ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম ও সেক্রেটারি ইনানের মৃত্যুদণ্ড

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় তাদের কেউই ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় গত ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে সাত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বারবার ‘ফাঁকি’ দিলেও এবার আর ‘রক্ষা হলো না’ আ.লীগ নেতার
পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতিকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৪-১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে আব্দুল ওহাব ছাড়া অন্যদের নাম পরিচয় তাৎক্ষনিক পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, তারা শহরের মধ্যে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়েছিল। নাশকতার অংশ হিসেবেই মাইক্রোবাসে করে গিয়ে শহরের মধ্যে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।  এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের আইনি ব্যবস্থা নিতে পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে ৫ আগস্ট পরবর্তীতে তৃতীয়বারের মতো আটক হলো আব্দুল ওহাব। এর আগে ২০২৫ সালে ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে আব্দুল ওহাবকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে পুলিশ ভ্যানে তোলা হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।  এ সময় আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিনদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে জামিনে বেড়িয়ে সুজানগর এলাকায় আবারও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালিয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন আব্দুল ওহাব এবং তার সমর্থকরা।  পরে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতব্যাপী উপজেলার মথুরাপুরে অভিযান চালিয়ে আব্দুল ওহাবসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে আটক করেছিল পুলিশ। এ ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরেই তারা জামিনে মুক্তি পান। আরটিভি/এসএস
বারবার ‘ফাঁকি’ দিলেও এবার আর ‘রক্ষা হলো না’ আ.লীগ নেতার
আ.লীগ ফিরলে আবারও জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, রাষ্ট্র পুনর্গঠনের ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া হলে দেশ আর কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। একাত্তরের ঘাতক এবং চব্বিশের পরাজিত শক্তি আজ একাট্টা হয়ে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে ভবিষ্যতে জামায়াত নেতাদেরই আবারও ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হবে।
আ.লীগ ফিরলে আবারও জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান
শেখ হাসিনা মারা গেলেও তার লাশ আনার মতো লোক নেই: রাশেদ খাঁন
আওয়ামী লীগ আর কখনো রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, নিষিদ্ধ ও পচে-গলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এই দলের নেতারা আর দেশে ফেরার সুযোগ পাবে না। দেশের জনগণ তাদের চিরতরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনকি শেখ হাসিনা মারা গেলেও তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো শেখ পরিবারের কোনো সদস্য আর অবশিষ্ট নেই।
শেখ হাসিনা মারা গেলেও তার লাশ আনার মতো লোক নেই: রাশেদ খাঁন
ঢাকায় গোপন বৈঠক করছিলেন যুবলীগের ৮ নেতা, অতঃপর...
ঢাকার উত্তরখান থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের ৮ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে উত্তরখান থানাধীন তালতলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওই সময় গোপনে মিটিং করার সময় যুবলীগের ৮ নেতাকে গ্রেপ্তার  করা হয়। অভিযানকালে অজ্ঞাতনামা আরও অন্তত ৩০ জন নেতা-কর্মী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সেই সঙ্গে পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। আরটিভি/এসএস
ঢাকায় গোপন বৈঠক করছিলেন যুবলীগের ৮ নেতা, অতঃপর...