ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় পতাকার অবমাননা: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমালোচনা

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:০৯ পিএম
শিক্ষকদের হাতে নতুন নকশার পতাকা

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা নিয়ে ফটোসেশন করেছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু শিক্ষক। তবে সেই পতাকার মাপ ঠিক না হওয়ায় এই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমালোচনা।

সমালোচনার মূল কারণ জাতীয় পতাকার লাল গোল বৃত্তটি পরিবর্তন হয়ে চারকোনা করা হয়েছে। এতে করে পরিবর্তন হয়েছে পতাকার প্রকৃত মাপ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারীদের অনেকে বলছেন, মানুষ গড়ার কারিগর যে শিক্ষকরা তারাই যদি পতাকার নকশা পরিবর্তন বা বিকৃত করে তাহলে শিক্ষার্থীরা কী শিখবেন।

মাসুদ হাসান লিখেছেন, শিক্ষকরা যদি এমন করেন, আমরা শিখব কী?

আতিকা রহমান নামের একজন লিখেছেন, এতজন সিনিয়র শিক্ষক তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের, তাদের মাথায় কি একবারও আসলো না যে লাল কাপড়টা চারকোনা কেন? এটা জাতীয় পতাকার নকশা না? ছবি তোলার সময় একবার তাকায় দেখলো না যে কার সামনে দাঁড়িয়েছি! এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি।

অনেকেই শিক্ষকদের ফটোসেশনের ওই ছবি পোস্ট করে বিচার দাবি করছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী জাতীয় পতাকা মাপের সুনির্দিষ্ট বিবরণে দেখা যায়-

‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।

লাল বৃত্তটি পতাকার দৈর্ঘ্যরে এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। পতাকার দৈর্ঘ্যের নয়-বিংশতিতম অংশ হতে অঙ্কিত উলম্ব রেখা এবং পতাকার প্রস্থের মধ্যবর্তী বিন্দু হতে অঙ্কিত আনুভূমিক রেখার
পরস্পর ছেদ বিন্দুতে বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দু হবে। অর্থাৎ পতাকার দৈর্ঘ্যের বিশ ভাগের বাম দিকের নয় ভাগের শেষ বিন্দুর ওপর অঙ্কিত লম্ব এবং প্রস্থের দিকে মাঝখান বরাবর অঙ্কিত সরল রেখার ছেদ বিন্দু হলো বৃত্তের কেন্দ্র।

পতাকার সবুজ পটভূমি হবে প্রতি হাজারে প্রোসিয়ন ব্রিলিয়ান্ট গ্রীন এইচ-২ আর এস ৫০ পার্টস এবং লাল বৃত্তাকার অংশ হবে প্রতি হাজারে প্রোসিয়ন ব্রিলিয়ান্ট অরেঞ্জ এইচ-২ আর এস ৬০ পার্টস।

জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাত লাখ সাবস্ক্রাইব হওয়ার পর প্রথম ভিডিও আপলোড করলেন আজহারী
দেশের জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী তার ইউটিউবে প্রথম ভিডিও ছাড়ছেন খাদ্যের হালাল হারাম সম্পর্কে। এবিষয়ে ভিডিও আসছে এমনটা জানিয়ে একটি প্রোমো আপ করেছেন ২৪ ডিসেম্বর। যা গত ২৪ ঘণ্টায় ভিউ হয়েছে পাঁচ লাখেরও বেশি। মিজানুর রহমান আজহারী তার বক্তব্য আরও সহজে মানুষের কাছে পৌঁছাতে ইউটিউবে চ্যানেল খুলেন গত ১৯ ডিসেম্বর।চ্যানেলটি ইতোমধ্যে সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ  সাবস্ক্রাইব করেছেন।কোনও ভিডিও ছাড়া এতো সাবস্ক্রাইব ইউটিউবেরও রেকর্ড হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। অবশ্য ওয়েলকামিং ভিডিও সংক্রান্ত  আরও একটি ভিডিও তিনি আপলোড করেছিলেন। কিন্তু কপিরাইট সংক্রান্ত জটিলতায় সেই ভিডিও তিনি প্রাইভেট করে দিয়েছেন বলে ফেসবুকে জানিয়েছেন।  আজহারী লেখেন, ‘গতকাল থেকে অনেকেই জানাচ্ছেন যে, আমার ওয়েলকামিং ভিডিওটিতে অ্যাড শো হচ্ছে। ওয়েলকামিং ভিডিওটির ল্যান্থ ছিল ১ মিনিট ৫ সেকেন্ড। ইন্ট্রোতে ৭ সেকেন্ড, মূল বক্তব্য ৪৬ সেকেন্ড এবং আউট্রোতে ১২ সেকেন্ড। ইন্ট্রো এবং আউট্রোতে— ব্যাকগ্রাউন্ডে দুটি নাশিদের ভোকাল কর্ডের সাউন্ড ইউজ করা হয়েছিল। আমাদের জানা ছিল না যে, এগুলো কপিরাইট ফ্রি নয়। শেষের ১২ সেকেন্ডের জন্য ওরা কপিরাইট ক্লেইম করে, আর এজন্যই কখনো কখনো অ্যাড শো হচ্ছে। এই অ্যাড থেকে আসা রেভিনিউ ঐ মুনশীদের একাউন্টে যোগ হচ্ছে। আমরা আমাদের চ্যানেলে মনিটাইজেশন করিনি এবং কোন অ্যাড দেইনি। পরবর্তীতে, আমরা ভোকাল দুটোকে রিমুভ করার সিদ্ধান্ত নেই, কিন্তু সল্প সময়ে ভিডিওটির অনেক বেশী ভিউ হওয়ার কারণে, শেষের ১২ সেকেন্ডের ব্যাকগ্রাউন্ড ভয়েসটি ট্রিম করা যাচ্ছে না। তাই, ওয়েলকামিং ভিডিওটি প্রাইভেট করে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা কপিরাইট-ফ্রি ভোকাল অথবা নাশীদ ব্যবহারের চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় মিজানুর রহমান আজহারী। বিগত কয়েক বছর ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। এমকে
সাত লাখ সাবস্ক্রাইব হওয়ার পর প্রথম ভিডিও আপলোড করলেন আজহারী
ক্যালেন্ডারে ১৯৭১ ও ২০২১ সাল একই থাকছে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কিছু ভাইরাল হয়। তবে এসবের মধ্যে অনেক কিছু থাকে ভালোলাগার ও কৌতূহলের। দিন-তারিখ-বছর নিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চমক দেখা যায়। কিছুদিন আগে কৌতূহল দেখা গিয়েছিল ডিসেম্বরের ১২ তারিখ নিয়ে। কারণ ওই দিনটি ছিল ১২ তারিখ, মাস ছিল ১২ আর বছর ২০২০। এই সংখ্যাগুলো পাশাপাশি সাজালে দেখা যায় দুটো জোড় জোড় সংখ্যা। অর্থাৎ ১২ ১২ ২০ ২০ কৌতূহলটা বুঝেছেন নিশ্চয়ই।  এবার জানা গেল ২০২১ সালের ক্যালেন্ডার নিয়ে কৌতূহল। আগামী বছরের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে গত ১২০ বছরের মধ্যে ১২টির মিল পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ১৯৭১ সালের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে ২০২১ সালের ক্যালেন্ডারের রয়েছে হুবহু মিল। ক্যালেন্ডারে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি ছিল শুক্রবার আর চলতি বছরের প্রথম দিনটিও শুক্রবার হবে। এমনকি দুটি বছরের শেষ দিনও পড়েছে শুক্রবারের ঘরে। শুধু প্রথম কিংবা শেষ দিন নয়, বছরের প্রতিটি দিনের তারিখ ও বারের মধ্যে হুবহু মিল দেখা গেছে। ১৯৭১ ছাড়াও আরও ১১ বছরের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে ২০২১ সালের ক্যালেন্ডারের মিল আছে। এগুলো- ১৯০৯, ১৯১৫, ১৯২৬, ১৯৩৭, ১৯৪৩, ১৯৫৪, ১৯৬৫, ১৯৮২, ১৯৯৩, ১৯৯৯ ও ২০১০ সাল। এমনকি ২০২৭ সালেও এই একই ক্যালেন্ডারের দেখা মিলবে। জিএ
ক্যালেন্ডারে ১৯৭১ ও ২০২১ সাল একই থাকছে
ভিডিও ছাড়াই হু হু করে বাড়ছে আজহারীর ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। দেশে গত কয়েক বছর ওয়াজ মাহফিল করে অসংখ্য অনুসারী তৈরি করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এই আলেম। তবে সেখান থেকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এবার ইউটিউবে ধর্মীয় পরামর্শ দেয়ার লক্ষ্যে চ্যানেল করলেন মিজানুর রহমান আজহারী। ফেসবুকে চ্যানেলটি সম্পর্কে পোস্ট দেয়ার মাত্র ২০ মিনিটে সাবস্ক্রাইবার ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। চ্যালেনটি ওপেন করার আগে তিনি অবশ্য অনুসারীদের থেকে পরামর্শ নিয়েছিলেন। ফেসবুক পোস্টে সে কথা জানিয়েছেন তিনি নিজেই। মিজানুর রহমান আজহারী পোস্টে লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ.. অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল সংক্রান্ত আমার গত স্ট্যাটাসটিতে ষাট হাজারেরও বেশী কমেন্টস এসেছে। আমি উল্লেখযোগ্য প্রায় সবগুলো কমেন্টসই পড়ার চেষ্টা করেছি। সুবহান আল্লাহ! আপনাদের চমৎকার ও কন্স্ট্রাক্টিভ পরামর্শগুলো আমায় আবেগাপ্লুত করেছে। অসাধারণ এই পরামর্শগুলোর জন্য আন্তরিক শুকরিয়া। আল্লাহ তায়ালা আপনাদের সবাইকে উত্তম বিনিময় দিন। আপনাদের দেয়া সুন্দর পরামর্শগুলো আমরা মাথায় রাখার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। জিএ
ভিডিও ছাড়াই হু হু করে বাড়ছে আজহারীর ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার
ফেসবুকে এমপির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেতার পোস্ট, থানায় জিডি
কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর তার লোকজন দিয়ে বাড়িতে হামলা, জমি দখল, মারপিট, মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ অর্থ সম্পাদক মেহেদি হাসান। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট এবং সম্মানহানি হয়েছে মর্মে কচাকাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন কচাকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী।  ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-অর্থ সম্পাদক মেহেদি হাসান তার ফেসবুক আইডিতে শনিবার বেলা ১১টার দিকে স্টাটাসটি পোস্ট দেন।  স্ট্যাটাসের শিরোনামে তিনি লেখেন, ‘আমার বাবাকে সুস্থ অবস্থায় ফেরত চাই।’ তার পরে লেখেন, ‘২৫ কুড়িগ্রাম ১ আসনের এমপি সাহেব তার লোকজন দিয়ে আমার চাচার বাড়িতে হামলা করে বাড়ি জমি দখল করেছে। মিথ্যা মামলা করছে। আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। বৃদ্ধ মানুষ। তাকে মারপিট করে দখলকৃত বাড়িতে আটকে রেখেছে। আমি ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাই। তার সন্ত্রাসী বাহিনী থেকে মুক্তি চাই।’  এ ফেসবুক স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে মেহেদি হাসান জানান, তার পৈতৃক নিবাস কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের ভোটেরহাইল্যা গ্রামে। সেখানে জালিরচর এলাকায় জমিজমা নিয়ে ছমির উদ্দিন গংদের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। ছমির মিয়া সংসদ সদস্যের ছত্রছায়ায় চলে। আজ সকালে ছমিরের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল আমার চাচার বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়ির সকল সদস্যকে মারপিট করে। এসময় আমার বৃদ্ধ বাবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কাশেম মাস্টারকে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং পা ভেঙে দেয়। এছাড়া মহিলাসহ আরও ছয়জনকে মারাত্মকভাবে আহত করে। এর আগে ছমির মিয়া এমপির মদদে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করে। ফেসবুক পোস্টটি ঘিরে কেউ মামলা বা জিডি করেছে কিনা আমার জানা নেই। জাতীয় সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর জানান, আমাকে নিয়ে মেহেদি হাসানের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি আমার আইডিতে এর প্রতিবাদ করেছি।  থানায় জিডির আবেদনকারী কচাকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান, ফেসবুকে পোস্ট দেখে আমাদের মনে হয়েছে, আমাদের দলের ও এমপির সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভাইয়ের (এমপি) সাথে পরামর্শ করে জিডি করা হয়েছে। কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে দুইপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের ৮-৯ জন আহত হয়েছেন। আমরা উভয়পক্ষের ৬ জনকে আটক করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করা হবে। এছাড়া আটকদের বিরুদ্ধে আলাদা মামলার পরোয়ানা জারি ছিল। ফেসবুকের পোস্ট ঘিরে জিডির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরবর্তীতে এমপি মহোদয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পি  
ফেসবুকে এমপির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ নেতার পোস্ট, থানায় জিডি
আইডি হ্যাক করে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে টাকা দাবি, দম্পতি গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ম্যাসেঞ্জারে টাকা দাবি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে হ্যাকার দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।  সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্রীর ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়। পরে অজ্ঞাত এক ফেসবুক পেজ থেকে তানজিলা আকতার তুলি পরিচয় দিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। আইডি উদ্ধারের নামে তার কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকাও নেয় প্রতারকরা। কিন্তু আইডি উদ্ধারের পরিবর্তে ব্যক্তিগত ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আবারও মোটা অংকের দাবি করে হ্যাকাররা। এমনকি ওই তরুণীর ছবি এডিট করে তার স্বজনদের কাছেও পাঠানো হয়। এ ঘটনায় হালিশহর থানায় ভুক্তভোগীর মামলার পর হবিগঞ্জ থেকে হ্যাকার দম্পতি পলাশ ও সাদিয়াকে গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। সিএমপি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হামিদুল আলম বলেন, ‘তারা ইউটিউবে সার্চ করে করে কিভাবে ফেসবুক হ্যাক করা যায়, কিভাবে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড রিকোভারি করা যায় এগুলা তারা অ্যানালাইসিস করত। অ্যানালাইসিস করতে করতে এক পর্যায়ে তারা এক্সপার্ট হয়ে যায়। তারা ঘটনাটি স্বীকার করেছে। আমরা তাদের দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, দুটি আনরেজিস্টার্ড সিমসহ আরও কিছু ইকুইপমেন্ট পেয়েছি। এখন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পি  
আইডি হ্যাক করে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে টাকা দাবি, দম্পতি গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা বিকৃতির সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি
জাতীয় পতাকার অবমাননা: ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বেরোবির শিক্ষিকা গ্রেপ্তার