
সিলেটের চোঙ্গামুরি ব্রিজে রেললাইনের স্লিপারের কাঠ আটকাতে রডের বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে বাঁশ, আর নাট-বল্টুর বদলে গুনার তার দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে স্লিপার। অন্যদিকে রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায়, ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুরে রত্না নদীর উপর দাঁড়িয়ে থাকা ৪৪ ও ৪৫ নম্বর ব্রিজ দু’টি যেন মৃত্যু ফাঁদ।
নড়বড়ে সেতু, জরাজীর্ণ রেললাইন আর নানা অব্যবস্থাপনায় চলছে সিলেট অঞ্চলে রেলের কার্যক্রম। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়ে চলছে সিলেটের সব ট্রেন। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার রত্না নদীর উপরের ৪৫ নম্বর ব্রিজে নাট বল্টুর বদলে তার দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে স্লিপার। আবার অনেক যায়গায় স্লিপারের নিচে নেই কাঠও। ট্রেন চলাচলের সময় কাঁপতে থাকে ব্রিজটি।
আরও ভয়াবহ অবস্থা ৪৪ নম্বর চোঙ্গামুরি ব্রিজের। নষ্ট হয়ে গেছে ব্রিটিশ আমলে তৈরি এ ব্রিজের স্লিপারের নিচে থাকা কাঠগুলো। রেললাইনের স্লিপারের মাঝের কাঠ আটকাটাতে রডের বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে বাঁশের ফালি।
তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সিলেট অঞ্চলে কোনও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ নেই, যেগুলোতে ছোট ছোট সমস্যা আছে সেগুলোর কাজের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
গেল তিন মাসে সিলেট এলাকায় বিভিন্ন সময় স্লিপার ছুটে বগি লাইনচ্যুত হয়েছে পাঁচটি ট্রেনের। আর সব শেষ মৌলভীবাজারের বরমচালে ব্রিজ ভেঙে নিহত হয় চারজন।
এসএস




