ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চলমান শুদ্ধি অভিযানের মধ্যে শনিবার হচ্ছে যুবলীগের কাউন্সিল (ভিডিও)

শরিয়ত খান

প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:০৬ পিএম

চলমান শুদ্ধি অভিযানে টলমাটাল সাংগঠনিক অবস্থার মধ্যেই আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুবলীগের সপ্তম কাউন্সিল। ক্যাসিনোকান্ড, টেন্ডারবাজীসহ নানা অপকর্মে সংগঠনের নেতাদের নাম আসায় বিব্রত নেতা-কর্মীরা। সংগঠনের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সৎ, যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতৃত্ব চান পদপ্রত্যাশিরা। কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, বর্তমান কমিটির পরিচ্ছন্ন নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সমন্বয় নতুন কমিটি গঠিন হতে পারে।

দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে চলমান শুদ্ধি অভিযানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ‌যুবলীগ নেতাদের নাম। নানা অভিযোগে সংগঠনের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে পদ হারাতে হয়েছে। ক্যাসিনোকান্ডে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, সহসভাপতি এনামুল হক আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াসহ কয়েকজন। আরও অনেক নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

এমন বাস্তবতায় শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে সংগঠনের সপ্তম জাতীয় সম্মেলন। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

শুদ্ধি অভিযানের মধ্যেও বিতর্কিত কেউ কেউ পদ পেতে প্রচারণায় নেমেছেন। ক্যাসিনোকান্ডে গ্রেপ্তার খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার ডান হাত হিসেবে পরিচিত শটগান সোহেল ও তার সহযোগি আলী রেজা খান রানা মহানগর দক্ষিণের শীর্ষ পদ পেতে চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর শাহজানপুরের ১১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি কাওছার হত্যার মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি এই দুইজন।

এদিকে নতুন কমিটিতে করা ঠাঁই পাচ্ছে তা নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। এখনো পরিস্কার হয়নি নেতৃত্বের বয়সের সীমারেখা। আলোচনায় আছেন বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য, সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতাদের নাম।

আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, সাংগঠনিক নেত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে ঘোষণা হতে পারে যুবলীগের নতুন কমিটি। একইদিন ঘোষণা করা হবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাদের নাম।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০১৯ এর সবচেয়ে আলোচিত রোগ ডেঙ্গু (ভিডিও)
চলতি বছরের সবচেয়ে আলোচিত রোগটির নাম ডেঙ্গু। অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে এটি জুন থেকে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিল। এখনো রয়েছে এর প্রাদুর্ভাব। এখনো প্রতিদিন রোগী ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে। আতঙ্ক থাকবে আগামী বছরেও। এ বছর ডেঙ্গুর জীবাণুবাহক এডিস মশার বিস্তার দেশের প্রায় সব জায়গায় ঘটেছে। ফলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা এখন থেকে সারা বছরই কমবেশি ডেঙ্গু থাকবে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তারা অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা নির্মূলে সব সময় তৎপর থাকবেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০০০ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ব্যাপকভাবে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। তাদের তথ্য মতে ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট ৫০ হাজার ১৪৮ জনের ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন। এর বিপরীতে শুধু চলতি বছরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশনস অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী ২০১৯ সালের শুরু থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৭৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের সংরক্ষিত তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে মাসে ১৯৩, জুনে ১ হাজার ৮৮৪, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩, আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬, সেপ্টেম্বরে ১৬ হাজার ৮৫৬, অক্টোবরে ৮ হাজার ১৪৩ এবং নভেম্বর মাসে ৪ হাজার ১১ জন ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা নিয়েছেন। আর ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮১৬ জন। এতে দেখা গেছে, চলতি বছরের মে মাস থেকেই ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে জুন ও জুলাইয়ে ক্রমশ তীব্র হয়ে আগস্টে রোগটি মারাত্মক রূপ নেয়। এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. শরীফ আহমেদ বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহক এডিস মশার বিস্তাররোধে ভবিষ্যতে সব সময় তৎপর থাকবেন তারা। এজে
২০১৯ এর সবচেয়ে আলোচিত রোগ ডেঙ্গু (ভিডিও)
ভৈরবে যত্রতত্র ক্লিনিক, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ (ভিডিও)
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যত্রতত্র ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। এসব ক্লিনিকের বেশির ভাগেরই আবার বৈধ কাগজপত্র এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। ফলে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাত্র ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অর্ধশতাধিক ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চক্ষু হাসপাতাল ও দন্ত চিকিৎসালয় গড়ে উঠেছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত নার্সের অভাব রয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ করেছেন এখানকার মানুষেরা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। এদিকে শহরে এসব ব্যক্তি মালিকানাধীন চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়লেও চিকিৎসা সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট নন রোগীরা। অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার কবলে পড়ে রোগীদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এছাড়াও এসব প্রতিষ্ঠানে রোগ নির্ণয় করার জন্য প্রশিক্ষিত প্যাথলজিস্ট ও টেকনোলজিস্ট নেই। আবার অনেকের অভিযোগ ডাক্তার ও নার্সের অজ্ঞতা এবং ভুল চিকিৎসার কারণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। তবে ভৈরব বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান বলেন, মফস্বলে কাজ করতে যেয়ে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সীমাবদ্ধতাগুলোর সমাধান পর্যায়ক্রমে করা হবে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. বুলবুল আহমেদ বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর নানা অসঙ্গতি এবং অনিয়মের বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এজে  
ভৈরবে যত্রতত্র ক্লিনিক, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ (ভিডিও)
চিকিৎসকের পদ ১৬, আছেন ২ জন (ভিডিও)
বাগেরহাটের মোল্লাহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এখানকার মানুষেরা। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে দিন দিন হাসপাতালটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৬ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও সেখানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র দু’জন চিকিৎসক। ফলে সেবাপ্রার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। বাগেরহাটের মোল্লাহাটের সাতটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার জন্য ১৯৬৫ সালে যাত্রা শুরু করে এই হাসপাতালটি।  পরে ১৯৮৬ সালে এটি ৩১ শয্যায় উন্নীত হয়। আর এখানকার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নত করা হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি হাসপাতালটিতে আসন সংখ্যা বাড়লেও  সেবার মান বাড়েনি। বরং সেটি দিনকে দিন তলানির দিকে যাচ্ছে। ফলে এখানে সেবা নিতে এসে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন রোগীরা। এছাড়াও নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকে ময়লা আবর্জনা। এদিকে চিকিৎসক সংকটের কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, হাসপাতালের সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তিনি। এজে/এসএস
চিকিৎসকের পদ ১৬, আছেন ২ জন (ভিডিও)
লাখো পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার (ভিডিও)
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এখন লাখো পর্যটকে মুখরিত। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শীতকালীন ছুটির পাশাপাশি ভ্রমণ পিপাসুদের উপযুক্ত সময় হওয়াতে সৈকতে আনন্দ উপভোগে কমতি নেই পর্যটকদের। আর তাদের নিরাপত্তায় সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। নগর জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে সাগরের নীল জলরাশিতে অবিরত ঢেউয়ের মাঝে বাঁধভাঙা আনন্দে মেতেছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও ইনানী সমুদ্র সৈকত, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ মন্দিরেও পর্যটকে মুখরিত। কক্সবাজারের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস আর কটেজগুলোতে পর্যটকে পরিপূর্ণ। তবে হোটেলগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন অনেক পর্যটক। এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকেও সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে নিরাপত্তা দিতে পুলিশের পাশাপাশি ৩টি বেসরকারি লাইফ গার্ড সংস্থার অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া খাবারের মান নিয়ন্ত্রণসহ কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিচগার্ড কর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানান তিনি। এজে/পি
লাখো পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার (ভিডিও)
খাদ্যাভাবে বনবিহারের হাজারেরও বেশি বানর (ভিডিও)
রাঙামাটি শহরের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান রাজ বনবিহার এলাকায় হাজারেরও বেশি বানর সঠিক সংরক্ষণ ও খাদ্যাভাবে রয়েছে। খাবারের অভাবে বানরগুলো বিহার এলাকায় পরিদর্শনে আসা মানুষের নিকট থেকে খাবার কেড়ে খায়। স্থানীয়রা জানান, রাঙামাটিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান রাজবন বিহারের আশপাশে বিচরণ করে শত শত বানর। পর্যটকদের আনন্দ দেয়া এই বানরগুলো রয়েছে খাবার কষ্টে। খাদ্য চাহিদা পূরণে কোনও ধরণের পদক্ষেপ নিচ্ছে না বনবিভাগ। এদিকে রাঙামাটি রাজ বনবিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান বলেন, বানর সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণের চিন্তা ভাবনা চলছে। তবে রাঙামাটি বন সংরক্ষক কর্মকর্তা মো. ছানাউল্ল্যাহ পাটওয়ারী বলেন, বানরগুলো যেখানে আছে সেখানেই নিরাপদ রয়েছে। বানরের সংরক্ষণ করা গেলে জীব-বৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও স্থানটি আরও দর্শনীয় হয়ে উঠবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এজে/এসএস
খাদ্যাভাবে বনবিহারের হাজারেরও বেশি বানর (ভিডিও)
আরও পড়ুন
জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করতে হবে: আব্দুর রহমান
শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব: তাপস
সিটি নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক, মেনে নেবে আ. লীগ: কাদের