ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

জাকারবার্গকে ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্রাঞ্চাইজি খোলার অফার দিয়েছিলেন তার বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:৪৯ পিএম
র‌্যান্ডি জাকারবার্গ

কলেজের পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে মার্ক জাকারবার্গ যদি তার বাবার অফার গ্রহণ করতেন তাহলে ইন্টারনেট দুনিয়া আজ হয়তো ভিন্ন হতো।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করার আগে তার বাবা মার্ক জাকারবার্গ ও তার তিন বোনকে পড়াশোনার পরিবর্তে ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্রাঞ্চাইজি খোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যদি মার্ক জাকারবার্গ তার বাবার ওই প্রস্তাব মেনে নিতেন তাহলে ১৫ বছর আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডর্ম (আবাসিক হল) থেকে ফেসবুকের জন্ম হতো না।

জাকারবার্গের বোন র‌্যান্ডি জাকারবার্গ সম্প্রতি সিএনএন বিজনেস-এর লরি সেগালকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হাস্যকর মনে হলেও, আমরা প্রত্যেকেই কলেজের পড়াশোনা শুরু করার আগে আমাদের বাবা একটি ফ্রাঞ্চাইজিতে বিনিয়োগ করে তা চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ফেসবুক নিয়ে সিএনএনের ‘ফেসবুক অ্যাট ১৫: ইটস কম্লিকেটেড’ শিরোনামের এক ডকুমেন্টরিতে ওই সাক্ষাৎকারটি প্রচারিত হবে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি এই ডকুমেন্টরিটি প্রচারিত হবে। ওই ডকুমেন্টরিতে নিউ ইয়র্ক সিটির প্রায় ২২ মাইল উত্তরে ডবস ফেরি, নিউ ইয়র্কে ভাই-বোনদের একসঙ্গে বেড়ে ওঠা নিয়ে কথা বলেছেন র‌্যান্ডি জাকারবার্গ।

র‌্যান্ডি বলেন, মার্ক জাকারবার্গের হার্ভার্ড ছেড়ে দেয়া নিয়ে তাদের বাবা-মায়ের অনুভূতি মিশ্র হলেও, তারা সব সময় তাদের ভাই-বোনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।

র‌্যান্ডি জাকারবার্গ বলেন, আমার মনে হয় তারা মেনে নিয়েছিল, যদি আপনি একটি ব্যবসা খুলতে চাইতেন তাহলে আপনি হয়তো ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্রাঞ্চাইজি টাকা গ্রহণ করতেন। কিন্তু, এটা (ফেসবুক) হয়তো দ্বিতীয় ভালো পছন্দ ছিল।

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ফেসবুকের মাসিক ব্যবহারকারী ২৩২ কোটি এবং সবশেষ প্রান্তিকে ১৬.৯ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। আর মার্ক জাকারবার্গের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ৬৫.৩ বিলিয়ন ডলার।

ফেসবুকের শুরুর দিককার একজন কর্মী ও প্লাটফর্মটির লাইভ ভিডিও চেষ্টার সাবেক প্রধান র‌্যান্ডি বর্তমানে নিজেই জাকারবার্গ মিডিয়া নামে একটি প্রোডাকশন কোম্পানির সিইও। জাকারবার্গ প্রোডাকশনের কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে- ডট নামে একজন টেক-সেভি মেয়েকে নিয়ে শিশুদের জন্য একটি টেলিভিশন শো, সু’স টেক কিচেন নামে শিশুদের জন্য পপ-আপ এক্সপেরিয়েন্স এবং টেকনোলজির সবশেষ ট্রেন্ড নিয়ে একটি সিরিয়াস এক্সএম বিজনেস রেডিও শো।

সিএনএন বিজনেস-এর লরি সেগালকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন র‌্যান্ডি জাকারবার্গ

তবে নিজের কোম্পানি খোলার আগে ফেসবুকে যোগ দিতে একটি শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞাপনী সংস্থার চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন র‌্যান্ডি। তিনি বলেন, শহরতলীর একটি বাড়িতে ফেসবুকের ছোট টিমের সঙ্গে দেখা করতে এবং নতুন একটি লোগোর বিষয়ে পরামর্শ দিতে প্রথমবার ক্যালিফোর্নিয়ায় উড়ে গিয়েছিলেন।

সেদিনগুলো খুব সাদামাটা ছিল। কিন্তু বিদেশে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, গোপনীয়তা কেলেঙ্কারি ও ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ফেসবুক এখন টালমাটাল।

মোবাইল ফোন থেকে যে কেউ লাইভ ভিডিও পোস্ট করতে ২০১৬ সালে বিশ্বজুড়ে চালু হওয়া ‘ফেসবুক লাইভ’ ফিচারেরও কিছু ঝামেলার সম্মুখীন হচ্ছে। কনসার্ট ও খাবার রান্নার লাইভস্ট্রিমিংয়ের পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা আত্মহত্যা, সহিংস হামলা ও হত্যার দৃশ্যও এই ফেসবুক লাইভ-এ প্রচার করছে।

ফেসবুকের প্রথম দিককার লাইভস্ট্রিম প্রচেষ্টার কথা স্মরণ করে র‌্যান্ডি জাকারবার্গ বলেন, আমি মনে করি এটা তৈরির ক্ষেত্রে ওই সময় আমরা খুব তরুণ ও আদর্শবাদী ছিলাম…আমার মনে পড়ে, আমার ভাবনা অনেকটা এমন ছিল ‘ওহ ঈশ্বর, আমরা সবার কথা বলার সুযোগ করে দিচ্ছি’ এবং ঘুম থেকে উঠে এটা নিয়ে খুব উত্তেজনা অনুভব করেছিলাম। কিন্তু অনেক বছর পর, পুরো বিশ্বে চলমান সবকিছু দেখে ঘুম থেকে উঠে আমার অনুভূতি ছিল, ‘ওহ ঈশ্বর, আমরা সবাইকে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম ও কন্টেন্ট এবং ব্যবহাকারীদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার ‘দারুণ উদ্দেশ্য’ থেকেই ওই টুল তৈরি করা হয়েছিল।

র‌্যান্ডি জাকারবার্গ বলেন, অবশ্য আমরা যেটা বুঝতে পেরেছি যে যখনই আপনি কোনও একটি টুল তৈরি করবেন যখন কিছু লোক সেটিকে দারুণভাবে ব্যবহার করবে এবং কিছু লোক সেটির অপব্যবহার করবে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির দুনিয়ার বর্তমান হচ্ছে সবকিছু ‘এখন, এখন, এখন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে বড় চিত্রটা মিস হয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শত কোটি ডলারের কোম্পানি তৈরি করতে আমরা তরুণদের ওপর চাপ দিচ্ছি। তাই স্বাভাবিকভাবেই তারা যা বানাচ্ছে তা ভবিষ্যতে কী পরিণতি বয়ে আনবে সেটি ভাবার সময় পাচ্ছে না তারা। আমি মনে ফেসবুক দারুণ উদ্দেশ্য ও শেয়ারহোল্ডারদের বাধ্যবাধকতার কারণে বিভিন্ন জিনিস বানায়, তাদের বসে চিন্তা করার সময় নেই, ‘দাঁড়াও, আমরা যেসব টুল তৈরি করছে, তার কী ঘটতে পারে?, বলেন র‌্যান্ডি।

তিনি বলেন, আমি উদ্বেগ এই ভেবে যে প্রযুক্তি কীভাবে ‘আমাদের নয় বরং আমাদের সন্তান ও তাদের সন্তানদের বিশ্ব বদলে’ দিতে পারে। তিনি সিলিকন ভ্যালির বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য দিক, বিশেষ করে লিঙ্গ বৈচিত্র্যের মতো বিষয় নিয়েও তিনি সমালোচনা মুখর।

যদিও তিনি প্রায়ই তার ভাইয়ের সমর্থনে এগিয়ে আসেন।

গত বছর একটি পোস্টের বিষয়ে মন্তব্য করে ব্যাপক সামালোচিত হন মার্ক জাকারবার্গ। ইহুদিদের গণহত্যার ইতিহাস মানতে নারাজকারী গ্রুপের পোস্ট সরিয়ে না ফেলায় সমালোচনার জবাবে তখন জাকারবার্গ বলেছিলেন, তারা ‘ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করেনি’। কিন্তু র‌্যান্ডি সেসময় তার ভাইয়ের প্রশংসা করে বলেন, কঠিন এই নতুন বিশ্বে যেখানে বাক স্বাধীনতার ধারণা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, সেখানে দারুণ কাজ করছে জাকারবার্গ।

পরিবারের সঙ্গে মার্ক জাকারবার্গ

এই দুই ভাই-বোন অন্যভাবে একে অপরকে সমর্থন করেন। মার্ক জাকারবার্গ একবার তার বোনের ব্রডওয়ে ডেব্যুর সময় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে বৈঠক সংক্ষিপ্ত করেন।

কিন্তু অনেক দিন হয়, এই দুই ভাই-বোন সুপার নিটেন্ডোয় মারিও কার্ট খেলতে রাতের বেলা একজন আরেকজনের রুমে যান না এবং পারিবারিক প্রাঙ্কের পরিকল্পনা করেন না। র‌্যান্ডি জাকারবার্গের সবচেয়ে পছন্দের প্রাঙ্ক হচ্ছে: ১৯৯৯ সালে নববর্ষের আগে মাঝরাতে সার্কিট ব্রেকার কেটে দেয়া। ওই সময় তার মা Y2K বাগ নিয়ে খুব নার্ভাস ছিলেন, তাই তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, Y2K আক্রমণ করেছে!

র‌্যান্ডি জাকারবার্গ বলেন, এটা নিচু প্রকৃতির কাজ ছিল কিন্তু দারুণ লেগেছিল। অনেক দিনের জন্য আমাদের গ্রাউন্ডেড করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এটা একেবারে অর্থহীন ছিল না।

র‌্যান্ডি বলেছেন, তাদের পারিবারিক সম্পর্ক খুবই নিবিড় এবং তার বিশ্বাস এটাই সবাইকে যুক্ত করার পেছনে ফেসবুকের অনুপ্রেরণার উৎস।

র‌্যান্ডি জাকারবার্গ বলেন, যখন আপনার এমন বড় পরিবার থাকবে, আপনি পরিবারের মধ্যেই আপনার সব সঙ্গী পেয়ে যাবেন। ‘সম্ভবত তার শৈশবের পুরোটা তার তিন বোনের সঙ্গে কাটানো পর, তার মনে হয়েছে, আমাকে অন্যদের সঙ্গে ‍যুক্ত হতে হবে।’

এ/ এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
ফেসবুকে ‘সারপ্রাইজ মেসেজ’ থেকে সাবধান!
ফেসবুকে বাংলাদেশিদের জন্য চাকরির বিজ্ঞাপন
পবিত্র কাবা নিয়ে বিরূপ স্ট্যাটাস দিয়ে সৌদিতে ভারতীয় গ্রেপ্তার
মালয়েশিয়ায় ফেসবুক ব্যবহারে দিতে হবে ট্যাক্স