
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের অনুশীলন ক্যাম্প শুরু হয়েছে গত ২৭ অক্টোবর। বেশ কদিন অনুশীলনের পর দুই দলে ভাগ করে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনের ম্যাচ।
‘এ’ দলের নেতৃত্বে আফিফ হোসেন দ্রুব আর ‘বি’ দলের নেতৃত্বে ছিলেন নাঈম শেখ। সোমবার প্রথম দিনে ব্যাট করে ‘এ’ দল।
আজ দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে ‘বি’ দলের দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও পারভেজ হোসেন ইমন তোলেন ৭৭ রান। ইমনের ৩৫ রানের বিদায়ে ভাঙে জুটি। ৯৯ বলে নাঈম শেখ তুলে নেন অর্ধশতক। তবে ৮৩ রান তুলে থামেন মাহমুদুল হাসান জয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে।
নাঈম ছাড়াও অর্ধশতকের ইনিংস খেলেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। তার ব্যাটে আসে ৮৪ বলে ৫৮ রান। এছাড়া তৌহিদ রিদয় খেলেন ৩৫ রানের ইনিংস।
দিন শেষে ৮০ ওভারে ‘বি’ দলের সংগ্রহ হয় সব উইকেট হারিয়ে ২৬৬ রান। ‘এ’ দলের হয়ে হাসান মুরাদ ও সুমন খান নেন ৪টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন শফিকুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান।
প্রথম দিনে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও শাহাদাৎ হোসেন তোলেন ৫৫ রান। তানজিদ ৩৫ রানে এলবিডব্লু হয়ে সাজঘরে ফেরেন রেজাউর রহমান রাজার বলে।
এরপর মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে জুটি গড়ে অর্ধশতক তুলে নেন শাহাদাৎ। জয় ৩০ রানে বিদায় নিলেও আফিফ হোসেন ও পরে আকবর আলীর সঙ্গে জুটি গড়ে পৌঁছে যান শতকের দ্বারপ্রান্তে।
কিন্তু দুর্ভাগ্য! নোমান চৌধুরীর বলে রিশাদের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৯৪ রান করে।
এরপর খানিকটা ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করেন আকবর আর শামিম পাটওয়ারি। মাত্র ৪৬ বলে ৬৭ রান তুলে শাহিন আলমের বলে বিদায় নেন শামিম।
১৩৭ বলে আকবর তুলে নেন শতক। তার ইনিংস লম্বা হয় ১৩৬ (১৬১) রান পর্যন্ত। ২২০ মিনিট উইকেটে থেকে ২০ চার আর ২ ছয়ে করেন এই রান।
‘বি’ দলের হয়ে শরিফুল, রেজাউর ও শাহিন নেন ২টি করে উইকেট। ১টি উইকেট নেন সাগর।
এমআর




