
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। আদালত সংক্ষিপ্ত রায় দেবেন বলে জানা গেছে। পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বসানো জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস থেকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রায় পড়া শুরু করেন বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
এর আগে আজ সোমবার সকালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলবে বলে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এর ফলে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতে রায় ঘোষণার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা নেই। আজ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৭ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের আশেপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নাজিমউদ্দিন রোডে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনে স্থাপিত বিশেষ আদালতে এই মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে।
আজ সকাল থেকেই পুরান কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে পুলিশ, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থার বিপুল সদস্য মোতায়েন করা হয়। কারাগারের পথে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। একই সঙ্গে আশেপাশের গাড়ি চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসআই) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অন্য তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্র্যাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।
আরও পড়ুন :
পি




