
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক সম্প্রতি একটি জনমত জরিপ শুরু করেছেন। সেখানে এক টুইটে মাস্ক জানতে চেয়েছেন, আমার কি টুইটারপ্রধান হিসেবে পদত্যাগ করা উচিত? এ জনমত জরিপে যে ফলাফল আসবে আমি তাই মেনে নেব।
এক প্রতিবেদনে এএনআই জানিয়েছেন, সোমবার ১৯ ডিসেম্বর টুইটারে ওই জনমত জরিপ শুরু করেন মাস্ক।
তার এই পোস্ট দেওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে এক কোটি ৫৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫৭৮ জন জরিপে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ইলন মাস্ককে টুইটারপ্রধান হিসেবে দেখতে চান না। আর বাকি ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ ব্যবহারকারী ইলন মাস্কের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
এদিকে আরেকটি টুইটে ইলন মাস্ক লিখেছেন, সামনে নীতিমালার বড় পরিবর্তন নিয়ে একটি ভোটাভুটি হবে। আমি আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, এমটা আর হবে না। অন্য আরেকটি টুইটে মাস্ক লিখেছেন, ‘কথায় আছে, যা চাও তা পাওয়ার ফল ভালো হবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক হও।’
এর আগে, রোববার টুইটার সাপোর্ট দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা স্বীকার করছি, আমাদের অনেক ব্যবহারকারী অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় আছেন। এখন থেকে আমরা আর টুইটারে বিনামূল্যে নির্দিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর প্রচার চালাব না।’
এ ছাড়াও ইলন মাস্কের সমালোচনা করে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে স্বনামধন্য কয়েকজন সাংবাদিকের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দিয়েছে টুইটার। তাদের মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, সিএনএন, দ্য ইন্টারসেপ্ট এবং ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিকরা রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার এক টুইটে মাস্ক বলেন, ‘দিনভর আমার সমালোচনা ঠিক আছে, কিন্তু আমার চলাফেরার রিয়েল টাইম তথ্য প্রকাশ করে আমার পরিবারকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়াকে আমি মানতে পারি না।’




