ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভালোবাসা দিবস নিয়ে ইতিহাসে যত কথা

জাকির হোসাইন

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৫:২৫ পিএম
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২:২৬ এএম

১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে। সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয় নানা আয়োজনে। যদিও এ দিনে বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান, বন্ধু-বান্ধব সবার প্রতিই ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়; তবু এর ভিন্নমাত্রা দেখা যায় প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে। এ দিনে তারা একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন ভিন্ন মাত্রায়।

যদিও বলা হয় ভালোবাসার জন্য নির্দিষ্ট কোনও দিন বা তারিখ নেই; সপ্তাহের সাত দিন এবং বছরের ৩৬৫ দিনই ভালোবাসার দিন। তবু ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ভালোবাসা প্রকাশের একটি প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকেই ভালোবাসা প্রকাশের দিবস হিসেবে নেয়া হয়েছে, এর পেছনে কতগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে।

ইতিহাস থেকে যে ক’টি কারণ জানা যায়, এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ঘিরে কয়েকটি ঘটনা।

ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালপি। তিনি ছিলেন খিস্ট্রধর্মের অনুসারী। তৎকালীন রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস ছিলেন দেব-দেবী পূজারী। সম্রাট তাকে দেব-দেবী পূজা করতে বললে তিনি তা অস্বীকার করেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে সম্রাট ভ্যালেন্টাইনকে বন্দি করেন। পরবর্তীতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এ দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। এ থেকেই প্রেমিক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ দিনটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ঘিরে আরেকটি মত পাওয়া যায়। তরুণ-তরুণীদের অনেকেই ফুল উপহার নিয়ে কারারুদ্ধ সেন্ট ভ্যালেন্টানইকে দেখতে আসতেন। কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে আসতেন। একসময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যান। তার আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় দৃষ্টি ফিরে পায় মেয়েটি। যুবক-যুবতীদের প্রতি তার ভালোবাসা আর ভ্যালেন্টাইনের প্রতি তাদের ভালোবাসার কথা জানতে পেরে সম্রাট ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৯ খিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ঘিরে আরো একটি মত পাওয়া যায়। রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াসকে তার সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে দরকার হয় বিশাল সেনাবাহিনীর। এজন্য সেনাবাহিনীতে যুবকদের যোগদানে বাধ্য করতে বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন সম্রাট। তার এ ঘোষণায় দেশের যুবক-যুবতীরা ক্ষেপে যান। ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনও এ নিষেধাজ্ঞা মেনে নিতে পারেননি। তিনি গোপনে তার গির্জায় বিয়ে পড়ানোর কাজও করতে থাকেন। তিনি পরিচিতি পেলেন ‘ভালোবাসার বন্ধু বা ‘Friend of Lovers’ নামে। কিন্তু এ বিষয়টি সম্রাট ক্লডিয়াসের কানে গেলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে হাত-পা বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে সম্রাটের সামনে হাজির করলে তিনি তাকে হত্যার আদেশ দেন।

এর বাইরে অন্য একটি মত প্রচলিত আছে, প্রাচীন রোমে দেবতাদের রাণী জুনোর সম্মানে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছুটি পালিত হতো। রোমানরা বিশ্বাস করতেন জুনোর ইচ্ছা ছাড়া কোনও বিয়ে সফল হয় না। পরদিন তারা লুপারকালিয়া ভোজ উৎসবে তরুণ-তরুণীদের মেলায় র্যা ফেল ড্রর মাধ্যমে সঙ্গী বাছাই করতেন।

এমন অনেক প্রচলিত ঘটনা, তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস নিয়ে। একেকজন একেকভাবে এর যুক্তি ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। তবে এ কথা ঠিক মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা চিরন্তন। আর এ ভালোবাসা থেকেই ভালোবাসা দিবসের উৎপত্তি।

১৯৯৩ সালে বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের আবির্ভাব ঘটে বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমানের হাত ধরে। লন্ডনে পড়াশোনার সুবাদে পাশ্চাত্যের রীতিনীতিতে তিনি ছিলেন অভ্যস্ত। দেশে ফিরে তিনিই ভালোবাসা দিবসের শুরুটি করেন। তার চিন্তাটি নতুন প্রজন্মকে বেশি আকর্ষণ করে। সে থেকেই আমাদের দেশে দিনটির শুরু।

প্রেমিক-প্রেমিকারা এই দিনটিকে ঘিরে বছর জুড়েই কল্পনার জগৎ সাজাতে থাকেন। এ দিনে নীল খামে হালকা লিপস্টিকের দাগ, একটা গোলাপ ফুল, চকলেট, ক্যান্ডি, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দু'ছত্র গদ্য অথবা পদ্য হয়ে উঠে উপহারের অনুষঙ্গ। যদিও সময়ের পরির্বতেন পাল্টিয়েছে ভ্যালেন্টাইন ডে’র উপহারের ধরন। ফুলের পরিবর্তে ভালোবাসার প্রকাশ নেমে এসেছে দামি কোনও দ্রব্যে।

ভালোবাসা চিরন্তন। সব সময় ভালোবাসার বন্ধন থাকুক অটুট। ভালোবাসা সার্বজনীন। ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ুক হৃদয় থেকে হৃদয়ে।.

জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
পকেটে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের এক ব্যক্তি। এসময় ওই ফোনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, জ হিলার্ড নামের এক ব্যক্তি ২০ দিন আগে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স কিনেন। কিন্তু এটা হঠাৎ তার পকেটে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়। হিলার্ড জানান, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাইরে যান। হঠাৎ তিনি বুঝতে পারেন, তার প্যান্টের পেছন পকেট থেকে বাজে গন্ধ আসছে। এসময় তিনি তাপ অনুভব করেন এবং এরপরই ধোঁয়া দেখতে পান। যে কারণে বুঝতে দেরি হয়নি যে তার আইফোনে আগুন ধরে গেছে। এ সম্পর্কে হিলার্ড বলেন, আমি তাপ অনুভব করা এবং ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার পর দ্রুত স্থান ত্যাগ করি, যেহেতু ওই জায়গায় একজন মেয়ে ছিল। এরপর আমি বোর্ড রুমে গিয়ে দ্রুত প্যান্ট খুলে ফেলি। আমার আর্তনাদ শুনে কয়েকজন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর হিলার্ড অ্যাপল কেয়ারে যোগাযোগ করেছেন। হিলার্ড দাবি করেন, অ্যাপলের সুরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এরপর অ্যাপলের ওই কর্মকর্তা হিলার্ডকে বিস্ফোরিত ফোনের ছবি, ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক এবং কোনও আহতের ছবি থাকলে সেগুলো পাঠাতে বলেন। এসব প্রমাণ পাঠানোর পর কয়েকদিন পর নতুন আইফোন পান হিলার্ড। ডি/ এসএস
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে আজ সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন পর্যন্ত এটাই চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ বইছে, গত শুক্রবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ কোথাও কোথাও তীব্র আকার ধারণ করে। সারাদেশের মতো ঢাকাতেও জেঁকে বসেছে শীত। শীত শুরু হওয়ার পর থেকে তীব্রতা খুব একটা না থাকলেও এখন বেশ শীত পড়ছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, ‘এবছর তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রির নিতে নামেনি। এটাই এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আপাতত তাপমাত্রা এর নিচে নামার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। আগামী ৩-৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তারপর শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। আজ সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, একদিন আগে তা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি ও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির চেয়ে বেশি থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, নওগাঁ, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পি
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, নতুন শিক্ষাবর্ষ। প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুর দিনেই সারা দেশে উৎসব করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর বই দেয়া হবে। এবার প্রায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের নতুন বই তুলে দেয়া হবে।  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।  ২০১৯ সালের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেয়া হচ্ছে।  এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) রতন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বই উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বছরের শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের বই তুলে দেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠান হবে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। কাল সকাল ১০টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে বিনা মূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসআর
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ভোটগ্রহণ শেষে টানা ২০ ঘণ্টা পর চালু হলো মোবাইল ফোন ইন্টারনেট। রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইন্টারনেট চালু করা হয়। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এছাড়া গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেটে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খোলার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত তা চলছিল। এরপর শনিবার বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় দফায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। তখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে, গুজব প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনায় মোবাইল ফোন অপারেটদের থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ডি/জেএইচ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দেয়। বাসা থেকে স্কুলের কথা বলে বের হলেও মাঝেমধ্যেই স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তারা। আর এই সমস্যা সমাধানে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চীনের স্কুলগুলো। তারা চিপযুক্ত ‘স্মার্ট ইউনিফর্ম’ বা স্মার্ট পোশাক চালু করেছে। এই পোশাক পরা শিক্ষার্থী কোথায় আছে তা জানতে পারবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলড্রেস পরে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও গেলে তা ধরে ফেলতে পারবে তারা। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্ত বিষয়ক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ। গণমাধ্যমটি জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্কুলগুলো। চিপ ব্যবহার করা হলেও এই পোশাক ধোয়া যায়। এর কার্যক্রম ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে এবং এটা ৫০০ বার ধোয়া যাবে। এই পোশাকের আরও কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো- কোনও শিক্ষার্থী ক্লাসে ঘুমিয়ে গেলে তা স্মার্ট পোশাকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে। বর্তমানে চীনের গুইজো প্রদেশের ১০টি স্কুলে স্মার্ট ইউনিফর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পোশাক ব্যবহারকারী স্কুলের সংখ্যা বাড়তে পারে। ডি/কে
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
আরও পড়ুন
ফিরলেন সারা জেরিন
সিনেমা হলে মাহির ‘পবিত্র ভালোবাসা’
রোকন-মাহির ‘পবিত্র ভালোবাসা’ ৫ অক্টোবর
তাদের ‘বিশুদ্ধ ভালোবাসা’