ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্যালিয়েটিভ কেয়ারের সুফল ছড়াতে হবে সারাদেশে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৩৭ এএম

জীবন চিরদিনের নয়। সবারই আয়ু ফুরিয়ে যায়, সবাইকে চলে যেতে হয় এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন। বিষয়টি তীব্রভাবে উপলব্ধি করতে পারেন যারা আক্রান্ত হয়েছেন, কিংবা ভুগছেন নিরাময়-অযোগ্য কোনও জটিল অসুখে। ডাক্তারি তৎপরতা ফুরিয়ে আসার পর নিরাময়-অযোগ্য অসুখে আক্রান্ত রোগীর সামনে থাকে হাতে গোণা কয়েকটা দিন। এ ভারি এক দুঃসময় রোগাক্রান্ত ওই মানুষটি আর তার পরিবারের জন্য। ঠিক এ পরিস্থিতিতেই তার পাশে এসে দাঁড়ায় প্যালিয়েটিভ সেবাদাতা চিকিৎসক, সেবক ও কর্মীরা।

তাদের এই মানবিক সহায়তা আর সমর্থন রোগীর চরম দুর্দিনে কাজ করে এক আলোক শিখার মতো। শারীরিক ও সামাজিক সেবা দিয়ে তারা মানুষটির জীবনের শেষ দিনগুলোকেও করে তোলে আত্মবিশ্বাসী, আনন্দময়। এই সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার প্রতিটি মানুষের। তাই এই সব কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের সবখানে, প্রতিটি রোগীর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে হবে এই সেবা। গতকাল এসব কথা বলেছেন মাননীয় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

‘বিশ্ব হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে গতকাল সোমবার (২ ডিসেম্বর, ২০১৯) থেকে তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা ও পাপেট শোসহ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী এক্সিবিশন হলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ওই প্রদর্শনী। ‘আমার যত্ন, আমার অধিকার’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ার্ল্ড হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার অ্যালায়েন্স, ওয়ার্ল্ড চাইন্ড ক্যান্সার এবং প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ নিরাময় অযোগ্য অন্তিম পর্যায়ের রোগীদের জীবনের ভোগান্তি ও সংগ্রামের গল্প নিয়ে আয়োজন করেছে ৩ দিনব্যাপী ওই আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ সাদেক মো. আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ- সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগ বিএসএমএমইউ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএসএমএইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনককান্তি বড়ূয়া। উদ্বোধনী অধিবেশনের পর ছিল ‘পেন্সিল’ ও জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী তপুর ‘ইয়াত্রী’ ব্যান্ডের সঙ্গীত পরিবেশনা।

প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন আজ ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় প্রথম পর্বে ‘প্ল্যাটফর্ম’ ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর আয়োজনে থাকছে ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ক জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান’। দ্বিতীয় পর্বে বিকাল ৫ টায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক থাকছেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সন্ধ্যা ৬ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে থাকছে ‘সায়ান’এর সাথে গানালাপন। অনুষ্ঠানের শেষদিন বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় ‘স্বরশ্রুতি’ এর কবিতা আবৃত্তি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর সন্ধ্যা ৫ টায় সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ার পরিবারের পরিবেশনায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মিউজিশিয়ান সাহেদ ও তার ব্যান্ড ‘গাছ’ এর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)