ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
কাল্পনিক ছবি

কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।

সন্তান জন্মের পর পরিবারে আনন্দের পরিবেশ থাকার কথা। কিন্তু সমাজের অনেক পরিবারে এখনো কন্যাসন্তান জন্মালে হতাশা দেখা যায়। ছেলে হলে আনন্দ প্রকাশ করা হলেও মেয়ে হলে অনেক সময় মুখ ভার করেন স্বজনেরা। এমনকি সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া মাকেও এ কারণে দোষারোপ করা হয়।

অথচ সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে, তা মানুষের ইচ্ছাধীন নয়। পবিত্র কোরআনে কন্যাসন্তানের জন্মকে সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কন্যাসন্তানের জন্মে অসন্তুষ্ট হওয়া এবং তাকে অপমানের চোখে দেখার মানসিকতার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের সুরা শুরার ৪৯-৫০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান, যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। আবার কাউকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দেন এবং কাউকে নিঃসন্তান রাখেন।

ইসলামের এই শিক্ষা অনুযায়ী, কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার কারণে মাকে দোষারোপ করা বা তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। সন্তানের লিঙ্গের জন্য মাকে দায়ী করা অন্যায়।

ইসলামপূর্ব আরব সমাজে একশ্রেণির মানুষের মধ্যে কন্যাসন্তান জন্মকে লজ্জার বিষয় মনে করার প্রবণতা ছিল। পবিত্র কোরআনের সুরা নাহলের ৫৮-৫৯ নম্বর আয়াতে সেই মানসিকতার সমালোচনা করা হয়েছে।

আয়াতগুলোতে বলা হয়েছে, কন্যাসন্তানের সুসংবাদ পেয়ে কারও মুখ কালো হয়ে যেত এবং সে দুঃখে ভারাক্রান্ত হতো। এমনকি অপমানের ভয়ে সে সন্তানকে রাখবে, নাকি মাটিতে পুঁতে ফেলবে, তা নিয়েও চিন্তা করত।

এ ছাড়া সুরা তাকভিরের ৮-৯ নম্বর আয়াতে জীবন্ত সমাহিত কন্যাশিশুকে হত্যার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার কথা বলা হয়েছে।

কোরআনের এসব বক্তব্য কন্যাসন্তানকে অবহেলা ও অপমান করার মানসিকতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা দেয়। মেয়ে হয়ে জন্মানো কোনো অপরাধ নয়; বরং প্রতিটি শিশুর প্রতি ভালোবাসা, যত্ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি।

ইসলামে কন্যাসন্তানকে ভালোভাবে লালন-পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সহিহ মুসলিমের ২৬৩১ নম্বর হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুটি মেয়েকে সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করবে, কেয়ামতের দিন সে তার সঙ্গে থাকবে। এ কথা বলার সময় তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখান।

আরেকটি হাদিসে কন্যাসন্তানের প্রতি সদাচরণের প্রতিদানের কথা উল্লেখ রয়েছে। সহিহ মুসলিমের ২৬২৯ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, কন্যাসন্তানের দায়িত্ব নিয়ে তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা জাহান্নাম থেকে রক্ষার কারণ হতে পারে।

কন্যাসন্তানকে যথাযথভাবে বড় করার অর্থ শুধু খাবার ও পোশাকের ব্যবস্থা করা নয়। তার শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, মানসিক বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ নিশ্চিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত।

কন্যাসন্তানকে বঞ্চিত করার আরেকটি প্রচলিত প্রবণতা হলো উত্তরাধিকার না দেওয়া। অনেক ক্ষেত্রে মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়াকে সম্পত্তিতে তার অধিকার না দেওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কিন্তু পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ৭ নম্বর আয়াতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরও উত্তরাধিকারের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনের রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে পুরুষ ও নারীর জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে।

শরিয়তের বিধান অনুযায়ী উত্তরাধিকারের পরিমাণ নির্ধারিত হয় মৃত ব্যক্তির জীবিত উত্তরাধিকারী ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ভিত্তিতে। তবে মেয়ের বিয়ে দেওয়া বা বিয়েতে খরচ করার অজুহাতে তার প্রাপ্য উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না।

