ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দরকারি উপকারী অথচ অবৈধ যানবাহন, কে দেখবে এসব?

মিথুন চৌধুরী, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ১০:০৮ এএম

কারওয়ান বাজারের পেট্রো বাংলার সামনে হাতিরঝিলের রাস্তায় বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস দাঁড়িয়ে। একটির সামনে দাঁড়ানো এক যুবক যাত্রী ডাকছে- ‘মেরুল-বাড্ডা, রামপুরা ব্রিজ ২৫ টাকা...। মিনিট দশেকের মধ্যে গাড়িটির সব কটি আসন ভরে গেল। ড্রাইভারের সঙ্গে বসলো দুজন, পেছনে বসলো ১২ জন। এবার চলে গেল মাইক্রোবাসটি। ফাঁকা স্থানে এসে দাঁড়াল আরেকটি মাইক্রোবাস।

যাত্রীবেশে একটি গাড়িতে চড়ে কারওয়ান বাজার থেকে রামপুরা টিভি সেন্টার পর্যন্ত গিয়ে গাড়িগুলোর যে অবস্থা তাতে দেখা যায়, গাড়ির ভেতরে প্রায় প্রতিটি আসন ভাঙা। কোনোরকম বসা যায়। ড্রাইভারের সিটের ডান দিকের দরজাটি রশি দিয়ে বাঁধা। ভেতরে তিন জনের সিটে ৪ জন, ইঞ্জিনের ওপর সিট না থাকলেও সেখানে সিট বানিয়ে ৩ জনের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, গাড়ির সামনে ড্রাইভারসহ ২ জন্য বসার ব্যবস্থা থাকলেও ৩ জন বসেছেন। গাড়ির জানালাগুলোর কাচ খোলা যায় না ফলে ভেতরে কোনও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় রীতিমত সবাই ঘেমে অস্থির। তার ভেতরেই গাদাগাদি করে মানুষ যাচ্ছে কারওয়ান বাজার থেকে রামপুরা ব্রিজ। ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২৫ টাকা। হঠাৎ দেখা গেল চলন্ত অবস্থায় রাস্তার মাঝে ভেতরের দরজার লক কাজ না করায় কন্ডাক্টর তা খুলে রেখেছে। দরজা খোলা অবস্থাতেই ছুটে চলছে গাড়ি। ফিরতি গাড়িগুলো একইভাবে রামপুরা থেকে যাত্রী তুলে আনছে কারওয়ান বাজার।

মূলত হাতিরঝিলের রাস্তায় এভাবে ভাড়ায় যানবাহন চালানোর অনুমতি নেই। তারপরও এসব মাইক্রোবাস চলছে। ঝিলের রাস্তায় পুলিশের চেকপোস্ট আছে কিন্তু অজানা কারণে তারা কিছু বলে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব যানবাহন রাস্তায় নামিয়েছে। প্রথমে দুই-চারটি গাড়ি থাকলেও এখন অবৈধভাবে এ রুটে চলছে শতাধিক মাইক্রোবাস। রামপুরার বাসিন্দা মোহাম্মদ মাসুদ এ ব্যবসার নিয়ন্ত্রক।

কারা এসব মাইক্রোবাস নামিয়েছে জানতে চাইলে কয়েকজন মাইক্রোবাসের চালক আরটিভি অনলাইনকে বলেন, হাতিরঝিল চালুর পর ২০১৩ থেকে এই গাড়ি চলছে। প্রথমে কারওয়ান বাজারের কিছু চালক এটা শুরু করেছিলেন। তখন মাইক্রোবাসগুলো অনেক ভালো মানের ছিল। ধীরে ধীরে গাড়ির সংখ্যা বেড়ে যায়। পরে এই ভাঙাচুরা গাড়িগুলো এসে যোগ দেয়। আর এসব গাড়ি ‘লাইনম্যান’ ঠিক করে দেন।

