ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসলামী আন্দোলনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কে কোন আসনে লড়বেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫৯ আসনের জন্য চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্যাডে প্রার্থীদের নাম ও আসনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

কে কোন আসনে লড়বেন
পঞ্চগড়-২ মো. কামরুল হাসান প্রধান, ঠাকুরগাঁও-১ মো. খাদেমুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ মো. রেজাউল করীম, ঠাকুরগাঁও-৩ মো. আল আমিন, দিনাজপুর-১ অ্যাডভোকেট মো. চাঁন মিঞা, দিনাজপুর-২ হা. মাও. মুহা. রেদওয়ানুল করীম রাবিদ, দিনাজপুর-৩ অধ্যক্ষ মুফতি মুহা. খাইরুজ্জামান, দিনাজপুর-৪ মাওলানা আনোয়ার হোসেন নদভী, দিনাজপুর-৬ ডা. নূরে আলম সিদ্দিকী, নীলফামারী-১ মুহামাদ আব্দুল জলিল, নীলফামারী-২ অ্যাডভোকেট হা. মাও. হাছিবুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ মো. আমজাদ হোসেন সরকার, নীলফামারী-৪ মো. শহিদুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ মুফতি মুহা. ফজলুল করীম শাহারিয়া, লালমনিরহাট-২ মুফতি মো. মাহফুজুর রহমান, লালমনিরহাট-৩ আমিনুল ইসলাম, রংপুর-১ এ টি এম গোলাম মোস্তফা।

রংপুর-২ মাওলানা মো. আশরাফ আলী, রংপুর-৩ মো. আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-৪ মুহাম্মদ জাহিদ হোসেন, রংপুর-৫ অধ্যক্ষ মো. গোলজার হোসেন, রংপুর-৬ মাওলানা সুলতান মাহমুদ, কুড়িগ্রাম-১ মুহাম্মদ হারিসুল বারী, কুড়িগ্রাম-২ মুহামম্মদ নুর বখত, কুড়িগ্রাম-৩ ডা. আক্কাছ আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, গাইবান্ধা-১ মুহাম্মদ রমজান আলী, গাইবান্ধা-২ প্রভাষক মুহা. আব্দুল মাজেদ, গাইবান্ধা-৩ এ টি এম আওলাদ হোসেন, গাইবান্ধা-৪ সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, গাইবান্ধা-৫ অ্যাডভোকেট মো. আজিজুল ইসলাম, বগুড়া-১ এ বি এ মোস্তফা কামাল পাশা, বগুড়া-২ অ্যাডভোকেট মো. জামাল উদ্দিন, বগুড়া-৩ মুহা. শাহজাহান আলী তালুকদার, বগুড়া-৪ মাওলানা মুহা. ইদ্রিস আলী, বগুড়া-৫ মীর মুহা. মাহমুদুর রহমান (চুন্নু), বগুড়া-৬ আ ন ম মামুনুর রশিদ, বগুড়া-৭ প্রভাষক মুহা. শফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো. মনিরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ডা. মো. ইব্রাহীম খলীল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, নওগাঁ-১ মাওলানা আব্দুল হক শাহ, নওগাঁ-৩ মুফতি নাসির বিন আছগর, নওগাঁ-৪ মাওলানা সোহরাব হোসেন, নওগাঁ-৫ মাওলানা আব্দুর রহমান।

নওগাঁ-৬ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী-২ মো. ফজলুল করীম, রাজশাহী-৩ মো. ফজলুর রহমান, রাজশাহী-৪ মো. তাজুল ইসলাম খান, রাজশাহী-৫ হা. মাওলানা মুহা. রুহুল আমীন, রাজশাহী-৬ মো. সুরুজ মোল্লা, নাটোর-১ প্রভাষক ড. মো. আব্দুল্লাহিল বাকী, নাটোর-২ মাওলানা মোহাম্মদ আলী, নাটোর-৩ মাওলানা খলিলুর রহমান, নাটোর-৪ মাওলানা এমদাদুল্লাহ, সিরাজগঞ্জ-২ মুফতি মুহিব্বুল্লাহ, সিরাজগঞ্জ-৪ মুফতি আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ শেখ মুহাম্মাদ নুরুন নাবী, সিরাজগঞ্জ-৬ মিসবাহ উদ্দিন, পাবনা-১ মাওলানা আব্দুল গণি, পাবনা-২ মাওলানা আফজাল কাসেমী, পাবনা-৩ মো. আব্দুল খালেক, পাবনা-৪ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন, পাবনা-৫ মুফতি নাজমুল, কুষ্টিয়া-১ মুফতি আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া-২ অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আলী, কুষ্টিয়া-৩ মুহা. আব্দুল্লাহ আকন, কুষ্টিয়া-৪ আনোয়ার খাঁন, চুয়াডাঙ্গা-১ মাওলানা জহুরুল ইসলাম আজিজী।

নড়াইল-২ মাওলানা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ অ্যাড. শেখ আতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ অধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান, বাগেরহাট-৪ মাওলানা ওমর ফারুক নূরী, খুলনা-১ মাওলানা আবু সাঈদ, খুলনা-২ মুফতি আমানুল্লাহ, খুলনা-৩ মাওলানা আব্দুল আউয়াল, খুলনা-৪ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহম্মেদ শেখ, খুলনা-৬ হাফেজ মুহাম্মদ আছাদুল্লাহ আল-গালিব, সাতক্ষীরা-১ মাওলানা রেজাউল করীম, সাতক্ষীরা-২ মুফতি রবীউল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৩ কাজী মো. ওয়েজ কুরনী, সাতক্ষীরা-৪ মোস্তফা আল মামুন মনির, বরগুনা-১ মাওলানা মাহমুদুল হাসান উলীউল্লাহ, বরগুনা-২ মুফতি মিজানুর রহমান, পটুয়াখালী-১ মো. ফিরোজ আলম, পটুয়াখালী-২ মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী, পটুয়াখালী-৩ মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী, পটুয়াখালী-৪ ডা. অধ্যাপক মোস্তফিজুর রহমান, ভোলা-১ মাওলানা ওবায়দুর রহমান বিন মোস্তফা, ভোলা-৩ মাওলানা মোসলেহ উদ্দিন।

চুয়াডাঙ্গা-২ মো. হাসানুজ্জামান সজিব, ঝিনাইদহ-২ এইচ এম মোমতাজুল করীম, ঝিনাইদহ-৩ মাওলানা সরোয়ার হোসেন, ঝিনাইদহ-৪ মুফতি আহমদ আব্দুল জলিল, যশোর-১ মাওলানা মো. বক্তিয়ার রহমান, যশোর-২ মাস্টার ইদ্রিস আলী, যশোর-৩ মাওলানা শোয়াইব হোসেন, যশোর-৪ অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসেন, যশোর-৫ মাল্টার জয়নাল আবেদিন, যশোর-৬ গাজী শহিদুল ইসলাম, মাগুরা-১ মাওলানা নাজিরুল ইসলাম, মাগুরা-২ মুফতি মোস্তফা কামাল, নড়াইল-১ মাওলানা আব্দুল আজিজ।

ভোলা-৪ আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দিন, বরিশাল-১ মো. রাসেল সরদার (মেহেদী), বরিশাল-২ মাওলানা মুহা. নেছার উদ্দিন, বরিশাল-৩ মাওলানা মুহা. সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল-৪ সৈয়দ এসহাক মো. আবুল খায়ের, বরিশাল-৫ সৈয়দ মুহামম্মদ ফয়জুল করীম, বরিশাল-৬ সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, ঝালকাঠি-১ মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী, ঝালকাঠি-২ ডা. সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, পিরোজপুর-২ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, পিরোজপুর-৩ ডা. মো. রুস্তম আলী ফরাজী, টাঙ্গাইল-১ ডা. হারুন অর রশীদ, টাঙ্গাইল-২ মো. মনোয়ার হোসেন সাগর, টাঙ্গাইল-৩ মাওলানা রেজাউল করীম, টাঙ্গাইল-৪ আলী আমজাদ হোসেন, টাঙ্গাইল-৫ খন্দকার জাকির হোসাইন সবুজ, টাঙ্গাইল-৬ মুহা. আখিনুর মিয়া, টাঙ্গাইল-৭ এ. টি. এম রেজাউল করীম আল রাজী, জামালপুর-১ আব্দুর রউফ তালুকদার, জামালপুর-২ মাওলানা সুলতান মাহমুদ সিরাজী, জামালপুর-৩ ইঞ্জিনিয়ার মোহামাদ দৌলতুজ্জামান আনছারী, জামালপুর-৪ হা. মাও. মো. আলী আকবর সিদ্দিকী, জামালপুর-৫ ডা. সৈয়দ ইউনুছ আহমাদ, শেরপুর-২ মাও. আ. আল কায়েস, শেরপুর-৩ মাওলানা আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন, ময়মনসিংহ-১ হা. মাও. অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, ময়মনসিংহ-২ মুফতি গোলাম মাওলা ভূইয়া, ময়মনসিংহ-৩ মো. শরিফুল ইসলাম।

ঢাকা-১৪ মাওলানা নুরুল ইসলাম, ঢাকা-২ হাফেজ মাও. মুফতি জহিরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ সুলতান আহমদ খাঁন, ঢাকা-৪ মাও. সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আন মাদানী, ঢাকা-৫ মো. ইবরাহীম খলিল, ঢাকা-৭ আব্দুর রহমান, ঢাকা-৮ মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, ঢাকা-৯ শাহ ইফতেখার আহসান তারিক, ঢাকা-১০ আব্দুল আউয়াল মজুমদার, ঢাকা-১১ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ঢাকা-১২ মাওলানা মাহমুদুল হাসান মোমতাজী, ঢাকা-১৪ আবু ইউসুফ, ঢাকা-১৬ প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, ঢাকা-১৭ মুফতি মোহাম্মদ উল্লাহ আনসারী, ঢাকা-১৮ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা-১৯ মুহামম্মদ ফারুক খান।

ময়মনসিংহ-৪ ডা. নাছির উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৫ মুফতি সিরাজুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৬ মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী, ময়মনসিংহ-৭ মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, ময়মনসিংহ-৮ শাহ নূরুল কবির, ময়মনসিংহ-৯ মুফতি সাইদুর রহমান, ময়মনসিংহ-১০ কারী মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী, ময়মনসিংহ-১১ মুফতি মোস্তফা কামাল কাসেমী, নেত্রকোনা-১ মুহামাদ আব্দুল মান্নান, নেত্রকোনা-২ মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, নেত্রকোনা-৩ মো. জাকির হোসেন সুলতান, নেত্রকোনা-৪ মাওলানা মোখলেছুর রহমান, নেত্রকোনা-৫ মুফতি নুরুল ইসলাম হাকিমী, কিশোরগঞ্জ-২ মুফতি আবুল বাশার রেজওয়ান, কিশোরগঞ্জ-৩ মো. আলমগীর হোসাইন, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট বিল্লাল আহমদ মজুমদার, কিশোরগঞ্জ-৫ মো. দেলাওয়ার হোসাইন, কিশোরগঞ্জ-৬ মুহামাদ মুসা খান, মানিকগঞ্জ-১ খোরশেদ আলম, মানিকগঞ্জ-২ মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ-৩ মাওলানা সামসুদ্দীন, মুন্সীগঞ্জ-১ কে এম আতিকুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ-২ কে এম বিল্লাল হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-৩ মাওলানা মাহমুদুর হাসান সুমন দেওয়ান।

গাজীপুর-১ জি. এম. রুহুল আমীন, গাজীপুর-২ এম. এ. হানিফ সরকার, গাজীপুর-৩ মাওলানা আলমগীর হোসাইন, গাজীপুর-৪ মাওলানা কাজিম উদ্দিন, গাজীপুর-৫ মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, নরসিংদী-১ আশরাফ হোসেন ভূঁইয়া, নরসিংদী-৩ মো. ওয়ায়েজ হোসেন ভূঁইয়া, নরসিংদী-৪ ছাইফুল্লাহ, নরসিংদী-৫ বদরুজ্জামান উজ্জল, নারায়ণগঞ্জ-১ মো. ইমদাদুল্লাহ হাশেমী, নারায়ণগঞ্জ-২ মুফতি হাবিবুল্লাহ (হাবিব), নারায়ণগঞ্জ-৩ গোলাম মসিহ।

নারায়ণগঞ্জ-৪ মাওলানা ইসমাইল সিরাজী, নারায়ণগঞ্জ-৫ মাওলানা মো. মাসুম বিল্লাহ, রাজবাড়ী-২ মাওলানা আব্দুল মালেক, ফরিদপুর-২ মাওলানা শাহ মুহা. জামাল উদ্দিন, ফরিদপুর-৩ অ্যাডভোকেট খান মো. সরওয়ার, ফরিদপুর-৪ মাওলানা মো. ইসহাক চোকদার, গোপালগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, গোপালগঞ্জ-২ মাওলানা তাসলিম হোসেন, গোপালগঞ্জ-৩ ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ মারুফ শেখ, মাদারীপুর-১ মাওলানা আকরাম হোসাইন, মাদারীপুর-২ মাওলানা আলী আহমদ চৌধুরী, মাদারীপুর-৩ মাওলানা এস এম আজিজুল হক।

শরীয়তপুর-১ মুফতি তোফায়েল আহমদ কাসেমী, শরীয়তপুর-২ মুফতি ইমরান হোসেন, শরীয়তপুর-৩ অ্যাডভোকেট হানিফ মিয়া, সুনামগঞ্জ-৪ মুফতি শহিদুল ইসলাম পলাশী, সিলেট-১ হাফেজ মাও. মাহমুদুল হাসান, সিলেট-২ মাওলানা আমির উদ্দিন, সিলেট-৩ মাওলানা রেজওয়ানুল হক চৌধুরী রাজু, সিলেট-৪ মুফতি সাঈদ আহমদ, মৌলভীবাজার-১ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, হবিগঞ্জ-৩ মহিব উদ্দিন আহমদ সোহেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ মাওলানা হোসাইন আহমদ আজাদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মাওলানা নেছার আহমদ নাছিরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মাওলানা নিয়াজুল করীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুফতি জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নজরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ সাইদ উদ্দিন খাঁন জাবেদ, কুমিল্লা-১ মাওলানা বশির আহমেদ, কুমিল্লা-২ প্রকৌশলী মুহা. আশরাফুল আলম, কুমিল্লা-৩ মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কুমিল্লা-৪ আব্দুল করীম, কুমিল্লা-৫ মাও. রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরী, কুমিল্লা-৬ অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ, কুমিল্লা-৭ মুফতি এহতেশামুল হক কাসেমী, কুমিল্লা-৮ মো. গোলাম ছাদেক প্রকাশ, কুমিল্লা-৯ সেলিম মাহমুদ, কুমিল্লা-১০ মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, কুমিল্লা-১১ মাওলানা মহিউদ্দিন শহীদ পাটওয়ারী, চাঁদপুর-২ মানসুর আহমদ সাকী, চাঁদপুর-৩ মুহা. জয়নাল আবেদীন শেখ, চাঁদপুর-৪ মাওলানা মো. মকবুল হোসাইন, চাঁদপুর-৫ মোহামাদ আলী পাটোয়ারী।

আরও পড়ুন



ফেনী-১ মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, ফেনী-২ মুহামাদ একরামুল হক ভুইয়া, ফেনী-৩ মো. সাইফ উদ্দিন (শিপন), নোয়াখালী-২ মাওলানা খলিলুর রহমান, নোয়াখালী-৩ মাওলানা নুরুদ্দিন আমানত পুরী, নোয়াখালী-৪ মো. ফিরোজ আলম মাসুদ, নোয়াখালী-৫ মাওলানা আবু নাছের, নোয়াখালী-৬ মাওলানা নুরুল ইসলাম শরিফ, লক্ষ্মীপুর-১ মো. জাকির হোসেন পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর-২ মাওলানা হেলাল উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর-৩ ক্যাপ্টেন অব. মুহা. ইব্রাহীম, লক্ষ্মীপুর-৪ মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, চট্টগ্রাম-১ অ্যাড. ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ মোহামম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান, চট্টগ্রাম-৩ প্রভাষক আমজাদ হোসেন, চট্টগ্রাম-৪ মো. দিদারুল মাওলা, চট্টগ্রাম-৫ মুফতি মতিউল্লাহ নূরী, চট্টগ্রাম-৭ অ্যাড. আব্দুল্লাহ আল হারুন, চট্টগ্রাম-৮ মুহামম্মদ নুরুল আলম, চট্টগ্রাম-৯ অ্যাড. আব্দুস শুক্কর (মাহমুদ), চট্টগ্রাম-১০ জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১১ মুহাম্মদ নুর উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১২ এস. এম. বেলাল নুর আজিজী, চট্টগ্রাম-১৪ মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, চট্টগ্রাম-১৫ শরীফুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ হাফেজ রুহুল্লাহ, কক্সবাজার-১ মাওলানা ছরওয়ার আলম কুতুবী, কক্সবাজার-২ মাওলানা জিয়াউল হক, কক্সবাজার-৩ মাওলানা আমিরুল ইসলাম মীর, কক্সবাজার-৪ হাফেজ নুরুল হক, খাগড়াছড়ি মাওলানা কাউসার আজিজী, রাঙ্গামাটি জসীম উদ্দিন, বান্দরবান মাও. আবুল কালাম আজাদ।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেছেন।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে আয়োজিত এ সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা, বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।  মতবিনিময় সভা শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের বিষয়বস্তু তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার প্রিয় জন্মভূমি। এদেশে আমরা কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নই। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এ দেশের গর্বিত নাগরিক। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার পবত্রি দায়িত্ব। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও বিরোধীদলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।  জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পূজামণ্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা যে সহযোগিতা ও ভূমিকা রেখেছেন, তা হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রশংসা করেছেন। তাদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অসুবিধার কথা সভায় তুলে ধরা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দল সম্মিলিতভাবে কাজ করবে বলে বিরোধীদলীয় নেতা তাদের আশ্বস্ত করেছেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও মতবিনিময় অব্যাহত থাকবে এবং তাদের পাশে থেকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা হবে।  হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি এডভোকেট দীনুবন্ধু রায়, মহাসচিব এড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রেসিডিয়াম সদস্য নারায়ণ চন্দ্র সরকার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পার্থ সারথী ঘোষ এবং যুগ্ম মহাসচিব অমল চৌধুরী সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উপদাপন পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মাসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অর্পনা রায় ও সাধারণ সম্পাদক মিন্টন বৈদ্যসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধনসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের সভাপতি সত্যরঞ্জন বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারীসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের (প্রভাষ-পলাশ) সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায় ও নির্বাহী মহাসচিব পলাশ কান্তি দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ ঋষি পঞ্চায়েত ফোরামের সভাপতি রামানন্দ দাস ও সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার দাস সহ অন্যান্যা প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সভাপতি আশিষ রঞ্জন দাস ও সাধারণ সম্পাদক এড. সুমন কুমার রায়সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস ফোরামের সভাপতি চাঁদমোহন রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণসহ অন্যান্য প্রতিনধিগণ, ভোলানন্দগিরি আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি দিলীপ রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক ফুল চাঁদ রবিদাসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি মি. জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ও সাধারণ সম্পাদক মি. সঞ্জিব দ্রং সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণলাল ও সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।  এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সভায় অংশ নেন। মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও সব নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও বঞ্চনার বিষয় তুলে ধরে এসব সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষ পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আরটিভি/এসএস
‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’
ভারতে জেন-জি আন্দোলনের পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশ: নেহা বোরা
নেহা বোরা বলেন, আশা করি, আপনারা ও আমরা মিলে একটি ভালো দক্ষিণ এশিয়া গড়তে পারবো।
ভারতে জেন-জি আন্দোলনের পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশ: নেহা বোরা
সরকারকে চাপে ফেলতে দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী
বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করতে এবং এর উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করতে দেশ-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সরকারকে চাপে ফেলতে দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী
কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না: আমানউল্লাহ আমান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, অতীতে যেভাবে কোনো স্বৈরাচার এ দেশে টিকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না।
কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না: আমানউল্লাহ আমান
আরও পড়ুন
১৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবে না ইসলামী আন্দোলন
৫ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দিলো ইসলামী আন্দোলন
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ইসলামী আন্দোলনের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা