ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

মালয়েশিয়ায় অভিবাসী দিবস পালিত

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৪ পিএম
মালয়েশিয়ায় অভিবাসী দিবস পালন

মালয়েশিয়ায় যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয়েছে।

‘শতবর্ষে জাতির পিতা, সুবর্ণে স্বাধীনতা, অভিবাসনে আনবো মর্যাদা ও নৈতিকতা’ স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ দূতাবাসে এ দিবসটি পালন করা হয়।

দেশটিতে চলমান বিধিনিষেধের কারণে দূতাবাসের ফেসবুক পেজে লাইভে অংশগ্রহণ করেন প্রবাসীরা। সভার শুরুতে প্রবাসী এবং দেশের উন্নতি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ারের সভাপতিত্বে ও শ্রম শাখার দ্বিতীয় সচিব ফরিদ আহমদের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় সভায় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন শ্রম কাউন্সিলর হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মিয়া মোহাম্মদ কিয়ামুদ্দিন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দ্বিতীয় সচিব ফরিদ আহমদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) বেগম রেহেনা পারভীন।

সভার গোলাম সারওয়ার তার বক্তব্যের শুরুতে সশ্রদ্ধ বেদনায় স্মরণ করেন দেশের পরাধীনতার গ্লানি মোচনে প্রাণোৎসর্গ করা বীর সন্তানদের। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। সেইসঙ্গে জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শ্রদ্ধা জানান।

হাইকমিশার প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বলেন, পাসপোর্ট সেবা সহজীকরণ করার প্রক্রিয়া চলছে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরও দ্রুত পাসপোর্ট দেওয়া হবে, যাতে বৈধকরণ প্রক্রিয়ার সুযোগ নিতে পারেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও দূতাবাস পাসপোর্ট বিতরণ অব্যাহত রেখেছে। দূর-দূরান্তে কর্মরত কর্মীদের, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে দুই লাখ ৩০ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রবাসীদের মেধা, শ্রম ও দক্ষতা বিশ্বে প্রশংসিত। এ ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা সচেষ্ট আছি। বাংলাদেশ সরকার করোনাকালে প্রবাসেও কর্মীদের সহযোগিতা করেছে। একই সঙ্গে প্রবাসীরা দেশ এবং নিজ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া করোনাকালে সম্মুখসারির কর্মী হিসাবে বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ায় কাজ করছে।

হাইকমিশনার বলেন, কোনো এজেন্ট, দালাল বা তৃতীয়পক্ষের কিছু করার সুযোগ নেই। ফলে কারও প্রলোভনে প্রতারিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এসময় নতুন করে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে, বাংলাদেশ সরকার ও দূতাবাসের পরামর্শ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে আহ্বান জানান তিনি।

সভায় প্রবাসী শফিকুল ইসলাম ও আবির তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং দূতাবাসের সেবার মান বাড়ানোর জন্য তারা অনুরোধ জানান।

শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম শ্রম পরিস্থিতি সম্পর্কে তুলে ধরে বলেন, আমরা মালিক পরিবর্তন করার সুযোগ করে দিয়েছি এবং সফল হয়েছি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাঝে আমরা (দূতাবাস) কয়েক হাজার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। বেতনহীন কর্মী যেন ছাঁটাই না করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে করোনাকালে চাকরি হারিয়ে অনেক প্রবাসীকে দেশে ফেরত যেতে হলেও মালয়েশিয়া থেকে একজনকেও কাজ হারাননি।

তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রত্যেক কর্মীকে বিমার আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে দেশটির সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশন (সকসো) কর্তৃক ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৬ হাজার ১৬৩ জন বাংলাদেশি কর্মী মেম্বারশিপ লাভ করেছেন। ইতোমধ্যে ১৩ কোটি ১২ লাখ টাকার বিমা আদায় করা হয়েছে। এপর্যন্ত অস্থায়ী অক্ষমতাবরণকারী ৩ হাজার ১৭৮ জনকে ৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, স্থায়ী পঙ্গুত্ববরণকারী ৬৮ জনকে ৪ কোটি ২১ লাখ টাকা, ২১৯টি মৃতদেহ প্রেরণ বাবদ ২ কোটি ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২১ পর্যন্ত কর্মক্ষেত্রে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত ৮৫০ জনকে ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সমপরিমাণ অর্থ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া পাবনার দেলোয়ার মোল্লা দেশে থেকে দুর্ঘটনাজনিত সুবিধা পাচ্ছেন। তিনি এককালীন ৭ লাখ ৭ হাজার টাকা পেয়েছেন এবং আজীবন তিনি ৬৫০ রিঙ্গিত করে পাবেন। সিরাজগঞ্জের প্রামাণিক ৫০ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ পেয়েছেন।

গত এক বছরে ১ হাজার ৩০২ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। এরমধ্যে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন ৮০২ জন, কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৫০০ জন। এরমধ্যে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সরকারি খরচে কয়েকটি মৃতদেহ দেশে প্রেরণ করা হয়েছে। গত এক বছরে হাইকমিশন থেকে ৮ হাজার ৩৯১টি সাধারণ ট্রাভেল পাস এবং ক্যাম্পে থাকা ১ হাজার ৭৮৬ জনকে ট্রাভেল পাস প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান শ্রম কাউন্সিলর।

আলোচনা সভায় ডেপুটি হাইকমিশনার খোরশেদ আলম খাস্তগীর, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কমোডর মোস্তাক আহমেদসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএ/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যে কারণে মদ নিষিদ্ধ
মানব সমাজে মদের প্রচলন বহুকাল থেকেই। কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা মদকে হারাম অর্থাৎ নিষিদ্ধ করেছেন। কারণ ইতিহাসে আছে বহু কীর্তিমান জাতির বিপর্যয় ডেকে এনেছে মদ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ ও মানুষের জন্য উপকার। কিন্তু তাদের পাপ উপকার অপেক্ষা  বেশি।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২১৯) মুসলমানদের জন্য মদ ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের একাধিক বর্ণনায় মদপান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! মদ, জুয়া, পূজার বেদি ও ভাগ্যনির্ণায়ক শর হচ্ছে শয়তানের অপবিত্র কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।’ (সুরা : মায়িদাহ, আয়াত : ৯০) মদপানকারী ও মদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর অভিশাপ মদের ওপর, তা পানকারীর ওপর, যে পান করায় তার ওপর, যে বিক্রি করে তার ওপর, যে তা নিষ্কাশন করে এবং যার আদেশে নিষ্কাশন করে তার ওপর আর যে ব্যক্তি তা বহন করে এবং যার কাছে পৌঁছে দেয়, সবার ওপর।’ (সুনানে আবি দাউদ) এ ছাড়া মদপানে রয়েছে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি। তার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত মদপানে ফুসফুসের স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য নষ্ট হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। যেমন নাইট্রিক অক্সাইড শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া থেকে শ্বাসতন্ত্রকে রক্ষা করে। কিন্তু মদ পান করলে শরীরে এই বর্ণহীন গ্যাস নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়।  ‘চেস্ট’ জার্নালে প্রকাশিত হয় গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গবেষণার প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের লোয়োলা ইউনিভার্সিটি শিকাগো স্ট্রিটচ স্কুল অফ মেডিসিন’য়ের সহকারী অধ্যাপক মাজিদ আফসার বলেন, মদ ফুসফুসের মধ্যকার স্বাস্থ্যকর ভারসাম্যকে নষ্ট করে। ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সংগ্রহ করা ১২ হাজার ৫৯ জন ব্যক্তির তথ্য পর্যালোচনা করেন গবেষকরা। এছাড়া মদ পানের পর ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত একজনের রক্তে এর উপস্থিতি থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাস ও মুত্রে ১২-২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এবং চুলে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত এর উপস্থিতি থাকে। (তথ্যসূত্র: রয়টার্স) গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ নামের বৈশ্বিক উদ্যোগের গবেষণা থেকে জানা গেছে, মদ মানেই ক্ষতি। মদের কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। মদ পান করলে ক্ষতি হবেই। গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ নামের বৈশ্বিক উদ্যোগের গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকার ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ ম্যাট্রিকস এই বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রধান কার্যালয় হিসেবে কাজ করেছে। গবেষণায় অর্থায়ন করেছে আমেরিকার বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। (তথ্যসূত্র: পার্সটুডে) এনএইচ/টিআই
যে কারণে মদ নিষিদ্ধ
নববর্ষে যে দোয়া পড়বেন
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই বিদায় নেবে ২০২১ সাল। বিশ্ববাসী বরণ করে নেবে নতুন বছর ২০২২ সাল। করোনা মহামারি থেকে মুক্তি প্রার্থনা, সবার জীবনে সফলতা, সমৃদ্ধি এবং বিগত বছরের পাপ মোচনে দোয়া প্রার্থনা করে শুরু করতে পারেন নতুন বছর। কারণ, একমাত্র আল্লাহই পারেন আমাদের মনোবাসনা পূরণ করতে।  সারাবছরের কল্যাণ ও নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর সাহায্য চেয়ে যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন, তা হলো- اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ ، وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلامَةِ ، وَالإِسْلامِ ، وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمَنِ ، وَجَوَار مِنَ الشَّيْطَانِ উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল-আমনি, ওয়াল ইমানি, ওয়াস সালঅমাতি, ওয়াল ইসলামি, ওয়া রিদওয়ানিম মিনার রাহমানি, ওয়া ঝাওয়ারিম মিনাশ শায়ত্বানি।’ (আল-মুঝাম আল আওসাত) অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের ঈমান ও ইসলামকে নিরাপদ করুন। আমাদের সুরক্ষা দিন। শয়তানের কুমন্ত্রণার মোকাবিলায় আমাদের সাহায্য করুন। দয়াময় রহমানের কল্যাণ দান করুন। (মু’জামুস সাহাবাহ : ০৩/৫৪৩; আল-ইসাবাহ : ০৬/৪০৭-৪০৮)   এনএইচ /টিআই  
