
ঝিনাইদহ-১ আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম দুলালের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম-জেলা জজ মো. গোলাম নবীর কাছে তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করে অভিযোগ করেছেন নৌকার প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই এমপি।
তিনটি পৃথক লিখিত অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন বিডিআরর (বর্তমান বিজিবি) বহিষ্কৃত সিপাহি স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের নজরুল ইসলাম দুলাল বিশ্বাস বিধি-বহির্ভূতভাবে পূর্বানুমতি ছাড়াই নির্বাচনী সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন। গত ২৫ ডিসেম্বর বিকেল ৩টার দিকে তিনি শৈলকুপা উপজেলা শহরের মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে, ৫টার দিকে লাঙ্গলবাঁধ বাজার, সন্ধ্যায় ৭টায় ধাওড়া বাজার, ৯টার দিকে কচুয়া বাজার ও সাড়ে ৯টার পর জাঙ্গালিয়ায় নির্বাচনী সভা করেছেন। অথচ তিনি ওইদিন শৈলকুপা উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে মাত্র দুইটি সভা করার অনুমতি নিয়েছিলেন। লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়, ‘গত ২৬ ডিসেম্বর শৈলকুপা উপজেলার মীনগ্রাম মোল্লাপাড়ায় নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। সে সময় দুলাল বিশ্বাসের ক্যাডার বাহিনী নৌকার সমর্থকদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে নৌকার ৪ কর্মী-সমর্থক আহত হন। এমন বর্বরোচিত হামলায় নৌকার ভোটারদের মাঝে চরম ভয়ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে যে কর্মী-সমর্থকরা প্রাণ ভয়ে বাড়ি থেকে বাহির হতেও সাহস পাচ্ছে না। এ ছাড়া শৈলকুপার আবাইপুর ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান রিপনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
এ হত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার ভাই ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল বিশ্বাস। আব্দুল হাই পৃথক অভিযোগে উল্লেখ করেন, দুলাল বিশ্বাসের পিতা আব্দুর রশিদ ডাকাতি মামলায় ৭ বছর কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন। বংশানুক্রমে উক্ত প্রার্থী ও পরিবারের সদস্যরা এলাকায় দাঙ্গাবাজ হিসেবে চিহ্নিত। গত ২৬ ডিসেম্বর তার সমর্থকরা শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ট্রাক নিয়ে মিছিল বের করে পরিবেশ উত্তপ্ত করে তোলে। এক পর্যায়ে ভাটই বাজারে আমরা দেখতে পাই কয়েকটি ট্রাকযোগে শত শত নেতাকর্মী মিছিল করছেন। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে নজরুল ইসলাম দুলালের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।




