ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

রেমিট্যান্স বাড়াতে ভূমিকা রাখবে কওমি মাদরাসার ছেলেরা

মাজহার খন্দকার

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩১ পিএম

কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ শিক্ষা সনদ দাওরায়ে হাদিসকে আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজে মাস্টার্স সমমান স্বীকৃতি দিয়ে সংসদে বিল পাস হয়েছে গত ১৯ সেপ্টেম্বর। কিন্তু এই সনদের স্বীকৃতির ফলে কওমি মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সরকারি কী কী সুবিধা পাবে বা উচ্চশিক্ষা গ্রহণে এই সনদ কতটা কাজে আসবে তা নিয়ে চলেছে আলোচনা।

কওমি মাদরাসার সদন স্বীকৃতি বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সদস্য মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ মনে করেন, এই সনদ সরকারি স্বীকৃতি লাভের ফলে দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী শিক্ষিত সমাজ হিসেবে সমাজের মূল ধারায় সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পেল। এছাড়া তারা বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। শুধু তাই নয় এখন তারা দেশের রেমিটেন্সেও বিশাল অবদান রাখবে। তাদের নিয়ে এখন সেই পরিকল্পনাই করা হচ্ছে। এছাড়া কওমি মাদরাসায় কারিগরি শিক্ষা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের আওতায় একটি চুক্তিও হয়েছে।

ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ বলেন, অভিভাবকসহ হিসেব করলে কোটি মানুষ কওমি মাদরাসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূলধারার বাইরে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই স্বীকৃতির ফলে তারা যেমন সমাজের মূল ধারায় সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পেল তেমনি দেশও উপকৃত হয়েছে।

তবে প্রতি শিক্ষা মাধ্যমে ধাপে ধাপে শেষ করে সর্বোচ্চ শিক্ষা সনদ দেয়া হয়। কিন্তু কওমি শিক্ষায় কেন নিচের স্তরে কোনও সনদের ব্যবস্থা না করে একবারে সর্বোচ্চ সনদের স্বীকৃতি দেয়া হলো?

কওমি মাদরাসার সদনের স্বীকৃতি দাবি আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত মুফতি ফয়জুল্লাহ, তিনি এ বিষয়ে বলেন, এসএসসি, এইচএসসি পর যেমন অনেক শিক্ষার্থী ঝড়ে যায়। তারা সেই সনদ দিয়ে জীবনের প্রয়োজনে কর্মক্ষেত্রে ঢুকে পড়ে। তেমনি যদি অন্যান্য কোনো ধাপে কওমি মাদরাসায় স্বীকৃতি থাকে, আর শিক্ষার্থী ঝরে যায় তাহলে পূর্ণ আলেম হওয়া থেকে বঞ্চিত হবে অনেকে। তবে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে মুরব্বিরা পরিকল্পনা করবেন।

এই স্বীকৃতির ফলে কওমি মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সরকারি কী কী সযোগ সুবিধা পাবে? সে প্রশ্নটি অনেকেরই। কারণ অনেকেই মনে করেন মূল ধারার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা টিকতে পারবে না। ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ বলেন, কওমি মাদরাসার ছাত্ররা যোগ্যতায় অন্যান্যদের থেকে এগিয়ে আছে এটি সবাই স্বীকার করে। যে বিষয়ের উপর যার দক্ষতা তাকে সে বিষয়েই প্রতিযোগিতা করতে হবে। যদি কেউ বিজ্ঞান পড়ে আরবিতে প্রতিযোগিতা করতে যায় তাহলে যেমন টিকতে পারবে না, তেমনি আরবি পড়ে বিজ্ঞানের প্রতিযোগিতাও সে টিকতে পারবে না।

