ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহে স্থবির জনজীবন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:১৭ এএম
শৈত্যপ্রবাহ থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা, ছবি: আরটিভি অনলাইন

চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। গতকাল শনিবার থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি এ জেলায়। এ সপ্তাহে দুদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। তাপমাত্রা ওঠা-নামা করায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এখানকার মানুষের জনজীবন।

আজ (রোববার) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কমছে না শীতের তীব্রতা। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় হলেও হ্রাস পাচ্ছে রাতের তাপমাত্রা। শীতল বাতাস বাড়িয়ে দিচ্ছে মানুষের ভোগান্তি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে এসব মানুষগুলোকে।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বায়ুদূষণে আজ আবার শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে বিশ্বে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) বায়ুদূষণে ঢাকার স্কোর ছিল ৩৪৮। যার অর্থ, ঢাকায় বাতাসের মান ‘বিপজ্জনক’। খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির। বায়ুদূষণে ঢাকার পরই রয়েছে মঙ্গোলিয়ার উলানবাটার, পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের রাজধানী দিল্লি। এর মধ্যে উলানবাটারের স্কোর ২৫৮, লাহোরের ২২০ ও দিল্লির স্কোর ২১০। যখন কোনও শহরে একিউআই স্কোর ৩০০-এর ওপরে থাকে, তখন ওই এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি লক্ষ করা যায়। এ সময় বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলেও জানানো হয়। যখন কোনও শহরে একিউআই স্কোর ৫০-র নিচে থাকে, তখন ওই এলাকায় বায়ুর মানকে ভালো বলে মনে করা হয়। এছাড়া একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০-র মধ্যে থাকলে বায়ুর মানকে মাঝারি হিসেবে ধরে নেয়া হয়। আর যখন এই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০-র মধ্যে থাকে, তখন তা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে ধরে নেয়া হয়। উল্লেখ্য, গত দুই মাসে বেশ কয়েকবার ঢাকায় বায়ুদূষণের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত ছিল। এসময় কয়েকবার সবচেয়ে অস্বাস্থ্যকর বায়ুর শহর হয়ে উঠেছিল ঢাকা। এ/এসএস
বায়ুদূষণে আজ আবার শীর্ষে ঢাকা
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে
রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আজ বুধবার থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর আগামী রোববার থেকে আরেক দফা তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে। মধ্যরাত থেকে সারাদেশে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কুষ্টিয়া ও টাঙ্গাইল অঞ্চলসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গের গাঙ্গেয় উপকূল এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সারাদেশে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে আর দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুষ্টিয়া ও টাঙ্গাইল অঞ্চলসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা সারাদেশের মধ্যে এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার সকাল ৯টায় দেশের মধ্যে আবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। তবে ডিসেম্বরের শেষ দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম জানান, আজ (বুধবার) থেকে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর রোববার থেকে আরেক দফা তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে। শুষ্ক পশ্চিমা লঘুচাপ ও জলীয় বাষ্পপূর্ণ পূবালী বায়ুর মিশ্রণের ফলে এই বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পি
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে
ঘন কুয়াশায় শাহজালাল বিমানবন্দরে প্লেন ওঠানামা বিঘ্নিত
ঘন কুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্লেন ওঠানামা বিঘ্নিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ৩টা থেকে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত কোনো প্লেন ওঠানামা করতে পারেনি।  বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে প্লেন ওঠানামা কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে প্রায় ছয় ঘণ্টা প্লেন ওঠানামা করতে না পারায় সবক’টি ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছাড়তে বিলম্ব হচ্ছে।  এছাড়াও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দু’টি ফ্লাইট শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করতে না পারায় চট্টগ্রামে গিয়ে অবতরণ করেছে। অন্যদিকে কলকাতায় অবতরণ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দু’টি ফ্লাইট।  শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক উইং কমান্ডার তৌহিদ উল আহসান এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঘন কুয়াশায় প্লেন চলাচল কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে।  এসজে
ঘন কুয়াশায় শাহজালাল বিমানবন্দরে প্লেন ওঠানামা বিঘ্নিত
মেঘ-বৃষ্টির সঙ্গে আবার আসছে শৈত্যপ্রবাহ
আগামীকাল বুধবার দেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া আগামী শুক্রবার ও শনিবার আরও একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এই মৃদু শৈত্যপ্রবাহটি প্রভাব বিস্তার করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক আরটিভি অনলাইনকে জানান, আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তখন দেশের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া আগামী শুক্র ও শনিবার আরও একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এটি দুই থেকে তিনদিন অব্যাহত থাকবে। সারা দেশে গত বুধবার রাত থেকে শীতের দাপট শুরু হয়। দক্ষিণাঞ্চলের জেলা ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, খুলনা ও যশোর এবং উত্তরের জেলা চুয়াডাঙ্গা ও রাজশাহীতে তীব্র শীতের প্রভাব ছিল। ওই অঞ্চলে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। রোববার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আবহাওয়ার সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পি
মেঘ-বৃষ্টির সঙ্গে আবার আসছে শৈত্যপ্রবাহ
চার দিন পর দেখা মিলেছে সূর্যের
রাজধানীতে আজ (সোমবার)চার দিন পর দেখা মিলেছে সূর্যের। সকাল ১০টার পর দেশের কোথাও কোথাও সূর্যের দেখা মিললেও আবার কোথাও দেখা যায়নি আকাশ মেঘলা থাকার কারণে। ১৯ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহ চলমান থাকায় তখন থেকেই সূর্য ছিল নিরুদ্দেশ। এদিকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তাপমাত্রা আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘আজকে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। এছাড়া ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রায় শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।’ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী দুই দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। তার পরবর্তী ৫ দিনের প্রথমদিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পি
চার দিন পর দেখা মিলেছে সূর্যের
আরও পড়ুন
মেঘ-বৃষ্টির সঙ্গে আবার আসছে শৈত্যপ্রবাহ
চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহে স্থবির জনজীবন
শৈত্যপ্রবাহের কারণে তীব্র শীতে কাঁপছে গোটা দেশ
চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীতে স্থবির জনজীবন