নববর্ষে যে দোয়া পড়বেন
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৫ জন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন।   এ ছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতির তথ্যমতে, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থাকা মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৫৯ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন এবং অন্যান্য বিভাগের হাসপাতালে ২৮ জন। নতুন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালের কেউ ভর্তি হননি। এনএইচ/টিআই
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
২০২১ সালকে বিদায় জানাতে গুগলের ডুডল
আর কয়েক ঘণ্টা পরই নতুন বছরের শুরু। বিদায় নিচ্ছে ২০২১ সাল। সবারই ভালো-মন্দ মিলিয়ে কেটেছে বিদায়ী বছর। বৈশ্বিক মহামারি বিবেচনায় হয়েতো ভালোর তুলনায় মন্দর পাল্লাই ভারী ছিল বেশি। অতীতের বছরের শোক-দুঃখ, ব্যথা-বেদনা ভুলে সবাই-ই ব্যস্ত পুরনোকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে। তোড়জোড়ে প্রস্তুতিও চলছে। পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে ভোলেনি গুগলও। ২০২১-কে বিদায় জানাতে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করেছে গুগল। বিভিন্ন দিবস ও স্মরণীয় ঘটনার দিনে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করে গুগল। বছরের শেষ দিনও এর ব্যক্তিক্রম হয়নি।  মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা কমপিউটারের মতো ডিভাইসে  আজ গুগল খুললেই চোখে পড়বে উৎসবের মেজাজ। দেখা যাচ্ছে টুপি ও লাইটে সেজেছে গুগল। মাঝে রয়েছে ক্যান্ডি। জি অক্ষরের মাথায় আছে পার্টি ক্যাপ। ও অক্ষরে রয়েছে ক্যান্ডি। বেলুন, লাইট, রঙিন রিবন ঝুলছে গুগলের মাথায়। গুগল লোগো-তে ক্লিক করলে খুলছে একটি পেজ। যেখানে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে গুগল। আর ২০২১ সালের সব গুরুত্বপূর্ণ খবরের দেখা মিলছে এই পেজে।  গুগল বিভিন্ন উৎসব ও দিবসে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করে। বিখ্যাত ব্যক্তির জন্মদিন কিংবা মৃত্যুদিন উদযাপন করতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের স্মরণ করিয়ে দিতে উদ্যোগ নেয় গুগল। শেষ বড়দিনে সাজতে দেখা গিয়েছিল গুগলকে।  টিআই
২০২১ সালকে বিদায় জানাতে গুগলের ডুডল
জুমার দিন যখন দোয়া কবুল হয়
ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র জুমা ও জুমাবারের রাত-দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।  জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতোই। মুসলমানদের জন্য এই দিন অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনের কিছু সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন বলে হাদিসে এসেছে। তবে জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময় কোনটি— সেটা নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও দোয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই। নিম্নে সংক্ষেপে কয়েকটি সময় তুলে ধরা হলো— জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিনে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আছরের শেষ সময়ে তা তালাস করো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস : ১৩৮৯) আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—  জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনও মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসুল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৪০০) আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আছরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (যাদুল মাআ’দ : ২/৩৯৪) আবু দারদা ইবনে আবু মুসা আশআরি (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্তটি সম্পর্কে বলেছেন, ইমামের মিম্বরে বসার সময় থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত সময়টিই সেই বিশেষ মুহূর্ত। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৯) আসরের শেষ সময় অর্থাৎ সূর্য ডোবার আগমুহূর্তে। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন—  জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনও মুসলিম এ সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এ মুহূর্তটি তোমরা আসরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮) আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, জুমাবারে এমন একটি সময় আছে, যেটাতে বান্দা আল্লাহর কাছে কোনও দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দিয়ে থাকেন। (মুসান্নাফ, হাদিস : ৫৫৮৮) এসএস/টিআই
জুমার দিন যখন দোয়া কবুল হয়
আরও পড়ুন
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
যা থাকছে বাণিজ্য মেলার নতুন ঠিকানায়, শুরু শনিবার    
মালয়েশিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা