ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

রিজভীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি-পেজ, থানায় জিডি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে পরিচালিত একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে রিজভীর নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য, মন্তব্য, ছবি ও ভিডিও প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী মশিউর রহমান রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় এ জিডি করেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানান তিনি।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ নিজে কোনো ফেসবুক আইডি, প্রোফাইল বা পেজ পরিচালনা করেন না। ফলে তার নামে পরিচালিত কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও কিংবা রাজনৈতিক বক্তব্যকে তার ব্যক্তিগত বা অনুমোদিত বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

জিডিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি রিজভীর নাম, ছবি, পরিচয় ও রাজনৈতিক পদবী ব্যবহার করে কয়েকটি ফেসবুক আইডি, প্রোফাইল ও পেজ পরিচালনার বিষয়টি নজরে এসেছে। এর মধ্যে একটি অ্যাকাউন্টে ব্লু ভেরিফিকেশন বা ব্লু মার্কও দেখা যাচ্ছে।

এ কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ওই অ্যাকাউন্টটি রিজভীর প্রকৃত ও অনুমোদিত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বলে ভুল ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে রিজভীর নামে বিভিন্ন বক্তব্য, রাজনৈতিক মতামত, ছবি, ভিডিও, সংবাদ ও অন্যান্য কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

জিডিতে আরও বলা হয়েছে, রিজভীর পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া বক্তব্য বা রাজনৈতিক প্রচারণা চালানো হলে তার ব্যক্তিগত সুনাম ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি এবং ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে রিজভীর নাম ও পরিচয়ের অপব্যবহার হিসেবে উল্লেখ করে জিডিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের অনুরোধ করা হয়েছে।

জিডির তথ্য অনুযায়ী, রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও প্রোফাইল পরিচালনার বিষয়টি নতুন নয়। এর আগেও তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। এ ঘটনায় পল্টন থানায় একাধিকবার সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও গুরুতর অপপ্রচার, প্রতারণা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, মানহানিকর বক্তব্য বা রাজনৈতিক উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

জিডিতে পুলিশকে ভুয়া আইডি ও পেজগুলো তদন্তের আওতায় আনার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের URL, প্রোফাইল বা পেজ আইডি, ইউজারনেম, ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাসসহ পোস্ট, ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণের আবেদন জানানো হয়েছে।

