ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাল আমজনতার দল 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আমজনতার দল।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) আমজনতার দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ ১৬ই ডিসেম্বর, আমজনতার দলের পক্ষ থেকে জাতির সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একই সঙ্গে আমরা দৃঢ়ভাবে উচ্চারণ করতে চাই—১৯৪৭-এর দেশভাগ, ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ—এই তিন ঐতিহাসিক অধ্যায় অস্বীকারকারী শক্তির জন্য বাংলাদেশি রাজনীতিতে কোনো নৈতিক, সাংবিধানিক কিংবা ঐতিহাসিক অধিকার থাকতে পারে না।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে উপমহাদেশ বিভক্ত হলেও পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য তখনই প্রকট হয়ে ওঠে। সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম সুসংগঠিত প্রতিবাদ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, যেখানে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় তরুণেরা রক্ত দিয়েছেন। আর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ। এই ধারাবাহিক ইতিহাস অস্বীকার করা মানে শহীদের রক্ত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সংবিধানের মূল ভিত্তিকে অস্বীকার করা।

দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম ও তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবির দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ঐতিহাসিক সত্যগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে। ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও দণ্ডিত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করা, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বক্তব্য ও কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকা এবং যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা—এসবই প্রমাণ করে যে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ১৯৭১ সালে রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে যে নৃশংসতা সংঘটিত হয়েছিল, তার আদর্শিক প্রেরণা আজও কিছু রাজনৈতিক শক্তির বক্তব্য ও কর্মসূচিতে প্রতিফলিত হয়।

বাংলাদেশের সংবিধান স্পষ্টভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সংবিধানের এই ভিত্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কোনো সংগঠন বা ব্যক্তির রাজনৈতিক বৈধতা থাকতে পারে না। যারা ৪৭–৫২–৭১ অস্বীকার করে, তারা কার্যত সংবিধান অস্বীকার করে। ফলে তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হওয়াই স্বাভাবিক।

আমজনতার দল মনে করে, রাজনীতি হবে জনগণের কল্যাণে, ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে। যারা ইতিহাস বিকৃতি করে, শহীদের আত্মত্যাগকে অবমূল্যায়ন করে এবং বিভাজনের রাজনীতি করে, তারা গণতন্ত্রের শত্রু। আমরা বিশ্বাস করি—মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে ইতিহাস অস্বীকারের লাইসেন্স নয়; গণতন্ত্র মানে যুদ্ধাপরাধের পৃষ্ঠপোষকতা নয়।

মহান বিজয় দিবসে দাঁড়িয়ে আমরা আহ্বান জানাই—রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস চর্চা জোরদার করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক পরিসরে ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। যুদ্ধাপরাধের বিচার ও রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো আপস নয়—এই নীতিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

আমজনতার দল আরও স্পষ্টভাবে জানাতে চায়, আমাদের বক্তব্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি বিদ্বেষ নয়; বরং এটি ইতিহাস, সংবিধান ও রাষ্ট্রের মৌলিক আদর্শ রক্ষার ঘোষণা। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে দ্ব্যর্থহীন অবস্থান অপরিহার্য। যারা এই প্রশ্নে আপস করে, তারা জাতির ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।

পরিশেষে, মহান বিজয় দিবসে আমরা অঙ্গীকার করছি—মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহতকরণ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ, সাংবিধানিক লড়াই অব্যাহত থাকবে। ৪৭–৫২–৭১ আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি; এই ভিত্তি অস্বীকারকারীদের জন্য বাংলাদেশি রাজনীতিতে কোনো অধিকার নেই—এই অবস্থানেই আমরা অবিচল।

আরটিভি/এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী  হলফনামায় দেখিয়েছেন তার হাতে বর্তমানে নগদ ২৫ লাখ টাকা আছে। পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলে তাদের ২২ লাখ টাকার গহনা আছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে মার্কেটিং কনসালটেন্ট উল্লেখ করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার নামে কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৩৩ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তার হাতে নগদ ২৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, ব্যাংকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৮ হাজার ২৭৫ টাকা জমা আছে, তবে স্ত্রীর নামে আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র আছে। বর্তমানে ৪০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনি ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করেননি। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলেও হলফনামা সূত্রে জানা গেছে। আরটিভি/কেএইচ
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ‘প্রিয় তারেক রহমান সাহেব’ সম্বোধন করে মোদি লিখেছেন, আপনার মা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকের সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। তার আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক—এই কামনা করি। ‘২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় ‘বেগম সাহেবার’ সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা কথা স্মরণ করছি। তিনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন দৃঢ় প্রত্যয়ী ও অটল বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্ব, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তেমনি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতেও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। মোদি আরও লিখেছেন, তার (খালেদা জিয়া) মৃত্যুতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তার আদর্শ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বের একটি নতুন সূচনা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি পথপ্রদর্শক আলো হিসেবে কাজ করবে। ‘জাতীয় শোকের এই মুহূর্তে আমার ভাবনাও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে আছে, যারা তাদের ইতিহাসে অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদা প্রদর্শন করেছেন। আমি নিশ্চিত, তারা তাদের যৌথ মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং গভীর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে এগিয়ে যাবে।’ চিঠির শেষে মোদি লিখেছেন, আবারও আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। এই কঠিন সময়ে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা যেন ধৈর্য ও শক্তি দান করেন—এই প্রার্থনা করি। আপনার ভবিষ্যৎ কাজের জন্যও আমার শুভকামনা রইল। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
বিএনপির অনুরোধের প্রেক্ষিতে নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
ডা. তাসনিম জারার পর এবার তার স্বামী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করার আগেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে তাকে নির্বাহী কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিকভাবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে, এদিন সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে নির্বাহী কমিটির গ্রুপ থেকে তাকে বের করে দেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ দল থেকে পদত্যাগ না করেই দল থেকে পদত্যাগ করা তার স্ত্রী তাসনিম জারার নির্বাচনে সহযোগিতা করেছেন। কোনো প্রকার অনুমতিও নেননি তিনি। আমরা আশঙ্কা করছি তিনি এখান থেকে তথ্যও পাচার করতে পারেন। সেজন্য আমরা দলের সদস্যসচিব বরাবর অভিযোগ দিলে তিনি গ্রুপ থেকে বের করেন। পরে তিনি রাতে পদত্যাগপত্র দেন। আহবায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে কোনো কারণ উল্লেখ না করেই খালেদ সাইফুল্লাহ লিখেন, আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি। এর আগে, গত শনিবার দল থেকে পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাসনিম জারা এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন, একই কমিটির সদস্য ছিলেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত দুজনই এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন। আরটিভি/এমএ
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ঢাকায় সফররত শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপাল বিরাক্কোডি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপিত
বিজয় দিবসে আজহারীর পোস্ট, দিলেন যে বার্তা
আজ মহান বিজয় দিবস
বিজয় দিবসের প্রাক্কালে কলকাতায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা