ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না : আসিফ মাহমুদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। সেখানে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসেন পরাজিত প্রার্থীকে ইঙ্গিত করেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুক পোস্টে দেওয়া ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, গত দেড় বছরে ক্রীড়া খাতে কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বাধার মুখে পড়েছেন সেই একজনের কাছ থেকে। ফুটবল ও ক্রিকেট বোর্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, সার্চ কমিটির সদস্যকে ব্যবহার করে ফেডারেশন কার্যালয় দখলের উদ্যোগ এবং পরবর্তীতে মামলা পর্যন্ত করার ঘটনা ঘটেছে।

ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের ‘মাফিয়া চক্র’ সরিয়ে সংস্কার কার্যক্রম চালানো হয়েছে এবং এর সুফল ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। একই সঙ্গে স্পোর্টস মিডিয়ার একটি অংশকে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও তোলেন তিনি।

নিচে আসিফ মাহমুদের দেওয়া পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি। তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বার বার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬-তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিল না। প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলে, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সব কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকল। তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইল। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অথচ আমি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয়, সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ-যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে। এই মাফিয়াদের সঙ্গে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে, পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে ফটো কার্ডটি এডিট করা হয়)।

দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সঙ্গে কাজ করে গেছি। আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফোন বন্ধ, বাড়িতেও নেই আমির হামজা: রাশেদ খাঁন
কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না সাংবাদিকেরা। তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তিনি বাড়িতেও নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
ফোন বন্ধ, বাড়িতেও নেই আমির হামজা: রাশেদ খাঁন
আমির হামজা কোন মসজিদে জুমার নামাজ পড়েছেন: আমজনতার তারেক
কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে তার জুমার নামাজ আদায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আমজনতা দলের সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান।
আমির হামজা কোন মসজিদে জুমার নামাজ পড়েছেন: আমজনতার তারেক
শেখ হাসিনার পতন ও সাংবাদিক রাজুকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের পোস্ট
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেন রাশেদ খাঁন।
শেখ হাসিনার পতন ও সাংবাদিক রাজুকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের পোস্ট
এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া ফারজানা আমার স্ত্রী নন: গোলাম মাওলা রনি
জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির স্ত্রী ফারজানা আফরোজ, এমন খবর প্রকাশের পর সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। 
এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া ফারজানা আমার স্ত্রী নন: গোলাম মাওলা রনি
এখন নাহিদ ইসলামের ডাকে ১০০ লোকও জড়ো হবে না: রাশেদ খাঁন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ লোকও জড়ো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার মতে, সামান্তা শারমিনের মতো নেত্রীকে দলে ধরে রাখার যোগ্যতা হারিয়েছেন নাহিদ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। আরটিভির পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— নাহিদ ইসলাম আন্দোলন চালিয়ে যেতে বললেন, কিন্তু গার্মেন্টস কর্মীরা কাজে ফিরে গেলেন! নাহিদ ইসলাম ডাক দিলে এখন ১০০ লোকও আর জড়ো হবে না। আশা করি তিনি এর প্রমাণ পেয়ে গেছেন।  গণঅভ্যুত্থানের মহানায়কের কেন এই মহা অধঃপতন? কেন এনসিপি একটি নামসর্বস্ব দলে পরিণত হলো? এর দায় কি নাহিদ ইসলাম এড়াতে পারেন?  নাহিদ ইসলামরা মনে করেছিলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে তারাই সব করেছিলেন! তারাই যে সব করেননি, সেটা তিনি যতো বেশি অহংকারী হবেন, ততো বেশি টের পাবেন। নাহিদ ইসলামের সাথে কারা থাকছে, আর কারা তাকে বর্জন করছে, তিনি কি উপলব্ধি করতে সক্ষম হচ্ছেন?  যেখানে সামান্তা শারমিনের মত নেত্রীদের ধরে রাখার যোগ্যতা তিনি হারিয়েছেন, সেখানে জনগণ কেন তার ডাকে মাঠে নামবে? আরটিভি/এসআর  
এখন নাহিদ ইসলামের ডাকে ১০০ লোকও জড়ো হবে না: রাশেদ খাঁন