এছাড়া প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে এসব অ্যাকাউন্টের প্রকৃত পরিচালনাকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রয়োজনে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ এবং ভুয়া আইডি ও পেজ বন্ধ বা অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জিডিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রিজভীর নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা, অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল উল্লেখ করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন জিডির আবেদনকারী।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সংবাদপত্র ছেঁড়ার যে ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।  তিনি বলেন, পত্রিকাটির বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান তৈরির অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতেই তিনি সংবাদপত্র ছিঁড়েছেন। শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে তিনি এক হয়েছেন, এমন দাবি অসত্য বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিনগত রাতে নিজের নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। আরটিভির পাঠকদের সুবিধার জন্য পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো: আমি একটি মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। হাসিনাপুত্রের সাথে আমি এক হয়েছি মর্মে আমার দেশ পত্রিকা যে মিথ্যাচার করেছে, আমি সেই অসত্যকে ছিঁড়ে ফেলেছি। আমি শেখ হাসিনাকে কটুক্তির মামলায় জেল খেটেছি। আমার কোন বক্তব্য অপছন্দ হলে, সেটিকে রাজনৈতিক ভাষায় সমালোচনা করতে পারে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। সেই সমালোচনাকে আমি অবশ্যই সাধুবাদ জানাব। কিন্তু আমার দেশ যদি একটি পত্রিকা হয়ে থাকে আমাকে ‘নব্য বিএনপি বলতে পারে না’। এই অধিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেই। তিনি আমাকে বলতে পারেন না যে, আমি শেখ হাসিনার পুত্রের সাথে এক হয়েছি। অর্থাৎ আমি যেহেতু জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠকের তথ্য সামনে এনেছি। সেহেতু পাল্টা ন্যারেটিভ হিসেবে আমার দেশ পত্রিকা সামনে এনেছে, আমি হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাথে এক হয়েছি! এই অভিযোগ যদি জামায়াত কিংবা জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার করতেন, আমি রাজনৈতিক ভাষায় জবাব দিতাম। যেহেতু জামায়াত আমার দেশ পত্রিকার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ন্যারেটিভ দাঁড় করাতে অপচেষ্টা করেছে। আমি একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছি, মিথ্যা ও অপবাদকে ছিঁড়ে ফেলেছি। আমার দেশ কোনো পত্রিকা না, আমি কোনো পত্রিকা ছেঁড়ার মতো ভুল করতে পারি না। এটা জামায়াতের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর একটি হাতিয়ার। এই হাতিয়ার ব্যবহার করে কারও চরিত্র হনন করার কোনো সুযোগ নেই। পত্রিকা হতে হলে সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলা উচিত। আমার দেশ সেটির কোনোকিছু অনুসরণ করে না। আরটিভি/এসআর
সংবাদপত্র ছেঁড়ার যে ব্যাখ্যা দিলেন রাশেদ খাঁন
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে শিক্ষাঙ্গনগুলো গণরুম, গেস্টরুম কালচার ও অপসংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা এবং গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক। আমরা এগুলাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে চাই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে আয়োজিত পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে আমির বলেন, আগস্টের পর বাংলাদেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। তার ধারে কাছেও অন্যরা আসতে পারে নাই। ​কেন ছাত্রশিবিরকে এতো ভালোবাসে ছাত্রজনতা? তার একমাত্র কারণ হচ্ছে— ছাত্রশিবিরের জ্ঞানকে, শিক্ষাকে, প্রজ্ঞাকে সম্মান করে। ইবিতে নির্বাচনে হলে কি চিত্র হতো? নিশ্চয় একই চিত্র দেখা যেত। ষড়যন্ত্র করে এখানে নির্বাচন দেওয়া হয়নি। ডা. শফিকুর বলেন,​যে সমস্ত জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হয়েছে, সব জায়গা থেকে সারা জীবনের জন্য গণরুম বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। ​এখন ছাত্র-ছাত্রীরা শান্তিতে, মেধার ভিত্তিতে— তারা হলে সম্মানের সহিত নিরাপত্তা ও গৌরবের সাথে থাকতে পারে। এখন তারা লেখাপড়ায় মনোযোগ দেয়, কারণ মিছিলে যাইতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। শফিকুর রহমান বলেন, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাই যেখানে সুশিক্ষা হাতে নিয়ে আমাদের সন্তানেরা একদিন এক মুহূর্তও বেকারের দুঃখ বুঝবে না, বরঞ্চ দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবে— সেই শিক্ষাটাই আমরা আমাদের সন্তানদেরকে দিতে চাই।​যারা এটা চায় না, তারাই গণভোটের পুনরাবৃত্তি মানতেও চায় না। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের কাছে তারা কখনো মাথা নত করবেন না এবং মাথা সোজা করেই এ জাতি সামনে এগিয়ে দাঁড়াবে। আরটিভি/এসআর  
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
বিএনপির যে শত্রু, সে আমারও শত্রু: মির্জা আব্বাস
বিএনপির যে শত্রু, সে আমারও শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বিএনপির যে শত্রু, সে আমারও শত্রু: মির্জা আব্বাস
নারীদের রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে জামায়াত অমানবিক কাজ করেছে: আবু হানিফ
নারীদের রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে জামায়াত অমানবিক কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। তিনি বলেছেন, গণঅধিকার পরিষদ কোনো কিংস পার্টি হিসেবে জন্ম নেয়নি। ফ্যাসিবাদের সময়ের উত্তাল রাজপথ থেকে এ দলের জন্ম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোলা জেলা কার্যালয় উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আবু হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলেও এ ভোলায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মানুষের জন্য ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। আজ আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশে বাস করছি। দেখলাম, জামায়াত রোড মার্চ করেছে। এ জামায়াত কোরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে দেশ চালাবে বলে আবার আজকে উত্তপ্ত রোদে নারীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে, সংবর্ধনা নিচ্ছে। যা খুবই অমানবিক।  ‘তারা একদিকে ইসলাম ও কোরআন সুন্নাহর কথা বলে, অন্যদিকে নারীদের এভাবে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে কোন ইসলাম কায়েম করতে চায়, এটা আমাদের প্রশ্ন।’ তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক দল ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমান সরকারের জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কাজ করছে।’ আরটিভি/এসআর
নারীদের রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে জামায়াত অমানবিক কাজ করেছে: আবু হানিফ
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ‎চট্টগ্রাম দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী। তিনি পেকুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য এবং রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।  ২০১৬ ও ২০২১ সালের রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দুইবার জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ‎ফেসবুক পোস্টে হুমায়ুন কবির লেখেন, ‘আজকে থেকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিদায় নিলাম। রাজাখালী জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া ব্যক্তিরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।’ ‎  ‎জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, দলীয় রাজনীতির কঠিন সময়ে যখন অনেকে ভয়ে নিজেদের জামায়াত পরিচয় প্রকাশ করতেও অনাগ্রহী ছিলেন, তখন ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সংগঠনের হয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলাম। ওই সময়ে আমাকে সামনে রেখেই রাজাখালীতে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। আজ আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাই স্বেচ্ছায় জামায়াতের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছি। ‎  ‎তিনি আরও বলেন, আমি জনগণের মনোনীত রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইনশাআল্লাহ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। ‎‎অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন কবিরের দল ছাড়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংগঠনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এবং সাংগঠনিক সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসাইন ও আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অর্থ বা প্রভাবের কোনো বিষয় নেই। ‎ ‎ তিনি বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী সার্বিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকার কথা নয়।’ আরটিভি/এসআর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
আরও পড়ুন
বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে পদ্মা-তিস্তায় প্রবাহ বাড়ানোর তাগিদ রিজভীর
বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আ. লীগ: রিজভী
বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী