ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পৌর নির্বাচনে বিএনপির টিকিট পেলেন যারা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩১ পিএম
পৌর নির্বাচনে বিএনপির টিকিটি পেলেন যারা

তৃতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৫৯ প্রার্থীকে চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। এ ধাপে ৬৪টি পৌরসভায় আগামী ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ৫ পৌরসভায় মেয়র পদে আজকের (বুধবার) মধ্যে প্রার্থী চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে দলটির।

আগামীকাল বুধবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুর, দুপুর ১২টায় ঢাকা ও ময়মনসিংহ এবং দুপুর ২টায় রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে থাকা পৌরসভার প্রার্থীদের গুলশান কার্যালয়ে থেকে ‘দলীয় প্রত্যায়নপত্র’ হস্তান্তর করা হবে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এসব পৌরসভায় মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৩১ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই আগামী ৩ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১০ জানুয়ারি।

৫৯টি পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন পেলেন যারা- দিনাজপুর হাকিমপুরে সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী, নীলফামারী জলঢাকায় ফহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, কুড়িগ্রাম উলিপুরে হায়দার আলী মিঞা, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ফারুক আহম্মেদ, বগুড়া ধুনটে আলীমুদ্দিন হারুন মণ্ডল, বগুড়া শিবগঞ্জে মতিয়ার রহমান (মতিন), বগুড়া গাবতলীতে সাইফুল ইসলাম, বগুড়া কাহালুতে মো. আবদুল মান্নান, বগুড়া নন্দীগ্রামে সুশান্ত কুমার সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ রহনপুরে তারিক আহমদ, নওগাঁ ধামইরহাটে মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, নওগাঁ সদরে মো. নাজমুল হক (সানি), রাজশাহী কেশরহাটে খুশবর রহমান, নাটোর সিংড়ায় মো. তায়জুল ইসলাম, পাবনা সদরে নুর মোহাম্মাদ মাছুম (বগা), চুয়াডাঙ্গা দর্শনায় হাবিবুর রহমান, ঝিনাইদহ হরিণাকুণ্ডে জিন্নাতুল হক, ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে এসকেএম সালাহউদ্দীন বুলবুল, যশোর মনিরামপুরে শহীদ ইকবাল হোসেন, নড়াইল সদরে মো. জুলফিকার আলী, নড়াইল কালিয়ায় এসএম ওহিদুজ্জামান, বাগেরহাট মোরেলগঞ্জে ফরহাদ হোসেন, খুলনা পাইকগাছায় মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা কলারোয়ায় শেখ শরিফুজ্জামান।

বরগুনা সদরে অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ আবদুল হালিম, বরগুনা পাথরঘাটায় মো. সাহাব উদ্দিন (সাকু), ভোলা বোরহানউদ্দিনে মো. মনিরুজ্জামান, ভোলা দৌলতখানে আনোয়ার হোসেন, বরিশাল গৌরনদীতে মোহাম্মদ জহির সাজ্জাদ, বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জে মো. জিয়াউদ্দিন সুজন, ঝালকাঠি নলছিটিতে মো. মজিবুর রহমান, পিরোজপুর স্বরূপকাঠিতে মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদ।

টাঙ্গাইল সদরে মো. মাহমুদুল হক, টাঙ্গাইল মির্জাপুরে শফিকুল ইসলাম, টাঙ্গাইল ভুঞাপুরে জাহাঙ্গীর হোসেন, টাঙ্গাইল সখীপুরে নাসির উদ্দিন, জামালপুর সরিষাবাড়িতে একেএম ফয়জুল কবীর তালুকদার শাহীন, শেরপুর নকলায় মো. এনামুল হক রিপন, শেরপুর নালিতাবাড়িতে আনোয়ার হোসেন, ময়মনসিংহ গৌরীপুরে আতাউর রহমান, ময়মনসিংহ ত্রিশালে রুবায়েত হোসেন শামীম, ময়মনসিংহ ঈশ্বরগঞ্জে শরীফ মোহাম্মদ জুলফিকার আলী টিপু, নেত্রকোনা দুর্গাপুরে জামাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ কটিয়াদীতে তোফাজ্জল হোসেন খাঁন, মুন্সীগঞ্জ সদরে শহিদুল ইসলাম, রাজবাড়ি পাংশায় মো. রইজ উদ্দিন খান, শরীয়তপুর নড়িয়ায় সৈয়দ রিন্টু, শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জে বিএম মোস্তাফিজ, শরীয়তপুর জাজিরায় মাজহারুল ইসলাম রনী।

সিলেট গোলাপগঞ্জে গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী, সিলেট জকিগঞ্জে ইকবাল আহমদ তাপাদার, মৌলভীবাজার সদরে মো. অলিউর রহমান, কুমিল্লা লাকসামে মো. বেলাল রহমান মজুমদার, কুমিল্লা­ বরুড়ায় মো. জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, চাঁদপুর হাজীগঞ্জে মো. আবদুল মান্নান খান, ফেনী সদরে আলাল উদ্দিন আলাল, নোয়াখালী হাতিয়ায় মোহাম্মদ আবদুর রহিম, নোয়াখালী চৌমুহনীতে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন ও লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জে মো. তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বাচ্ছু।

এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
খৃষ্টীয় নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, নানা ঘটনা দূর্ঘটনার কালের সাক্ষী হয়ে বছরটি বিদায় নিলো। গত বছরের সকল ব্যর্থতা ও হতাশার গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে এবং সাফল্যকে সঞ্চয় করে আগামী পথ চলার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার খৃষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে এক বানীতে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও হৃত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার সংগ্রামে সকলকে নতুনভাবে ব্রতী হতে হবে। আমাদের কর্মে নতুন বছরটি যাতে সাফল্য এবং সমৃদ্ধির বছরে পরিণত হয় সে লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ণ, নির্যাতন। বন্ধ হউক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সকল ধরণের দমনমুলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। হৃত গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। এমকে
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকার উদ্দেশে সাতক্ষীরা থেকে যশোর বিমান বন্দরে আসার পথে কলোরা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) পৌনে তিনটার দিকে কলারোয়া–যশোর মহাসড়কের কলারোয়া বাজারে রিজভীকে বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসময় তার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ঘটনাস্থল থেকে মুঠোফোনে রুহুল কবির রিজভী জানান, তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।  সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে যশোর বিমান বন্দরে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে একটি ভ্যান প্রাইভেটকারের সামনে পড়ে। এসময় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও  প্রাইভেট কারে থাকা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও হাবিব উভয়েই আল্লাহ্ অসীম রহমতে ও দেশবাসীর দোয়ায় ঠিক আছেন। আঘাত পেলেও তেমন গুরুতর নয় বলে জানান রিজভী। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য ছিল। এই মামলায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে আসামি করা হয়। এম
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি সরকারের উন্নয়ন দেখেও দেখে না। তারা চোখ বন্ধ করে রাখে। আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে বলে আশা করেন তিনি।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক কিছু চালু রাখতে পেরেছি। করোনার যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ায় আমরা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দলের লোকজন করোনায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মী করোনায় মারা গেছেন। বিএনপি করোনায় জনগণের পাশে ছিল না। তারা দলীয় স্বার্থের বাইরে যেতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে দেশ শক্তিশালী হবে। আমরা সমালোচনাকে সমাদৃত করি। সমালোচনাবিহীন দেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। সংবাদমাধ্যম ক্ষমতাবানকে ক্ষমতাহীন করতে পারে। আবার ক্ষমতাহীনকেও ক্ষমতাবান করতে পারে। তাই আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে লালন করি। এসএস
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না, জনগণ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চায়। আর এজন্যই বিএনপির ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি ও মিথ্যাচারে জনগণ সাড়া দেয় না।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।  ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই নিয়মিত নির্বাচন, উপ নির্বাচন হচ্ছে, সেই নির্বাচনে বিএনপিও নিয়মিত অংশ নিতে পারছে এবং জয়লাভও করছে। দেশে কোনও স্বৈরতন্ত্র নেই, আছে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আর বাক-স্বাধীনতা। আর তাই বিএনপি প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারছে, পারছে অবিরাম বিষোদগার করতে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে বিএনপির নেতিবাচক ও অতি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিই প্রধান বাধা। বিএনপি এতোদিন ‘না’ ছাড়া কিছুই দেখতে পেতো না, এখন তারা ‘ধ্বংস’ দেখতে পায়। তিনি আরও বলেন, ধ্বংস নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন সৃষ্টিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহাযজ্ঞ চলছে। এসএস
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আরও পড়ুন
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
‘জামাত-জেএমবি নাম যাই হোক শিকড় বিএনপি’
সামনে বসা নিয়ে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি