ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এম মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে তাকে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার ‘এইচ এম ভিলা’ নামের একটি বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় যান। তার আগমনকে ঘিরে এলাকার বাসিন্দা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবরটি আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদল, জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও ছাত্রজনতা বাসার সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

তারা জানতে চান, কী উদ্দেশ্যে তিনি ওই বাসায় এসেছেন এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল কি না। তারা জানতে চান, কেন তিনি স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করতে এসেছেন, পরীক্ষিত দোসরের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্য কী, এবং আওয়ামী লীগের একজন নেতার বাসায় তার উপস্থিতির কারণ কী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার সামনে জড়ো হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ উচ্চস্বরে স্লোগান দেন এবং হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে নানা প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে হাসনাত আবদুল্লাহ বাইরে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে দ্রুত গাড়িতে করে স্থান ত্যাগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারী সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় সাংবাদিকদের বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ মূলত ব্যক্তিগত কাজে চট্টগ্রামে এসেছিলেন। এ সময় সাবেক মেয়র মনজুর আলমের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুন

এদিকে রাত ৮টায় এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বৈঠকে তারা দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বৈঠকে উভয় নেতাই আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

জানা গেছে, এম মনজুর আলমের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় আওয়ামী লীগের মাধ্যমে। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন এবং টানা চারবার চসিকের ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তৎকালীন মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার হলে তিনি প্রায় দুই বছর ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

২০১০ সালের চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন মনজুর আলম। ওই নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তিনি মহিউদ্দিন চৌধুরীকে প্রায় এক লাখ ভোটে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন

তবে ২০১৫ সালের চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনের দিনই কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন এবং রাজনীতি থেকে স্থায়ী অবসরের ঘোষণা দেন। যদিও পরবর্তীতে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় দেখা যায়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেছিলেন।

সবশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর কখনো বিএনপির আবার কখনো এনসিপির রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন মনজুর আলম।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
দ্বিতীয় দফায় মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।  গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল। তিনি জানান, মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তারও আগে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। গত ১১ মার্চ ইফতারের সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার মস্তিষ্কে রক্তঃক্ষরণ হয়েছে। পরে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দেড় মাস চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরটিভি/টিআর
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার অসহায় নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না। যেখানেই ফ্যাসিস্টদের ছায়া দেখা যাবে, সেখানেই প্রশাসনকে অবহিত করে তাদের ধরিয়ে দিতে হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক ডাকসু নেতা আমানউল্লাহ আমান বলেন, যেখানে ফ্যাসিস্টের ছায়া দেখবেন, প্রশাসনকে বলে তাদের ধরিয়ে দেবেন। কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে দেওয়া যাবে না। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা প্রত্যেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাবেন। জনগণের সঙ্গে সর্বদা নিবেদিত থাকবেন। জনগণকে রাস্তায় দেখলে সালাম দেবেন, সম্মান করবেন। সমাজকে সম্মান করলে সম্মান পাবেন। ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে এবং থাকবে, সরকার তা নিশ্চিত করবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন আমরা ঘটাব। আমরা সবাই হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমান অধিকার ভোগ করব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। আরটিভি/এসআর  
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন।   বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে। দাফন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় তার ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন সবার কাছে বাবার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেন। এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এরপর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ঢাকা মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে দলের নেতাকর্মীরা সাবেক এই সংসদ সদস্যের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিজ এলাকা রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদে। সেখানে বিকেল ৩টায় তার তৃতীয় ও শেষ জানাজা হয়। উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সালাহউদ্দিন আহমেদ রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা শোক প্রকাশ করেন।  আরটিভি/এসআর  
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
‘জুলাই গণহত্যার বিচারের ভয়েই প্রবাসে বসে উসকানি-সন্ত্রাস চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ’
ইটভাটায় চাঁদার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫
পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই জ্বালানি উন্নয়নে এডিবির ঋণ সহায়তা