ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেট-১ আসন যার সরকার হয় তার!

রাজ্জাক রুনু

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৭, ০৩:১৪ পিএম

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দেশের রাজনীতিতে এক ধরনের ‘মিথ’ প্রচলিত আছে সিলেট-১ আসনে যে দল বিজয়ী হয় সেই দলই সরকার গঠন করে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেড় বছরের মতো বাকি থাকলেও এখন থেকেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দল। তবে অন্যান্য দল থেকে প্রার্থী দাঁড়ালেও এ আসনটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। বিগত দিনে এ আসন থেকে বিএনপির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করেছেন বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের নতুন-পুরাতনসহ বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে আলোচনায়। পুরাতনদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তার ছোট ভাই চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. এ কে এম মোমেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট নগরীর কাজীটুলার সন্তান সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন এবং হবিগঞ্জের মাধবপুরের বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন।

ছহুল হোসাইনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি এখনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি। তবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ অনেক নেতার মুখেই শোনা যাচ্ছে তিনি আওয়ামী লীগের টিকিট পাচ্ছেন।

বিগত দিনে বিভিন্ন সভায় বর্তমান সংসদ সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আগামী নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কথা বলেন। এরপর থেকে মন্ত্রীর ছোট ভাই এ কে এম মোমেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে শুরু করেছেন।

তবে বিএনপি থেকে এই আসনে দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া প্রার্থী হবেন এমন গুঞ্জন শোনার পর আবুল মোহিত তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ফের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দেন।

এ ছাড়া নির্বাচনের মাঠে আছেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের চেয়ারম্যান ড. এ কে আবদুল মোমেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।

মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ নগরীর আলীয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সামনে প্রকাশ্যে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন। সর্বশেষ ঈদুল আজহাতেও মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে সংসদে দেখতে চান এমন দাবিতে নগর জুড়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়েছেন সমর্থকরা।

অন্যদিকে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর প্রার্থী সংকটে রয়েছে বিএনপি। তবে দলটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মোবিন চৌধুরী, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইনাম আহমদ চৌধুরী, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।
তাদের মধ্যে একমাত্র মোক্তাদির রাজনীতির মাঠে তৎপর রয়েছেন। এক সময় মুক্তাদিরের বাবা খন্দকার আবদুল মালিক এই আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন।

অপরদিকে বর্তমান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে এই আসনে প্রার্থী হতে পারেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

সর্বশেষ সিলেট সফরে এসে নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠের জনসভায় এরশাদ নিজে এ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি সিলেটকে নিজের দ্বিতীয় বাড়ি হিসবেও অভিহিত করেন।

বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (দশম) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর আগে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী সাইফুর রহমানকে পরাজিত করেছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এই আসনটিকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহলের শেষ নেই। কারণ সেই ‘মিথ’। এই আসন থেকে যে দলের সংসদ নির্বাচিত হন, সেই দলই সরকারও গঠন করে। তাই সবাই থাকিয়ে আছেন নৌকা ও ধানের শিষ থেকে কে পাচ্ছেন টিকিট।

জেবি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নিবন্ধন চায় ৭৬টি দল
নির্বাচন কমিশনে(ইসি) নিবন্ধনের জন্য ৭৬টি রাজনৈতিক দল নতুন করে আবেদন করেছে। এছাড়া আবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে ১৫টি দল। জানালেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। রোববার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। আজ ছিল আবেদন জমা দেয়ার শেষ দিন। হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, আবেদনের সময় বাড়ানো হবে না। ইতোমধ্যে আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা যাচাই-বাছাই করে দেখবেন আবেদনকারী দলগুলো নিবন্ধন শর্ত পূরণ করেছে কিনা। প্রয়োজনে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে যাদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে, তাদের নাম কমিশনে সুপারিশ করা হবে। কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যারা নিবন্ধিত হবেন তারা সামনের সব নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সচিব বলেন, নিবন্ধিত ৪০ দল শর্ত পূরণ করছে কিনা তারও খোঁজ-খবর নেয়া হবে। যারা শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে। ইসি সূত্রে জানা গেছে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী দলগুলো হলো- ঐক্য ন্যাপ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, শরীফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, জোনায়েদ সাকীর গণসংহতি আন্দোলন, নাকফুল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ নিউ সংসদ লীগ, ঘুষ নির্মূল পার্টি, মঙ্গল পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ(বাকশাল), কর্মসংস্থান আন্দোলন, বাংলাদেশ সমাধান ঐক্য পার্টি(বসবাস), সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগ, সত্যব্রত আন্দোলন, সততা দল, জাতীয় পরিবার কল্যাণ পার্টি, শান্তির দল, জনতার কথা বলে, মৌলিক বাংলা, জনস্বার্থে বাংলাদেশ, সুশীল সামাজিক আন্দোলন, আলোকিত পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক গাজী, জালালী পার্টি, ইনসানিয়া বিপ্লব, ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি, ইসলামিক পার্টি, ফরায়েজি আন্দোলন, বাংলাদেশ রামকৃষ্ণ পার্টি, বাংলাদেশ হিন্দুলীগ, মাইনরিটি জনতা পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, জনতা পার্টি, রিপাবলিকান পার্টি, সমাজ উন্নয়ন পার্টি, জাতীয় লীগ, পরিবহন লেবার পার্টি, তৃণমূল ন্যাশনাল পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, মানবাধিকার আন্দোলন, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, গণশক্তি দল, বেঙ্গল জাতীয় কংগ্রেস(বিজেসি), কৃষক শ্রমিক পার্টি, লিবারেল পার্টি, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন, জাতীয় দল, নতুন ধারা বাংলাদেশ, সাধারণ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি(ডিপিএলডিপি), মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিজম ডেমোক্রেটিক পার্টি, গণ আজাদী লীগ, লেবার পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক পার্টি, তৃণমূল লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ আওয়ামী পার্টি(ভাসানী ন্যাপ)। কে/এসএস
নিবন্ধন চায় ৭৬টি দল
‘বিএনপি মিথ্যা কথা বলে আর উত্তর দিতে হয় আমাদের’
পদত্যাগ করা প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ থাকায় অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে বসতে চাননি বলে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এটা নিয়ে কথা বলছে বিএনপি। তারা প্রমাণ করুক আমরা তাকে জোর করে পদত্যাগ করিয়েছি। বিএনপি মিথ্যা কথা বলে আর উত্তর দিতে হয় আমাদের। বললেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।   রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলায় বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন উপলক্ষে পৌর এলাকায় তালতলা গ্রামে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কসবা পৌরসভা ও চারটি ইউনিয়নে দুই কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২ কিলোমিটার এলাকায় ১৩টি গ্রামে এ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয়। জনসভায় পদত্যাগ করা সাবেক প্রধান বিচার এস কে সিনহা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির কারণে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা পদত্যাগ করেছেন। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ থাকায় অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে বসতে চাননি। এসব কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। আইনমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন মর্যাদার আসনে বসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা দেন, তখন এর প্রতিবাদ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নের রেলে উঠে গেছে। তিনি বলেন, আগামী বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কেউ নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করলে শুধু ভোট নয়, আইনের মাধ্যমেও জবাব দেয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী দিনে আমরা আবার ক্ষমতায় আসব। কসবার পৌরসভা মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এম. জি হাক্কানি, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম, রুহল আমিন ভূইয়া, মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার জীবন। এসএস 
‘বিএনপি মিথ্যা কথা বলে আর উত্তর দিতে হয় আমাদের’
সরকার বাধ্য হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে: মওদুদ
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে, তেমনি আন্দোলনও চালিয়ে যেতে হবে। আন্দোলনের মুখে সরকার বাধ্য হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে। বাংলাদেশে আর কোনো দিন ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। রোববার বিকেল তিনটায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের নিজ বাসভবনে কবিরহাট উপজেলা ও পৌরসভার বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের এক কর্মীসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বাহার, কবিরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু, বিএনপির নেতা মো. শাহাব উদ্দিন, চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জিয়া, জাকির হোসেন সেলিম, আলতাফ হোসেন দুলাল। কে/এসএস
সরকার বাধ্য হবে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে: মওদুদ
তিন দিনের রিমান্ডে বিএনপি নেতা সাদাত
চার মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার তাকে নাশকতার মামলায় আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম। এসময় তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি রমনা থানায় দায়ের করা নাশকতার এক মামলায় সাদাত আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডিবি দক্ষিণের উপ-কমিশনার শহিদুল্লাহ হক জানিয়েছেন, গেলো শনিবার রাত ১০টার দিকে রামপুরা ব্রিজ এলাকায় তার সন্ধান পায় ডিবি পুলিশ। তার সঙ্গে ব্যাগ, ল্যাপটপ, চার্জার ও কিছু কাগজপত্র ছিল। এর আগে চলতি বছরের ২২ আগস্ট বিকেলে বনানী ওভারপাসের নিচে নিজ গাড়ি থেকে নামিয়ে সাদাতকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয় অপহরণকারীরা। গাড়িতে থাকা সাদাতের ছেলেকে অপহরণকারীরা জানায়, সাদাত ১৫ মিনিট পর ফিরে আসবেন। পরে তাকে না পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন তার স্ত্রী। সাদাত এবিএন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। কে/এসএস
তিন দিনের রিমান্ডে বিএনপি নেতা সাদাত
দেশবাসীকে খালেদার শুভেচ্ছা
ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশ ও বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, খৃস্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কামনা করি সকলের অব্যাহত সুখ, স্বাচ্ছন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। শুভ নববর্ষ। খৃস্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে রোববার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ন, নির্যাতন। বন্ধ হোক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সব ধরনের দমনমূলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অজস্র রক্তঋণে অর্জিত গণতন্ত্র অপহৃত হয়েছে। গণবিরোধী শক্তি জনগণের সকল অধিকারকে বন্দী করে রেখেছে। এমতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মিলিত সংগ্রামে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ১ জানুয়ারি প্রতিবছর নতুন বার্তা নিয়ে আমাদের দ্বারে উপস্থিত হয়। পুরনো বছরের ব্যর্থতা, গ্লানি, হতাশাকে ঝেড়ে ফেলে নবউদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায় নববর্ষ। পাশাপাশি অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণে তৎপর হতে পারলে নতুন বছরটি হয়ে উঠতে পারে সাফল্যময়। তিনি বলেন, গেল বছরটি এখন আমাদের মনে স্মৃতি হয়ে থাকবে। গত বছরের বেশকিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা, সজন হারানোর বেদনা এবং অধিকার হারানোর যন্ত্রণা আগামী বছরে আমাদের একদিকে যমন বেদনার্ত করবে আবার অন্যদিকে নুতন উদ্যোমে অধিকার ফিরে পেতে তাগিদ সৃষ্টি করবে। খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বময় সংঘাত আর অশান্তির ঘটনা প্রবাহে নতুন বছরটিকে গণতন্ত্র, শান্তি ও অগ্রগতির বছরে পরিণত করতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এসজে
দেশবাসীকে খালেদার শুভেচ্ছা
আরও পড়ুন
বরিশাল ও সিলেটে বিমান বাহিনী ঘাঁটি স্থাপন প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী
সিলেটে পাসের হার ৮৯.৪১
সিলেটে ও খুলনায় মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা
সবার আগে অর্থ পরিশোধ করলো সিলেট