ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

বাঁধনের ওপর হামলা: নিজের সেই ঘটনা টেনে আসিফ নজরুলের স্ট্যাটাস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ পিএম
এআই দ্বারা তৈরিকৃত ছবি

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গে দুই বছর আগে জেনেভায় নিজের সঙ্গে ‘মব’ করার ঘটনা টেনেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সে সময় মবকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা নেননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এ প্রসঙ্গ টানেন তিনি।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কিছু কর্মীর কাণ্ড-কীর্তি দেখে বিস্মিত হই। অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর আপনারা এভাবে হামলা করতে পারলেন? নিজেরাই তা ফলাও করে প্রচার করলেন, নিজেরাই অকাট্য সাক্ষী রাখলেন!’

হামলাকারীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখন যদি আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হবে। সেটা আপনাদের জন্য ভালো হবে? আপনাদের পরিবারের জন্য বিষয়টা ভালো হচ্ছে?’

আওয়ামী লীগের কর্মীদের উদ্দেশে আসিফ নজরুল প্রশ্ন তোলেন, ‘ভাই, কার জন্য করেন এসব? নতুন বেশে সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেখে? আপনারা সত্যি বিশ্বাস করেন, তার বা তার মায়ের হৃদয় কাঁদে আপনাদের জন্য? সত্যি বিশ্বাস করেন, আপনাদের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন তারা? সত্যি বিশ্বাস করেন, আপনাদের করুণ পরিণতি হলে কোনো সাহায্য করবেন তারা?’

তিনি বলেন, ‘নিজেকে বিপন্ন করার ও দেশের সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা বাদ দেন। দলকে ভালোবাসলে আপনারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিদেশে কাজ করেন।’

বাংলাদেশের মানুষ কেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে রুখে দাঁড়িয়েছিল, তা গোপনে হলেও বোঝার চেষ্টা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দলের স্বার্থপর নেতাদের প্রশ্ন করেন।’

এরপর নিজের দুই বছর আগের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আসিফ নজরুল লেখেন, ‘সবচেয়ে আগে নিজেকে নিরাপদ রাখেন। ২ বছর আগে জেনেভায় আমার ওপর মব করার পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল আমার। আমি নেইনি। কিন্তু এরপর আপনাদের কেউ কেউ আরও অনেক বেশি নোংরা ও বেপরোয়া হয়েছেন।’

সবশেষে তিনি বলেন, ‘এসব সহ্য করার মতো নয়।’

এর আগে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, তার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী এবং তাদের সন্তানরা বিতাড়িত আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) কর্মীদের দারা মারধর ও হেনস্তার শিকারের অভিযোগ ওঠে।

বাঁধনের অভিযোগ, ভেনিসে একদল বাঙালি তাকে ঘিরে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে এবং তার ওপর পানি ও কোমল পানীয় ছুড়ে মারে। এসময় তার সঙ্গে থাকা ভাইয়ের শিশুসন্তানও সেখানে ছিল বলে জানান তিনি।

সোমবার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ঘটনার বিস্তারিত জানান বাঁধন। এ ঘটনায় ভেনিসের একটি থানায় তিনি অভিযোগ করেছেন বলেও জানা গেছে। জানা যায়, তিনি ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত 'দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড' সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালিতে গেছেন।

বাঁধনের ওপর হামলার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে হামলাকারীদের একজনকে বাঁধনকে উদ্দেশ করে বলতে শোনা যায়, ‘তিনি একজন ‘জুলাই জঙ্গি’। ওই ব্যক্তিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘সে এখন ভেনিসে, আমরা ভেনিস ছাত্রলীগ এই দেশদ্রোহী জঙ্গিকে ধরেছি।’

ভিডিওতে বাঁধনকে ‘দেশকে ধ্বংস করেছে’, এমন অভিযোগ তুলে হেনস্তা করতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয় বলে জানান অভিনেত্রী।

ফেসবুক লাইভে বাঁধন বলেন, ‘আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাই এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক, এগুলো ছুড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে।’

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বাঁধন বলেন, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ বলে অভিহিত করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি জুলাই যোদ্ধা। ইয়েস, আই অ্যাম। আমি অবশ্যই জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি... একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না।’

বাঁধনের ভাষ্য, হামলাকারীরা কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) কর্মী ও বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বলে পরিচয় দেন এবং তাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করেন। এসব কর্মকাণ্ড তারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভও প্রচার করছিলেন বলে অভিযোগ করেন বাঁধন।

বাঁধন আরও জানান, আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) কর্মীদের অনেকে হয়তো জানেন না, তিনি বাংলাদেশ থেকে যে সিনেমাটি নিয়ে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে এসেছেন, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন। তার সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন এবং জুলাইয়ের আন্দোলনের পরও কাজ করেছেন বলে জানান অভিনেত্রী।

হামলাকারীদের উদ্দেশে বাঁধন বলেন, ‘আপনারা যে কাজটা আজকে করেছেন, আমি বলব যে আপনাদের এই ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল, যেটা আপনারা করতে পারেননি। আপনারা ভেবেছেন, এভাবে করেই হয়তো পরবর্তীকালে নিজেদের জায়গাটা ফের সুগঠিত করতে পারবেন। সেটা আমার মনে হচ্ছে না।’

ভিডিও বার্তায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কথাও উল্লেখ করেন বাঁধন। ভিডিওতে তিনি জানান, সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন বলে তিনি জেনেছেন। তার কাছে ঘটনাটি পৌঁছে দেওয়ার কথাও বলেন অভিনেত্রী।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জামায়াতের যুব শাখা রূপে আবির্ভূত হয়েছে এনসিপি: রাশেদ খাঁন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটি জামায়াতে ইসলামীর যুব শাখা রূপে আবির্ভূত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।  পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, অনেক আশা জাগিয়ে নতুন বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখানো এনসিপির কোনো ধরনের কাউন্সিল ছাড়াই নতুন কমিটি হয়েছে। যারা সারাদিন গণতন্ত্রের বুলি আওড়ায় ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা একটি কাউন্সিল পর্যন্ত করে কমিটি দিতে পারল না, এর থেকে বড় লজ্জা আর কী হতে পারে? এর মাধ্যমে এনসিপির সাংগঠনিক দুর্বলতার ও নেতৃত্ব কুক্ষিগত করার চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। নতুন কমিটি গঠনে জামায়াতের প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করে এরপর তিনি লিখেন, যতটুকু তথ্য পেয়েছি, জামায়াতের অনুমোদনে এনসিপির এই নতুন কমিটি হয়েছে। অর্থাৎ জামায়াত যাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে চায়নি, কমিটিতে তাদের অগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে এনসিপির মধ্যে যারা স্বতন্ত্র রাজনীতির স্বপ্ন দেখে কিংবা জামায়াতবিরোধী, কমিটিতে তাদের পদাবনতি হয়েছে। আর ছাগলচোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের শীর্ষ পদে আসীন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, সব মিলিয়ে এনসিপির নতুন কমিটি জামায়াতের যুব শাখা রূপে আবির্ভূত হয়েছে বলে বঞ্চিতদের একধরনের অভিযোগ রয়েছে। এনসিপির গঠনতন্ত্রের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন এরপর লিখেন, এনসিপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুইবারের বেশি কেউ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হতে পারবেন না! দেখা যাক, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনের এই মেয়াদই শেষ মেয়াদ হয় কি না! নাকি নতুন বন্দোবস্তের নামে নতুন ভণ্ডবস্তের পথেই এগোবে এনসিপি! তিনি আরও লিখেন, আজকে যদি এনসিপি গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন ধারণ করে নতুন ধারার রাজনীতি উপহার দিতে পারত, তাহলে আওয়ামী শূন্যতা পূরণের জন্য এনসিপিকে সবাই সাধুবাদ জানাতো। দুঃখের বিষয়, নতুন কমিটির ফরম্যাট দেখে মনে হলো, কিছু আসন ও আসনপ্রতি নির্বাচনী খরচের বিনিময়ে এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের কাছে বিক্রি হয়ে গেল! বাংলাদেশে এনসিপির আর কোনো স্বতন্ত্র রাজনীতি করার ন্যূনতম সুযোগ রইল না। এনসিপিকে বর্তমানে প্রক্সি জামায়াত পার্টি বলেও আর ভুল হবে না। আরটিভি/এসএইচএম  
জামায়াতের যুব শাখা রূপে আবির্ভূত হয়েছে এনসিপি: রাশেদ খাঁন
এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ঢুকে গেছে: আবু হানিফ 
এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ঢুকে গেছে: আবু হানিফ 
খালেদা জিয়ার মতো আমিও বিনাবিচারে কারাবরণ করেছি: মেঘনা আলম
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিনাবিচারে কারাবরণের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন মডেল ও রাজনৈতিক প্রশিক্ষক মেঘনা আলম।
খালেদা জিয়ার মতো আমিও বিনাবিচারে কারাবরণ করেছি: মেঘনা আলম
‘একটি মাত্র স্নাইপার দরকার ছিলো’ মন্তব্যের সাহস দিয়েছে বিরোধীদল: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ সংক্রান্ত মন্তব্য করার সাহস বিরোধীদলের নেতারাই জুগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি লেখেন, বিরোধীদলের নেতাদের উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য ও আগ্রাসী আচরণ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার সুযোগ নিচ্ছে পতিত অপশক্তি। যার একটি উদাহরণ, প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে এক যুবকের মন্তব্য ‘একটি মাত্র স্নাইপার দরকার ছিলো।’ বিরোধীদলের নেতাদের আগ্রাসী আচরণই পতিত অপশক্তিকে এমন মন্তব্য করার দুঃসাহস জুগিয়েছে। তিনি আরও লেখেন, বিরোধীদলের মুখে, জনসভায় কিংবা টকশোতে আওয়ামী লীগের অপকর্ম, গুম-খুন ও দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। বরং গণঅভ্যুত্থানের ১ মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির। জামায়াত-এনসিপি এমন ন্যারেটিভ দাঁড় করাচ্ছে যে, ৮ মাসের বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের ১৬ বছরকে হার মানিয়েছে! তাদের মিথ্যাচার ও অপবাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার। রাশেদ খাঁন লেখেন, বাদ যাচ্ছেন না, যে সব নেতা ও মন্ত্রীরা আওয়ামী লীগের সময় গুম হয়েছিলেন ও শত শত মামলায় জর্জরিত হয়েছিলেন কিংবা নির্বাসিত জীবনে ছিলেন, তারাও। ৫ আগস্টের পরেও যারা চাকরিতে ছিল, কেউ বা ৫ আগস্টের আগে কখনো রাজপথে নামেনি, কিংবা কোনো একটা আন্দোলন দেখার জন্য এসে বা সামান্য সময় থেকে কোনোরকম ফুটেজ নিয়ে রেখেছে, তাদের গলাবাজি দেখে মনে হচ্ছে বিগত ১৬ বছর শুধু তারাই সংগ্রাম করেছে! রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, অথচ সংগ্রামের পরিমাণ বিবেচনা করলে, বিএনপির নেতাকর্মীদের শতভাগ লড়াইয়ের তুলনায় একভাগ লড়াইও তারা করেনি। কিন্তু আজকে মনে হচ্ছে, তাদের কাছ থেকে আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস বিএনপিকে জানতে হচ্ছে। ঠিক যেমনিভাবে অধ্যাপক জাফর ইকবাল থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জাতিকে জানতে হয়েছে, তেমনিভাবে বিরোধীদলের অধিকাংশ আনকোরা এমপিদের থেকে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস বিএনপিকে জানতে হচ্ছে! অথচ বিরোধীদলীয়দের অধিকাংশ এমপিরা ১৬ বছর গুম (গুপ্ত) ছিল! আরটিভি/টিআর
‘একটি মাত্র স্নাইপার দরকার ছিলো’ মন্তব্যের সাহস দিয়েছে বিরোধীদল: রাশেদ খাঁন
হঠাৎ বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসায় কলকাতার ময়ূখ, ঘটনা কী
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লেখন, দুর্গাপূজা বাংলাদেশ এবার চমকে দেওয়ার মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে, ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’। এছাড়া পূজার নানান দিকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে চট্টগ্রামের মণ্ডপগুলোর জন্য বিশেষ সম্মাননারও দাবি জানান তিনি।
হঠাৎ বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসায় কলকাতার ময়ূখ, ঘটনা কী
আরও পড়ুন
পোষা কুকুরের ইশারায় গাছের নিচে ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার
‘কী হাস্যকর আত্মসন্তুষ্টি, কী অসুস্থ চিন্তা’
বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেবে ইতালি, আগামী মাসে বিশেষ কর্মসূচি
হাসপাতালে ভর্তি পোপ