
গেলো দশ বছরের উন্নয়নের বিচারের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দিলাম। আর আমরা এখন রাজনৈতিক কূটনীতি নয়, অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছি।
বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চামড়াজাত পণ্য নিয়ে ৩ দিনের বৈশ্বিক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এক বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনে জিতলে রাজশাহী ও চট্টগ্রামে আরও দু’টি শিল্পনগরীর পাশাপাশি আলাদা শিল্পপার্ক নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া, বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদনে ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রফতানি বাড়াতে হলে কোন দেশে কী চাহিদা রয়েছে তা খুঁজে বের করতে হবে। তাহলে বাংলাদেশ লাভবান হবে। আপনারা যারা ব্যবসায়ী রয়েছেন তারাও অনেক টাকার মালিক হতে পারবেন। সরকার হিসেবে অামাদের দায়িত্ব আপনাদেরকে সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া। বাজার খুঁজে দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, চামড়া শিল্প বিরাট সম্ভাবনাময় একটি শিল্প, এ শিল্প বিকাশের জন্য আমরা সাভারে ট্যানারি শিল্প নগরী গড়ে তুলেছি। সেখানে এখন প্রায় ১১৫টি ট্যানারি শিল্প কাজ করছে। পশুর চামড়া সংরক্ষণে সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন এতটুকু চামড়াও নষ্ট না হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে আমাদের হাইকমিশনার এবং যারা অ্যাম্বাসেডর আছেন তাদেরও দায়িত্ব সে দেশে কোন কোন পণ্য চাহিদা রয়েছে তা খুঁজে বের করা। এ খবরটি সরকার ও ব্যবসায়ীদের জানান, তাহলে ব্যবসায়ী এবং সরকার মিলে পদক্ষেপ নেবে। আবারও যদি ক্ষমতায় আসতে পারি তাহলে চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীতে আরও দুটি ট্যানারি শিল্প গড়ে তুলব।
বাংলাদেশের পণ্য যেন বাংলাদেশের হাতে থাকে, একই সাথে বাংলাদেশের তৈরি পণ্য যেন বিদেশিরাও চয়েজ করে নিতে পারে -সে জন্য সুন্দর ও নিখুঁতভাবে পণ্য তৈরি করতে ব্যবসায়ীদের প্রতি অাহ্বান জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতিটা ছিল পলিটিক্যাল আর এখন হয়ে গেছে ইকোনমিক্যাল। কি ধরনের বিনিয়োগ আমাদের দেশে আসতে পারে সেটাকেই খুঁজে নিয়ে আসা এবং সেভাবেই কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে আরও বেশি বেশি পাদুকা শিল্প গড়ে উঠুক, দেশি-বিদেশি ব্রান্ড এখানে আসুক, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসুক এরফলে একদিকে আমাদের যেমন কর্মসংস্থান হবে অন্যদিকে যারা কাজ করাবেন তারা অত্যন্ত সস্তা শ্রমে এবং সুন্দর পরিবেশে কাজটা করিয়ে নিতে পারবেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা ব্যবসা করে না বরং ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।
আরও পড়ুন :
এসজে/এসএস