কওমি মাদরাসার সরকারি স্বীকৃতির বিষয়ে যারা এতোদিন আন্দোলন করেছেন তাদের প্রায় সবাই ইসলামি ঐক্যজোটের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের চার দলীয় জোট সরকারের অংশিদারও ইসলামী ঐক্যজোট। কিন্তু সেসময় কেন তারা এই স্বীকৃতি আদায় বা বাস্তবায়ন করতে পারেনি? এ বিষয়ে প্রশ্ন ছিল ইসলামি ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহর কাছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ইচ্ছা ও দৃঢ়তা এবং আন্তরিকতার কারণেই এই স্বীকৃতি সম্ভব হয়েছে। এজন্য তিনি দুনিয়া ও আখেরাতে এর বদলা পাবেন। ২০০৬ সালেও একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি আলেম ওলামারা যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে হয়নি। সেটি ছিল অসম্পূর্ণ।

তিনি বলেন, আসলে কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি যেন না দেয়া হয় সেজন্য একটি মহল সব সময় তৎপর। এই মহলটি সেসময়ও তৎপর ছিল। কিন্তু তখন সফল হয়েছিল আর এখন সফল হয়নি।

তবে অনেক পরে হলেও স্বীকৃতি পেয়ে সন্তুষ্ট মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্ররা। তারা মনে করেন এখন দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর তারাও অংশিদার।

মুফতি ইহ্‌তিশামুল হক নোমান বলেন, সাধারণত নিম্নমধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরাই বেশি কওমি মাদরাসায় লেখাপড়া করে। কিন্তু সরকারি স্বীকৃতির ফলে এখন সব ধরনের পরিবার থেকেই ছাত্র-ছাত্রী বাড়বে।

তবে শিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধু্রী মনে করেন, তিনটি কারণে অভিভাবকরা সন্তানদের কওমি মাদরাসায় দিয়ে থাকেন। এক. দারিদ্রতা। অর্থাৎ এই মাধ্যমে লেখা পড়ার কোনও খরচ দিতে হয় না। দুই. অনেকেই মনে করেন সন্তান ধর্মীও ভাবধারায় মানুষ হবে। সেই ইচ্ছা থেকেই অনেকে মাদরাসায় দিয়ে থাকেন। আর তিন নম্বর হচ্ছে, সব ধরনের পরিবারেই দেখা যায় তারা বলে থাকেন যে, আমার তিনটি সন্তান থাকলে অন্তত একটি সন্তানকে মাদরাসায় পড়াবো। মাদরাসায় লেখাপড়ার পেছনে পরিবারের এসব মানসিকতার প্রামাণ পাওয়া যায়।

বেফাকুল মাদারিসিন আরাবিয়া বা বেফাক। যা কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডও নামে পরিচিত। তাদের তথ্য মতে ২০১৩ সালে তাদের শিক্ষার্থী ছিল ৫৫ হাজার। ২০১৪ সালে ৬৩ হাজার, ২০১৫ সালে ৭৪ হাজার, ২০১৬ সালে ৮৬ হাজার, ২০১৭ সালে ১ লাখ ৫ হাজার ও২০১৮ সালে ১ লাখ ২১ হাজার। অর্থাৎ গত ৬ বছরে এই মাধ্যমে ছাত্র বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

এছাড়া আরও পাঁচটি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড রয়েছে। যেখানে আরও কয়েক লাখ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

এছাড়া বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর সবশেষ ২০১৫ সালের জরিপ তথ্য মতে দেশে কওমি মাদরাসা আছে ১৩ হাজার ৯০২টি। যার শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। তবে বেসরকারি হিসেব মতে দেশে কওমি মাদরাসার সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি।

আরও পড়ুন :

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
পকেটে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের এক ব্যক্তি। এসময় ওই ফোনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, জ হিলার্ড নামের এক ব্যক্তি ২০ দিন আগে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স কিনেন। কিন্তু এটা হঠাৎ তার পকেটে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়। হিলার্ড জানান, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাইরে যান। হঠাৎ তিনি বুঝতে পারেন, তার প্যান্টের পেছন পকেট থেকে বাজে গন্ধ আসছে। এসময় তিনি তাপ অনুভব করেন এবং এরপরই ধোঁয়া দেখতে পান। যে কারণে বুঝতে দেরি হয়নি যে তার আইফোনে আগুন ধরে গেছে। এ সম্পর্কে হিলার্ড বলেন, আমি তাপ অনুভব করা এবং ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার পর দ্রুত স্থান ত্যাগ করি, যেহেতু ওই জায়গায় একজন মেয়ে ছিল। এরপর আমি বোর্ড রুমে গিয়ে দ্রুত প্যান্ট খুলে ফেলি। আমার আর্তনাদ শুনে কয়েকজন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর হিলার্ড অ্যাপল কেয়ারে যোগাযোগ করেছেন। হিলার্ড দাবি করেন, অ্যাপলের সুরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এরপর অ্যাপলের ওই কর্মকর্তা হিলার্ডকে বিস্ফোরিত ফোনের ছবি, ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক এবং কোনও আহতের ছবি থাকলে সেগুলো পাঠাতে বলেন। এসব প্রমাণ পাঠানোর পর কয়েকদিন পর নতুন আইফোন পান হিলার্ড। ডি/ এসএস
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে আজ সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন পর্যন্ত এটাই চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ বইছে, গত শুক্রবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ কোথাও কোথাও তীব্র আকার ধারণ করে। সারাদেশের মতো ঢাকাতেও জেঁকে বসেছে শীত। শীত শুরু হওয়ার পর থেকে তীব্রতা খুব একটা না থাকলেও এখন বেশ শীত পড়ছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, ‘এবছর তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রির নিতে নামেনি। এটাই এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আপাতত তাপমাত্রা এর নিচে নামার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। আগামী ৩-৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তারপর শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। আজ সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, একদিন আগে তা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি ও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির চেয়ে বেশি থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, নওগাঁ, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পি
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, নতুন শিক্ষাবর্ষ। প্রতিবারের মতো এবারও বছরের শুরুর দিনেই সারা দেশে উৎসব করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর বই দেয়া হবে। এবার প্রায় সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের নতুন বই তুলে দেয়া হবে।  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।  ২০১৯ সালের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেয়া হচ্ছে।  এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) রতন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বই উৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। বছরের শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের বই তুলে দেয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক স্তরের কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠান হবে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক স্তরের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। কাল সকাল ১০টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে বিনা মূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসআর
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ভোটগ্রহণ শেষে টানা ২০ ঘণ্টা পর চালু হলো মোবাইল ফোন ইন্টারনেট। রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইন্টারনেট চালু করা হয়। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এছাড়া গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেটে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খোলার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত তা চলছিল। এরপর শনিবার বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় দফায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। তখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে, গুজব প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনায় মোবাইল ফোন অপারেটদের থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ডি/জেএইচ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দেয়। বাসা থেকে স্কুলের কথা বলে বের হলেও মাঝেমধ্যেই স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তারা। আর এই সমস্যা সমাধানে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চীনের স্কুলগুলো। তারা চিপযুক্ত ‘স্মার্ট ইউনিফর্ম’ বা স্মার্ট পোশাক চালু করেছে। এই পোশাক পরা শিক্ষার্থী কোথায় আছে তা জানতে পারবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলড্রেস পরে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও গেলে তা ধরে ফেলতে পারবে তারা। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্ত বিষয়ক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ। গণমাধ্যমটি জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্কুলগুলো। চিপ ব্যবহার করা হলেও এই পোশাক ধোয়া যায়। এর কার্যক্রম ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে এবং এটা ৫০০ বার ধোয়া যাবে। এই পোশাকের আরও কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো- কোনও শিক্ষার্থী ক্লাসে ঘুমিয়ে গেলে তা স্মার্ট পোশাকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে। বর্তমানে চীনের গুইজো প্রদেশের ১০টি স্কুলে স্মার্ট ইউনিফর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পোশাক ব্যবহারকারী স্কুলের সংখ্যা বাড়তে পারে। ডি/কে
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
আরও পড়ুন
কাল নতুন বই পাবে সোয়া ৪ কোটি শিক্ষার্থী
হিজাব পরায় ভারতে পরীক্ষা দিতে পারলো না শিক্ষার্থী
সার্বিয়ায় ট্রেনের ধাক্কায় বাস দ্বিখণ্ডিত, নিহত ৫
ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত