২০৯ জন।
৫ মে আক্রান্ত হন ৭৮৬ জন, মারা যান ১ জন, নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১ হাজার ৪০৩ জন।
৬ মে আক্রান্ত হন ৭৯০ জন, ৩ জন মারা যান, সুস্থ হন ৩৭৭ জন। নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৭৮০ জন।
৭ মে আক্রান্ত হন ৭০৬ জন, সুস্থ হন ১৩০ জন, নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৯১০ জন।
৮ মে আক্রান্ত হন ৭০৯ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৯১ জন, মোট সুস্থ হন ২ হাজার ১০১ জন।
৯ মে আক্রান্ত হন ৬৩৬ জন। মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ৩১৩ জন, মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন।
১০ মে আক্রান্ত হন ৮৮৭ জন, ১৪ জনের প্রাণহানি হয়, সুস্থ হন ২৩৬, মোট সুস্থ ২৬৫০ জন।
১১ মে আক্রান্ত হন ১০৩৪, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৫২ জন। মোট সুস্থ হন ২ হাজার ৯০২ জন।
১২ মে আক্রান্ত হন ৯৬৯, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৪৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন।
১৩ মে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬২ জন, মারা গেছেন ১৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪ জন। মোট সুস্থ ৩ হাজার ৩৬১ জন।
১৪ মে আক্রান্ত হন ১০৪১ জন, মারা যান ১৪ জন, মোট মৃতের সংখ্যা ২৮৩ জন, সুস্থ হন ২৪২ জন।
১৫ মে আক্রান্ত হন ১২০২ জন, মারা যান ১৫ জন। সুস্থ হন ২৭৮ জন, মোট সুস্থ ৩৮৮২ জন।
১৬ মে আক্রান্ত হন ৯৩০ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ৩৩৫ জন, মোট সুস্থ ৪ হাজার ১১৭ জন।
১৭ মে আক্রান্ত হন ১২৭৩ জন, মারা যান ১৪ জন। সুস্থ হন ২৫৬ জন, মোট সুস্থ ৪৭২৩ জন।
১৮ মে আক্রান্ত হন ১ হাজার ৬০২ জন, মারা যান ২১ জন। সুস্থ হন ২১২ জন, মোট সুস্থ হন ৪ হাজার ৫৮৫ জন।
১৯ মে আক্রান্ত হন ১২৫১ জন, মারা গেছেন ২১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪০৮ জন, মোট সুস্থ ৪৯৯৩ জন।
২০ মে আক্রান্ত হন ১৬১৭ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ২১৪ জন, মোট সুস্থ ৫২০৭ জন।
২১ মে আক্রান্ত হন ১৭৭৩ জন, ২২ জনের মৃত্যু হয়। সুস্থ হন ৩৯৫ জন, মোট সুস্থ ৫৬০২ জন।
২২ মে আক্রান্ত ১৬৯৪ জন, মারা যান ২৪ জন। সুস্থ হন ৫৮৮ জন, মোট সুস্থ ৬১৯০ জন।
২৩ মে আক্রান্ত হন ১৮৭৩ জন, যান ২০ জন। সুস্থ হন ২৯৫ জন, মোট সুস্থ ৬৪৮৬ জন।
২৪ মে আক্রান্ত হন ১৫৩২ জন, ২৮ জন মারা যান। সুস্থ হন ৪১৫ জন, মোট সুস্থ ৬৯০১ জন সুস্থ হলেন।
২৫ মে আক্রান্ত হন ১৯৭৫ জন, মারা যান ২১ জন। সুস্থ হন ৪৩৩ জন, মোট সুস্থ ৭ হাজার ৩৩৪ জন।
২৬ মে আক্রান্ত হন ১১৬৩ জন, যান ২১ জন। সুস্থ হন ২৪৫ জন, মোট সুস্থ ৭৫৭৯ জন।
২৭ মে আক্রান্ত হন ১৫৪১ জন, মারা যান ২২ জন। সুস্থ হন ৩৪৬ জন, মোট সুস্থ হন ৭ হাজার ৯২৫ জন।
২৮ মে আক্রান্ত হন ২০২৯ জন, মারা যান ১৫ জন। সুস্থ হন ৫০০ জন, মোট সুস্থ ৮৫২৫জন।
২৯ মে আক্রান্ত হন ২৫২৩ জন। মারা যান ২৩ জন। এখন পর্যন্ত মোট মৃত ৫৮২ জন।
৩০ মে আক্রান্ত হন ১৭৬৪ জন, ২৮ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন, মোট সুস্থ ৯৩৭৫ জন।
৩১ মে আক্রান্ত হন ২ হাজার ৫৪৫ জন, ৪০ জন মারা যান। সুস্থ হন ৪০৬ জন, মোট সুস্থ ৯৭৮১ জন।
১ জুন আক্রান্ত হন ২৩৮১ জন, মারা যান ২২ জন, সুস্থ ৮১৬। মোট সুস্থ ১০৫৯৭ জন।
২ জুন আক্রান্ত হন ২৯১১ জন, ৩৭ জন মারা যান। ৫২৩ সুস্থ হন, মোট সুস্থ ১১ হাজার ১২০ জন।
৩ জুন আক্রান্ত হন ২৬৯৫ জন, ৩৭ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫২৩ জন, মোট সুস্থ ১১১২০ জন।
৪ জুন আক্রান্ত হন ২৪২৩ জন, ৩৫ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫৭১ জন, মোট সুস্থ ১১ হাজার ১৬১ জন।
৫ জুন আক্রান্ত হন ২৮২৮ জন, ৩০ জন মারা যান। সুস্থ হন ৬৪৩ জন, মোট সুস্থ ১২ ৮০৪ জন।
৬ জুন আক্রান্ত হন ২৬৩৫ জন, ৩৫ জন মারা যান। সুস্থ হন ৫২১ জন, মোট সুস্থ ১৩ হাজার ৩২৫ জন।
৭ জুন ২ হাজার ৭৪৩ জন, ৪২ জন মারা যান। ৫৭৮ জন সুস্থ হন, মোট সুস্থ ১৩ হাজার ৯০৬ জন।

৮ জুন আক্রান্ত হন ২৭৩৫ জন, ৪২ জন মারা যান। সুস্থ হন ৬৫৭ জন, মোট সুস্থ ১৪ হাজার ৫৬০ জন।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও গত ক’দিনে সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো একটি বছর। অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে অতীতের খাতায় জমা হলো ২০২০ সাল। বিগত সময়ে সকল দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, গ্লানি ও বেদনা ভুলে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করে নিলো ২০২১ সালকে।  বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পদ্মা সেতু চালু, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ নানা কারণে ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। উন্নয়নে নেয়া নানা উদ্যোগ পূর্ণ হবে, অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে- আজ এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  ইংরেজি নতুন বছর ২০২১-এ দেশের মানুষ নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেন। ফেলে আসা দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে ওঠে একটাই প্রার্থনা- নতুন বছরটি যেন ভালো কাটে। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের সকল গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। এফএ
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
আরও পড়ুন
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
সিনোফার্মের করোনা টিকা অনুমোদন দিলো চীন
করোনায় চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলো
উহানের ৫ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল: গবেষণা