ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

দায়িত্ব পেলে ধর্ষণকে যাদুঘরে পাঠাতে চান বিদিশা এরশাদ

কাজী ফয়সাল, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৩ পিএম
আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩০ পিএম
বিদিশা এরশাদ

দেশজুড়ে চলমান ধর্ষণ মহামারি নিয়ে এবার আরটিভি নিউজের সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদ। ধর্ষণ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। কেবল তাই-ই নয়, আগামী ৩ মাসের আল্টিমেটামের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেছেন, “দায়িত্ব অর্পণ করুক, আমি বাংলাদেশ থেকে ধর্ষণ নামক শব্দটিকে জাদুঘরে পাঠিয়ে দিতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস”।

সাবেক রাষ্ট্রপতির সাবেক এই স্ত্রী আরটিভি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ধর্ষণ প্রতিরোধে যদি প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন আমার পরামর্শ নেবেন, তাহলে আমি অবশ্যই আমার পলিসি নিয়ে কথা বলবো। যেমন একটি পলেসি হলো, মেয়েদের সুরক্ষার জন্য প্রতিটি জেলার প্রত্যেকটি থানায় নারীদের স্পেশাল অভিযোগ বক্স স্থাপন করবো। ওই বক্সে বা সরাসরি নারীরা যে অভিযোগ করবেন, তা যেন কেবল পড়ে না থাকে, বরং সেইসব অভিযোগ ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত করে পুলিশ যেন ব্যবস্থা নেয়। বিশেষ করে ধর্ষণ, ইভটিজিং, শ্লীলতাহানিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। কেবল তদন্ত করে থেমে থাকা যাবে না, এর জন্য কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণের মতো অপরাধের শাস্তি অবশ্যই জনসম্মুখে হতে হবে, যার ফলে মানুষ ভয় পায়। এই ভয়ের কারণে যেন তারা এমন জঘন্য অপরাধে আর না জড়ায়। এমনটি করলেই এসব ঘটনা অনেক কমে যাবে। আমি দায়িত্ব পেলে এমনটিই করে দেখাতাম। এখানে তো কেবল একটি পলেসির কথা বললাম, আমার এমন অনেক পলেসি রয়েছে, যে কারণে আমি ৩ মাসের আল্টিমেটাম দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অবশ্য এসব অপরাধ দমন কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়। পরিবার, বিশেষ করে মা-বাবা’রও দায়িত্ব রয়েছে তার সন্তানকে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করার। এছাড়াও আমাদের গণমাধ্যমগুলোতে সচেতনতামূলক প্রচারণাও থাকতে হবে। কেবল আমাদের দেশে নয়, প্রতিবেশী দেশ ইন্ডিয়াসহ পৃথিবীর সকল দেশেই ধর্ষণের ঘটনা আছে। পার্থক্য হলো, পৃথিবীর অন্য দেশগুলোতে ধর্ষণের বিচারের হার বেশি, কিন্তু আমাদের দেশে ধর্ষণের বিচারের হার খুবই কম।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশ পরিচালনার সময়ে ধর্ষণ ও দুর্নীতির পরিসংখ্যান খুবই কম ছিলো উল্লেখ করে বিদিশা এরশাদ আরটিভি নিউজকে বলেন, ওই সময়ে কেবল ধর্ষণ-দুর্নীতি নয়, অন্যান্য অপরাধও অনেক কম ছিলো। ওই সময়ে কোনো নারী ধর্ষিত বা নির্যাতিত হলে যথাযথ শাস্তি দেওয়া হতো।

এদিকে আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মধ্যরাত ১ টা ১০ মিনিটে ধর্ষণ সংক্রান্তে সরকারের সমালোচনা করে বিদিশা এরশাদ তার ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটস পোস্ট করেছেন। নিচে বিদিশা এরশাদের সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

“ধর্ষণ নির্মূলে বিদিশার তিন মাসের আল্টিমেটাম।

রাষ্ট্র চাইলে সবই সম্ভব।

আমি হলফ করে বলতে পারি সরকার যদি আন্তরিক হয় তাহলে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ বাংলাদেশের বুক থেকে চিরতরে মুছে ফেলা সম্ভব। আসলে রাষ্ট্রযন্ত্র বিকল হয়ে গেছে,,,,পঁচে গেছে রাষ্ট্রের সকল সচল ইউনিটগুলো। কে কার কথা ভাবছেন,,,,,,? সবাই নিজের আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত। কে কাকে ধর্ষণ করলো বা কে ধর্ষিত হলো তা জেনে লাভ কী ,,,,,,?

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলছি,,,, রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার উপর ন্যস্ত, আপনি যদি তা পালন করতে ব্যর্থ হন তাহলে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো উচিৎ, এভাবে আর কত তামাশা দেখবে জাতি,,,,, আপনাকে আগে মনে রাখতে হবে আপনি কোনো দলের দায়িত্ব পালন করার জন্য এ-ই আসনটিতে বসেননি, গোটা জাতির নিরাপত্তা আপনার হাতে,,,,, নিজের পরিবারে কথা, এদেশের নিরীহ মানুষের কথা চিন্তা করে আপনাকে কঠোর থেকে কঠোরতম পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ, আর যদি আপনি অপারগতা প্রকাশ করেন তাহলে নিজ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করুণ।

গণমাধ্যম কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই,,,, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতা বলে আমাকে মাত্র তিন মাসের প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করুক,আমি বাংলাদেশ থেকে ধর্ষণ নামক শব্দটিকে জাদুঘরে পাঠিয়ে দিতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস,,,,।

পরিশেষে বলতে চাই মানববন্ধন আর মিটিং মিছিল করে ধর্ষণ দমানো সম্ভব নয়, ধর্ষণ কমাতে হলে ধর্ষকদের সমূলে উৎপাটন করতে হবে l”

কেএফ/এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
খৃষ্টীয় নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, নানা ঘটনা দূর্ঘটনার কালের সাক্ষী হয়ে বছরটি বিদায় নিলো। গত বছরের সকল ব্যর্থতা ও হতাশার গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে এবং সাফল্যকে সঞ্চয় করে আগামী পথ চলার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার খৃষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে এক বানীতে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও হৃত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার সংগ্রামে সকলকে নতুনভাবে ব্রতী হতে হবে। আমাদের কর্মে নতুন বছরটি যাতে সাফল্য এবং সমৃদ্ধির বছরে পরিণত হয় সে লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ণ, নির্যাতন। বন্ধ হউক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সকল ধরণের দমনমুলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। হৃত গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। এমকে
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকার উদ্দেশে সাতক্ষীরা থেকে যশোর বিমান বন্দরে আসার পথে কলোরা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) পৌনে তিনটার দিকে কলারোয়া–যশোর মহাসড়কের কলারোয়া বাজারে রিজভীকে বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসময় তার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ঘটনাস্থল থেকে মুঠোফোনে রুহুল কবির রিজভী জানান, তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।  সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে যশোর বিমান বন্দরে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে একটি ভ্যান প্রাইভেটকারের সামনে পড়ে। এসময় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও  প্রাইভেট কারে থাকা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও হাবিব উভয়েই আল্লাহ্ অসীম রহমতে ও দেশবাসীর দোয়ায় ঠিক আছেন। আঘাত পেলেও তেমন গুরুতর নয় বলে জানান রিজভী। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য ছিল। এই মামলায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে আসামি করা হয়। এম
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি সরকারের উন্নয়ন দেখেও দেখে না। তারা চোখ বন্ধ করে রাখে। আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে বলে আশা করেন তিনি।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক কিছু চালু রাখতে পেরেছি। করোনার যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ায় আমরা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দলের লোকজন করোনায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মী করোনায় মারা গেছেন। বিএনপি করোনায় জনগণের পাশে ছিল না। তারা দলীয় স্বার্থের বাইরে যেতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে দেশ শক্তিশালী হবে। আমরা সমালোচনাকে সমাদৃত করি। সমালোচনাবিহীন দেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। সংবাদমাধ্যম ক্ষমতাবানকে ক্ষমতাহীন করতে পারে। আবার ক্ষমতাহীনকেও ক্ষমতাবান করতে পারে। তাই আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে লালন করি। এসএস
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না, জনগণ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চায়। আর এজন্যই বিএনপির ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি ও মিথ্যাচারে জনগণ সাড়া দেয় না।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।  ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই নিয়মিত নির্বাচন, উপ নির্বাচন হচ্ছে, সেই নির্বাচনে বিএনপিও নিয়মিত অংশ নিতে পারছে এবং জয়লাভও করছে। দেশে কোনও স্বৈরতন্ত্র নেই, আছে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আর বাক-স্বাধীনতা। আর তাই বিএনপি প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারছে, পারছে অবিরাম বিষোদগার করতে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে বিএনপির নেতিবাচক ও অতি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিই প্রধান বাধা। বিএনপি এতোদিন ‘না’ ছাড়া কিছুই দেখতে পেতো না, এখন তারা ‘ধ্বংস’ দেখতে পায়। তিনি আরও বলেন, ধ্বংস নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন সৃষ্টিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহাযজ্ঞ চলছে। এসএস
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আরও পড়ুন
স্বামী বিদেশ, দেবরের দিনের পর দিন ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ
চুমু দেয়ায় ছক্কুকে কঞ্চি দিয়ে আঘাত করাই ছিলো মাইশার অপরাধ
নববধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে এলো 
ভাইয়ের স্ত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণ করে ধর্ষণ