এই চালকরা আরও বলেন, ‘কারওয়ান বাজারের পেট্রো বাংলার সামনের অংশে অবৈধভাবে পার্ক করা হয় এসব মাইক্রোবাস। গড়ে ১৩-১৪ জন যাত্রী আনা-নেয়ায় প্রতি ট্রিপে গাড়িচালকের আয় ৭০০ টাকা। এ আয়ের অংশ থেকে প্রতিদিন ১৫০০ টাকা ভাগ করে দিতে হয় হাতিরঝিল প্রকল্পের আওতাভুক্ত ৬টি থানার পুলিশ যেমন- তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, রমনা ও হাতিরঝিল থানা। এছাড়া ট্র্যাফিক পুলিশসহ চারজন ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর, লালপুলিশ (হাতিরঝিল নিরাপত্তাকর্মী), শ্রমিক লীগ, যুবলীগের নামে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের নেতাদেরও এই টাকার ভাগ দিতে হয়। এ গাড়িগুলো নিয়ন্ত্রণ ও মাসোয়ারা তোলেন জামাল।

তারা আরও বলেন, মাইক্রোবাস দিয়ে ব্যবসা করতে হলে নতুন গাড়ি লাগে না। আড়াই লাখ টাকা দিয়ে পুরাণ, ফিটনেসবিহীন গাড়ি কিনলেই চলে। পরে ২০ হাজার টাকা দিয়া শ্রমিক সমিতির রেজিস্ট্রেশন করাতে হয়। মাইক্রোবাসের মালিক নিজে গাড়ি চালালে প্রতিদিন ১৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হবে। আর চালক ভাড়ায় নিলে অতিরিক্ত ১২০০ টাকা বেতন দিতে হবে। কারওয়ান বাজার থেকে রামপুরা পর্যন্ত যাত্রী ভাড়া ২৫ টাকা। মাসুদের লোকজন এসব টাকা নেন। মাইক্রোবাসের পাশাপাশি একই ধরনের কিছু প্রাইভেটকারও চলাচল করে বলে জানান তারা।

খোঁজ নিয়ে মাসুদের নম্বরে ফোন দেয়ার পর পরিচয় জেনে তিনি ফোন বন্ধ করে দেন। পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

নিয়মিত চলাচল করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই যানবাহনের অনেক চাহিদা। এই বাহনটি অনেক উপকারী এবং খুবই দরকারি অথচ এই জায়গাটায় সরকারের কোনও মনোযোগ নেই বললেই চলে। শরীফ নামের একজন যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে এই প্রতিবেদককে বলেন, যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী কোন রুটে কী ধরনের যানবাহন দরকার সেই হিসাব সরকারের নেই। যেখানে সিটিবাস দরকার সেখানে দিয়ে রেখেছেন চক্রাকার ট্যুরিস্ট বাস! হাতিরঝিলের এই রাস্তা যখন ছিল না তখন এই যাত্রীরা মহাখালী বা মৌচাক হয়ে ওই পারে যেত, আর এখন দিয়ে রেখেছেন এই ভাঙা গাড়ি। দেখেন আমরা কত কষ্ট করে যাই। ঠিকমতো বসতে পারি না। সাধারণত যে মাইক্রোবাসে ৭ জন বসেন সেখানে আমরা ১৩-১৪ জন গাদাগাদি করে বসি। তবে এগুলোকে বিশেষ মাইক্রোবাস বলা উচিত। কারণ বসার সিটগুলো এমনভাবে সেট করা যাতে ১৪ জন বসতে পারে। এটা না দেখলে বুঝানো যাবে না।

আরেক জন যাত্রী বললেন, কষ্ট সহ্য করে এই সিটে বসে প্রতিদিন প্রায় লক্ষাধিক লোক যাতায়াত করেন। এই লাইনে যদি সিটি বাসের ব্যবস্থা করা যেত তাহলে অবৈধ চাঁদাবাজির জন্ম হতো না। মূলত চাঁদাবাজির এই কাচা পয়সার জন্যই এই যানগুলো বৈধতা পায় না। নয়তো ভালো মাইক্রোবাস দিয়ে বৈধতা দিলেই-বা সমস্যা কী?

তবে হাতিরঝিলে দীর্ঘদিন এভাবে প্রকাশ্যে রুট পারমিট ছাড়া মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার চলাচল করলেও বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ নাকি কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে বিআরটিএ'র পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) নুর মোহাম্মদ মজুমদার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমরা এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। বিআরটিএ রুট পারমিট ছাড়া কোনও গাড়ি চলাচল করতে পারবে না। আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডিএমপি ট্র্যাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মীর রেজাউল আলম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, হাতিরঝিলে ফিটনেস ও রুটপারমিট ছাড়া যান চলাচলের বিষয়ে আমি খোঁজ নেব। এসব বিষয়ে কোনও ছাড় দেয়া হবে না।

এমসি/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
পকেটে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের এক ব্যক্তি। এসময় ওই ফোনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, জ হিলার্ড নামের এক ব্যক্তি ২০ দিন আগে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স কিনেন। কিন্তু এটা হঠাৎ তার পকেটে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়। হিলার্ড জানান, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাইরে যান। হঠাৎ তিনি বুঝতে পারেন, তার প্যান্টের পেছন পকেট থেকে বাজে গন্ধ আসছে। এসময় তিনি তাপ অনুভব করেন এবং এরপরই ধোঁয়া দেখতে পান। যে কারণে বুঝতে দেরি হয়নি যে তার আইফোনে আগুন ধরে গেছে। এ সম্পর্কে হিলার্ড বলেন, আমি তাপ অনুভব করা এবং ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার পর দ্রুত স্থান ত্যাগ করি, যেহেতু ওই জায়গায় একজন মেয়ে ছিল। এরপর আমি বোর্ড রুমে গিয়ে দ্রুত প্যান্ট খুলে ফেলি। আমার আর্তনাদ শুনে কয়েকজন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর হিলার্ড অ্যাপল কেয়ারে যোগাযোগ করেছেন। হিলার্ড দাবি করেন, অ্যাপলের সুরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এরপর অ্যাপলের ওই কর্মকর্তা হিলার্ডকে বিস্ফোরিত ফোনের ছবি, ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক এবং কোনও আহতের ছবি থাকলে সেগুলো পাঠাতে বলেন। এসব প্রমাণ পাঠানোর পর কয়েকদিন পর নতুন আইফোন পান হিলার্ড। ডি/ এসএস
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে আজ সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন পর্যন্ত এটাই চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ বইছে, গত শুক্রবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ কোথাও কোথাও তীব্র আকার ধারণ করে। সারাদেশের মতো ঢাকাতেও জেঁকে বসেছে শীত। শীত শুরু হওয়ার পর থেকে তীব্রতা খুব একটা না থাকলেও এখন বেশ শীত পড়ছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, ‘এবছর তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রির নিতে নামেনি। এটাই এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আপাতত তাপমাত্রা এর নিচে নামার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। আগামী ৩-৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তারপর শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। আজ সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, একদিন আগে তা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি ও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির চেয়ে বেশি থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, নওগাঁ, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পি
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, নতুন শিক্ষাবর্ষ। প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুর দিনেই সারা দেশে উৎসব করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর বই দেয়া হবে। এবার প্রায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের নতুন বই তুলে দেয়া হবে।  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।  ২০১৯ সালের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেয়া হচ্ছে।  এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) রতন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বই উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বছরের শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের বই তুলে দেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠান হবে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। কাল সকাল ১০টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে বিনা মূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসআর
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ভোটগ্রহণ শেষে টানা ২০ ঘণ্টা পর চালু হলো মোবাইল ফোন ইন্টারনেট। রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইন্টারনেট চালু করা হয়। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এছাড়া গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেটে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খোলার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত তা চলছিল। এরপর শনিবার বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় দফায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। তখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে, গুজব প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনায় মোবাইল ফোন অপারেটদের থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ডি/জেএইচ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দেয়। বাসা থেকে স্কুলের কথা বলে বের হলেও মাঝেমধ্যেই স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তারা। আর এই সমস্যা সমাধানে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চীনের স্কুলগুলো। তারা চিপযুক্ত ‘স্মার্ট ইউনিফর্ম’ বা স্মার্ট পোশাক চালু করেছে। এই পোশাক পরা শিক্ষার্থী কোথায় আছে তা জানতে পারবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলড্রেস পরে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও গেলে তা ধরে ফেলতে পারবে তারা। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্ত বিষয়ক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ। গণমাধ্যমটি জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্কুলগুলো। চিপ ব্যবহার করা হলেও এই পোশাক ধোয়া যায়। এর কার্যক্রম ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে এবং এটা ৫০০ বার ধোয়া যাবে। এই পোশাকের আরও কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো- কোনও শিক্ষার্থী ক্লাসে ঘুমিয়ে গেলে তা স্মার্ট পোশাকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে। বর্তমানে চীনের গুইজো প্রদেশের ১০টি স্কুলে স্মার্ট ইউনিফর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পোশাক ব্যবহারকারী স্কুলের সংখ্যা বাড়তে পারে। ডি/কে
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি