ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

এক নজরে মির্জা ফখরুলের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
সদ্য সাবেক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর এজন্য ইতোমধ্যে দলীয় সব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ায় দলের মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আজই (বৃহস্পতিবার) নির্বাচন কমিশনে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে।

এদিকে, জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুলই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন, এটা অনেকটাই পরিষ্কার। আর তিনি রাষ্ট্রপতি হলে দল ও সরকারে ফাঁকা হয়ে যাবে তিনটি পদ।

ঠাকুরগাঁওয়ের শান্ত জনপদ থেকে উঠে এসে বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির উত্তাল স্রোতে নিজেকে একজন ধৈর্যশীল, সংযত ও সংগ্রামী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রজীবনেই যুক্ত হন রাজনীতির সঙ্গে। ষাটের দশকে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার রাজনৈতিক পথচলা।

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ—বাঙালির ইতিহাসের দুই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উত্তাল সময় প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। সেই সময়ের রাজনৈতিক চেতনা, বৈষম্যের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাই পরবর্তী সময়ে তার রাজনৈতিক দর্শনের ভিত গড়ে দেয়।

আরও পড়ুন

শিক্ষাজীবন শেষে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে ঢাকা কলেজে শুরু হয় তার কর্মজীবন। কিন্তু, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাকে বেশিদিন পেশাগত জীবনের গণ্ডিতে আটকে রাখতে পারেনি।

১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। জনসম্পৃক্ত রাজনীতিতে ফিরে এসে ১৯৮৮ সালে নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং নিজের ব্যক্তিত্ব—দুইয়ের সমন্বয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি তৈরি করেন শক্ত অবস্থান।

এরপর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে তিনি সরাসরি যোগ দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপিতে। শুরু হয় তার জাতীয় রাজনীতির নতুন অধ্যায়। ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয় তাকে।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সেই সরকারের সময়ে কৃষি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি; পরে দায়িত্ব পান বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে।

সরকারে থাকাকালীন তার পরিচয় ছিল নীতি নির্ধারণে মনোযোগী একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে। কিন্তু, তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায় এসে উপস্থিত হয় ওয়ান ইলেভেনের সময়ে। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি হয়ে ওঠে আরও কঠিন।

২০০৯ সালের পর শুরু হয় মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন এবং দীর্ঘ সংগ্রামের সময়। বিএনপির কাউন্সিলে তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি। এরপর একদিকে তৎকালীন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রবাস জীবন, অন্যদিকে দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস—দুই কঠিন বাস্তবতার মাঝখানে রাজপথে বিএনপির নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন মির্জা ফখরুল।

রাজপথের আন্দোলন, রাজনৈতিক কর্মসূচি, গ্রেপ্তার, মামলা—একটির পর একটি প্রতিকূলতা এসেছে তার সামনে। কখনো কারাগারে, কখনো আদালতের বারান্দায়, কখনো রাজপথে—দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন তিনি।

প্রতিদানস্বরূপ ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ মার্চ বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল। এর আগে ৫ বছর পালন করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব। দীর্ঘ এ পথচলায় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার কঠিন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বিএনপির সাংগঠনিক সংকট, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা কিংবা রাজপথের কঠিন মুহূর্ত—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাকে দেখা গেছে দলের নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে।

রাজনীতির রুক্ষ বাস্তবতার বাইরেও মির্জা ফখরুল একজন সংবেদনশীল মানুষ। অর্থনীতি ও সাহিত্যের প্রতি তার গভীর অনুরাগ রয়েছে। তার ব্যক্তিত্বে যেমন রয়েছে রাজনৈতিক দৃঢ়তা, তেমনি রয়েছে মানবিকতার কোমল স্পর্শ। আর এ কারণেই রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের অনেকের কাছেও তিনি পেয়েছেন ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও সম্মান।

ঠাকুরগাঁওয়ের একজন শিক্ষক থেকে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান নেতৃত্ব—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই যাত্রা তাই কেবল একটি রাজনৈতিক জীবনের গল্প নয়। এটি এক ধৈর্যের গল্প; ত্যাগের গল্প। তার এই যাত্রা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সোজা দাঁড়িয়ে থাকার গল্প; দীর্ঘ রাজনৈতিক পরীক্ষার মধ্যেও আস্থা ধরে রাখার গল্প।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দিয়ে পালিয়ে যাবে’
সরকারকে উদ্দেশ্য করে  বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, ওই সাপই একদিন ছোবল দিবে। ছোবল দিয়ে সাপ কিন্তু পালিয়ে যাবে। কিন্তু পড়ে থাকবে আপনাদের লাশ।
‘সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দিয়ে পালিয়ে যাবে’
পোশাক শ্রমিক আন্দোলন, নাশকতা ঠেকাতে মাঠে যুবদল
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে রাজধানীর মিরপুরে বেশ কয়েকটি নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে যুবদলের নেতাকর্মীরা।  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার (০২ নভেম্বর) রাস্তায় যুবদলের অবস্থান দেখা যায়। মঙ্গলবারও (০৩ নভেম্বর) সেই অবস্থানেই আছেন তারা।    মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ১০ নম্বর গোলচত্বরে অভিমুখে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে মিছিল করেন যুবদল নেতাকর্মীরা। এ সময় সরকারের পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। পরে মিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেন তারা।    ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আইয়ুব আলী বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে আগের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই আন্দোলন শুরু হলো! একইসঙ্গে শুরু হলো ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ। এ ঘটনাগুলো কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের হতে পারে না।  তিনি বলেন, শ্রমিকদের দাবি ছিল মজুরি বোর্ড গঠন করা। সেই দাবি মেনে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। দ্রুতই তাদের নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা হবে। কিন্তু সব দাবি মেনে নেওয়ার পরও এখনও কেন অবরোধ-সহিংসতা হচ্ছে?  ‘এখনও কেন জনমনে আতংক সৃষ্টি এবং দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে? এটা স্পষ্ট যে, এখন যারা আন্দোলন করছে, তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে। শ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রমিকদের ছদ্মবেশে সহিংস কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।’ যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য শাহিনুজ্জামান মিন্টু বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা নাশকতা আমরা সমর্থন করি না। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছি। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল হক হিমেল, মনিরুল ইসলাম মনির, জুলহাজ আহমেদ, সাবেক সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, কামরুল ইসলামসহ যুবদলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
পোশাক শ্রমিক আন্দোলন, নাশকতা ঠেকাতে মাঠে যুবদল
কারাগারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতার মৃত্যু
নওগাঁ জেলা কারা হেফাজতে থাকা অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন নবাব (৫৮)। 
কারাগারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতার মৃত্যু
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পিছনে পাশের দেশ জড়িত: আবু হানিফ 
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পেছনে পাশের দেশ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পিছনে পাশের দেশ জড়িত: আবু হানিফ 
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন, শিল্পকারখানা রক্ষা এবং মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি সুনির্দিষ্টভাবে আহ্বান জানাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনসিপি সমর্থিত সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তি ।  এতে উপস্থিত থাকবেন এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদিব। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির। জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বেতন বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে টানা তৃতীয় দিনের মতো সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মিরপুর-১১ ও ১২ নম্বর সেকশনের মধ্যবর্তী এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এদিকে আন্দোলনের মধ্যে নাশকতা ও ভাঙচুর ঠেকানোর কথা বলে মিরপুর-১১ এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। আরটিভি/এসআর
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির
চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশকে এগিয়ে নিতে যুবসমাজের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি