ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধু কখনোই ভাস্কর্যের পক্ষে ছিলেন না: চরমোনাই পীর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:০৯ পিএম
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:২২ পিএম
সংবাদ সম্মেলন

বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের ষড়যন্ত্র করছে নাস্তিকরা। বঙ্গবন্ধু ধার্মিক ছিলেন। তার পরিবারও ধার্মিক, এমনকি ওনার পূর্বপুরুষরাও ধার্মিক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু কখনোই ভাস্কর্যের পক্ষে ছিলেন না। আর সেজন্যই নাস্তিকরা ওনার ভাস্কর্য নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলটির ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ রেজাউল করীম।

তিনি আরো বলেন, একটি সুবিধাভোগী মহল সাধারণ মুসলিম জনতার উত্থাপিত একটি যৌক্তিক মতামতকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে হুমকি দিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। সরকারের কোন কাজের সংশোধনমূলক পরামর্শ, গঠনমূলক সমালোচনা বা বিরোধিতা করলেই চিহ্নিত মহলটি পাকিস্তানপন্থী, রাজাকার, আলবদর, সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী ইত্যাদি বলে ভিন্নমত পোষণকারীদের প্রতি হামলে পড়ে। ভাস্কর্যের পক্ষে থাকাটা হলো মূর্তি প্রীতি ও বিজাতীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ। ইসলামি আন্দোলন সীমাহীন ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে এসেছে। আমরা ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। উগ্রবাদী শক্তি আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভেবেছে। আমি সরকারকে সীমা লঙ্ঘনকারীদের নিবৃত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনের পেছনে আমাদের কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ নেই। আমি মনে করি ভাস্কর্য স্থাপন করতে বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে তারা। আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকে ঘোষণা করছি- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ না করা হলে শিগগিরই আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো।

পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ রেজাউল করীম আরো বলেন, উলামায়ে কেরামের দাবির মধ্যে মরহুম বঙ্গবন্ধুর প্রতি কোন বিদ্বেষ ছিলো না, অসম্মানও ছিলো না। বরং বিষয়টি ছিলো দেশের জনগণের বোধ বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক মূর্তি স্থাপন না করে অন্য কোন পন্থায় তাকে স্মরণ করার দাবি। আলেমসমাজ ও সাধারণ মুসলিম ধর্মপপ্রাণ জনগণ এ ক্ষেত্রে সরকারের কাছে নিজেদের প্রাণের আকুতি তুলে ধরতেই পারে। মানা না মানা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

চরমোনাই পীর বলেন, গতকাল মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি ভূঁইফোড় সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নামে একটি জঘন্য মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়ায় গিয়েছে। সঙ্গে আরো দুইজন বিশিষ্ট আলেম আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মাওলানা মামুনুল হকের নামেও মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়ায় গিয়েছে তারা। আমরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক ইস্যু মনে করিনি। যে কারণে ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি পর্যাবেক্ষণ করেছি মাত্র।

তিনি আরও বলেন, যারা দেশের ওলামা সমাজকে এবং সম্মানিত ধর্মীয় ব্যক্তিদেরকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে, কটুক্তি করে, ব্যঙ্গ কার্টুন প্রকাশ করে অপমান অপদস্ত করে, প্রাণ নাশের হুমকি দেয়, সংঘাত, মারামারির আহ্বান জানায় তাদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি। ধোলাইপাড়ের মূর্তির বিষয়ক মতামতের সাথে দেশের অন্য কোন মূর্তি ভাঙার কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই মতামতের সাথে বিষয়টিকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী ও আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কেএম আতিকুর রহমান, আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, মাওলানা নেছার উদ্দিন, বরকত উল্লাহ লতিফ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, জিএম রুহুল আমীন, মাওলানা খলিলুর রহমান, এডভোকেট একেএম এরফানুল হক চৌধুরী, ছাত্রনেতা এম হাছিবুল ইসলাম, নুরুল করীম আকরাম, এডভোকেট আবদুল বাসেত প্রমুখ।

কেএফ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
খৃষ্টীয় নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, নানা ঘটনা দূর্ঘটনার কালের সাক্ষী হয়ে বছরটি বিদায় নিলো। গত বছরের সকল ব্যর্থতা ও হতাশার গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে এবং সাফল্যকে সঞ্চয় করে আগামী পথ চলার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার খৃষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে এক বানীতে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও হৃত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার সংগ্রামে সকলকে নতুনভাবে ব্রতী হতে হবে। আমাদের কর্মে নতুন বছরটি যাতে সাফল্য এবং সমৃদ্ধির বছরে পরিণত হয় সে লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ণ, নির্যাতন। বন্ধ হউক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সকল ধরণের দমনমুলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। হৃত গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। এমকে
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকার উদ্দেশে সাতক্ষীরা থেকে যশোর বিমান বন্দরে আসার পথে কলোরা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) পৌনে তিনটার দিকে কলারোয়া–যশোর মহাসড়কের কলারোয়া বাজারে রিজভীকে বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসময় তার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ঘটনাস্থল থেকে মুঠোফোনে রুহুল কবির রিজভী জানান, তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।  সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে যশোর বিমান বন্দরে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে একটি ভ্যান প্রাইভেটকারের সামনে পড়ে। এসময় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও  প্রাইভেট কারে থাকা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও হাবিব উভয়েই আল্লাহ্ অসীম রহমতে ও দেশবাসীর দোয়ায় ঠিক আছেন। আঘাত পেলেও তেমন গুরুতর নয় বলে জানান রিজভী। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য ছিল। এই মামলায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে আসামি করা হয়। এম
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি সরকারের উন্নয়ন দেখেও দেখে না। তারা চোখ বন্ধ করে রাখে। আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে বলে আশা করেন তিনি।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক কিছু চালু রাখতে পেরেছি। করোনার যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ায় আমরা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দলের লোকজন করোনায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মী করোনায় মারা গেছেন। বিএনপি করোনায় জনগণের পাশে ছিল না। তারা দলীয় স্বার্থের বাইরে যেতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে দেশ শক্তিশালী হবে। আমরা সমালোচনাকে সমাদৃত করি। সমালোচনাবিহীন দেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। সংবাদমাধ্যম ক্ষমতাবানকে ক্ষমতাহীন করতে পারে। আবার ক্ষমতাহীনকেও ক্ষমতাবান করতে পারে। তাই আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে লালন করি। এসএস
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না, জনগণ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চায়। আর এজন্যই বিএনপির ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি ও মিথ্যাচারে জনগণ সাড়া দেয় না।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।  ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই নিয়মিত নির্বাচন, উপ নির্বাচন হচ্ছে, সেই নির্বাচনে বিএনপিও নিয়মিত অংশ নিতে পারছে এবং জয়লাভও করছে। দেশে কোনও স্বৈরতন্ত্র নেই, আছে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আর বাক-স্বাধীনতা। আর তাই বিএনপি প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারছে, পারছে অবিরাম বিষোদগার করতে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে বিএনপির নেতিবাচক ও অতি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিই প্রধান বাধা। বিএনপি এতোদিন ‘না’ ছাড়া কিছুই দেখতে পেতো না, এখন তারা ‘ধ্বংস’ দেখতে পায়। তিনি আরও বলেন, ধ্বংস নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন সৃষ্টিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহাযজ্ঞ চলছে। এসএস
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আরও পড়ুন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
কোটালীপাড়ায় ৪ হাজার শিক্ষার্থীর বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিতরণ
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এদেশে হবেই, পারলে ঠেকাইয়েন: নিক্সন চৌধুরী
বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করায় ববির শিক্ষার্থী বহিষ্কার