ইসলামে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে নারীর সম্মতির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। সুনান আবু দাউদের ২০৯৬ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এক নারী তার অনিচ্ছায় দেওয়া বিয়ের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি তাকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেন।

এই বর্ণনা বিয়ের ক্ষেত্রে নারীর মতামত ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে। অভিভাবকের দায়িত্ব উপযুক্ত জীবনসঙ্গী নির্বাচনে সহযোগিতা করা, মেয়ের ওপর জোর করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া নয়। বিয়ের বৈধতা ও অভিভাবকের ভূমিকা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন থাকলে যোগ্য আলেমের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

বিয়েতে স্ত্রীকে যে মোহরানা দেওয়া হয়, তা তার নিজস্ব অধিকার ও সম্পদ। পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ৪ নম্বর আয়াতে নারীদের মোহরানা সন্তুষ্টচিত্তে আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্ত্রী স্বেচ্ছায় মোহরানার কোনো অংশ ছেড়ে দিলে তা গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে চাপ সৃষ্টি করে কিংবা তাঁর সম্মতি ছাড়া মোহরানা নিয়ে নেওয়া ইসলামের নির্দেশনার পরিপন্থী।

কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা অনুযায়ী, কন্যাসন্তানের জন্ম কোনো অপমান বা হতাশার কারণ নয়। ছেলে ও মেয়ে উভয় সন্তানই পরিবারের জন্য আল্লাহর দান। তাই উভয়কেই সমান ভালোবাসা, যত্ন ও মর্যাদা দিয়ে গ্রহণ করা প্রয়োজন।

শুধু জন্মের সময় আনন্দ প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়ের শিক্ষা, নিরাপত্তা, মতামত ও আর্থিক অধিকার নিশ্চিত করাও পরিবারের দায়িত্ব।

কন্যাসন্তানের জন্মে মন খারাপ না করে তাকে সাদরে গ্রহণ করা, তার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করা এবং যথাযথভাবে লালন-পালন করাই হোক সবার অঙ্গীকার। মেয়ে হয়েছে বলে কোনো মা যেন দোষারোপের শিকার না হন, কোনো শিশু যেন অবহেলার মধ্যে বড় না হয় এবং কোনো নারী যেন তাঁর ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে (Astronomical calculations Ramadan start date 2027)। 
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আজকের নামাজের সময়সূচি
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ- 
আজকের নামাজের সময়সূচি
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে আটকে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রোববার (১ নভেম্বর) হজযাত্রীদের ইন্স্যুরেন্স-বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় থেকে সৌদি সরকারের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে মোট ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সর্বমোট ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল কেটে সংরক্ষণ করেছিল। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ সৌদি রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ সৌদি রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ শুরু করে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ, তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও জানান শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন। ধর্মমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী হজ মৌসুমগুলোতে এ ধরনের অর্থ কর্তনের কোনো নজির ছিল না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ তথ্য ও যুক্তিসহ তুলে ধরা হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার আন্তরিক প্রচেষ্টা, দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে শেষ পর্যন্ত এই অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার নুসুক সিস্টেমে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত জমা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে ৪ হাজার ৩৪১ জন হজযাত্রীকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
আজকের নামাজের সময়সূচি
রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
বিড়ি খেলে কি অজু ভেঙে যায়
অজুর পর বিড়ি বা সিগারেট খেলে কি অজু ভেঙে যায়? নাকি সেই অজুতেই নামাজ আদায় ও পবিত্র কোরআন স্পর্শ করা যাবে? শরিয়তের দৃষ্টিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান ও মাসআলা রয়েছে।
বিড়ি খেলে কি অজু ভেঙে যায়
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ায় স্ত্রীকে খুন
মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, মেলেনি বাবার পরিচয়
কন্যাসন্তানের নিরাপত্তায় শটগান চেয়ে মন্ত্রণালয়ে বাবার আবেদন