
দেশের অন্যতম হেভিওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত ফরিদপুরের-১ সংসদীয় আসন। এখানে বড় দুই দলেরই প্রভাবশালী নেতা থাকায় গোটা ফরিদপুরবাসীর নজর আসনটির দিকে। নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে। দলের টিকিট পেতে কেন্দ্র এবং তৃণমূলের দৃষ্টি আকর্ষণে অবলম্বন করা হচ্ছে নানা পন্থা। আলফাডাঙ্গা বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসন। ৪ লাখ ১০ হাজার ৯১ ভোটের এ আসনটিতে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ের অনেক নেতা। বাঘা-বাঘা প্রার্থীর জট থাকায় আসনটি শুধু জেলার জন্য নয় গোটা দেশের রাজনীতির জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচনে সমানে রেখে আসনটিতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে নৌকার পক্ষে গণসংযোগ চালাচ্ছেন বর্তমান এমপি আব্দুর রহমান, সাবেক এমপি কাজী সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, আরিফুর রহমান দোলন ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহ-সম্পাদক খান মইনুল ইসলাম মোস্তাকসহ আরও কয়েকজন।
ফরিদপুর-১ সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, তিন উপজেলাকে সারা বাংলাদেশর মধ্যে একটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করবো।
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি চাই সব কিছু যাচাই বাচাই করে মনোনয়ন দেয়া হোক। আমার বিশ্বাস আমিই নমিনেশন পাবো।
সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি লিয়াকত সিকদার বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে সমর্থন দেন, তাহলে আমি জনসমর্থন নিয়ে বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো।
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী খান মইনুল ইসলাম মোস্তাক বলেন, মনোনয়ন পাবার ব্যাপারে আশাবাদী, আমি নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে প্রমাণ করেছি এবং সাংসদ হিসেবেও প্রমাণ করবো।
এ আসনে দু’ভাগে বিভক্ত বিএনপি। দলটির পক্ষে মাঠে আছেন সাবেক এমপি শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর এবং দলের আরেক প্রভাবশালী নেতা খন্দকার নাছিরুল ইসলাম।
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাছিরুল ইসলাম বলেন, দলের ভেতর যে বিভেদ ছিল তা আমি দূর করেছি। সবাইকে এক করেছি এরং দলের প্রথম থেকে আমরা কাজ করে আসছি। মনোনয়ন আমার জন্য শতভাগ নিশ্চিত।
বিএনাপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ মো. আবু জাফর বলেন, সংগ্রাম করেছি আন্দোলনও করেছি এবং নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি আমরা গ্রহণ করেছি। মানুষের ধারণা এবার নির্বাচন হলে ধানের শীষের বিজয় হবে। এছাড়াও জাতীয় পার্টির পক্ষে সক্রিয় আছেন কয়েকজন।
ভোটাররা বলছেন, দলীয় মনোনয়নের উপরই নির্ভর করবে নির্বাচনের জয়-পরাজয়। তাই আসনটি থেকে এবার প্রার্থী মনোনয়নই হচ্ছে দলগুলো জন্য সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর।
আরও পড়ুন :
জেএম/ এমকে




