
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় এভারটনের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ছিল ম্যানচেস্টার সিটির। শেষ মুহূর্তে সিটেজেনদের পক্ষ থেকে জানানো হয় দলের একাধিক ফুটবলার ও স্টাফ করোনাভাইরাস পজেটিভ হওয়ায় মাঠে আসতে পারছে না। তা প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষও ম্যাচটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ায় বিস্তারিত তথ্য চায় এভারটন ফুটবল ক্লাব।
বড় দিনে ম্যানসিটি জানায় গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও কাইল ওয়াকার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সঙ্গে সংক্রমিত হয়েছেন দুইজন স্টাফও। যদিও পরদিন বক্সিং ডে ম্যাচে নিউক্যাসেলের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। এমনকি ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ২-০তে জয়ও তুলে নিয়েছিল তারা।
সোমবারের ম্যাচে এভারটনের মাঠ গডিসন পার্কে খেলতে আসার কথা ছিল। লিভারপুল শহরের বিখ্যাত মার্সেসাইড ফুটবল ভক্তরাও জড়ো হচ্ছিলেন স্টেডিয়ামে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেলা স্থগিত হওয়ার সিদ্ধান্ত আসে।
এক বিবৃতিতে এভারটন জানিয়েছে, ‘এই ম্যাচটি স্থগিত হওয়ায় আমরা হতাশ। মাঠে আসা শুধু ২ হাজার সমর্থকদের জন্যই নয়। মার্সেসাইড ও বিশ্বের নানা স্থানে থাকা সমর্থকদের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।
আমাদের খেলোয়াড় ও স্টাফরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছিল। ক্যালেন্ডারের জন্য ম্যাচ ডে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এটি ছিল বড় একটি ম্যাচ।’
ইংলিশ লিগের নিয়ম অনুযায়ী, কমপক্ষে ১৪ জন খেলোয়াড় ফিট থাকলেই খেলতে নামতে হবে। যদিও ম্যানসিটির কয়জন খেলোয়াড় কোভিডে আক্রান্ত সেই বিষয়টি এখনও অস্পষ্টই রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এভারটন সব সময় জন নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেয়। তাই আমরা চাচ্ছি প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষকে ম্যানচেস্টার সিটির পক্ষ থেকে দেয়া আবেদন পত্রটি নিয়ে বিস্তারিত জানতে। এতে কেনো ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত এলো, সেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’
চলতি মাসের শুরুতে নিউক্যাসেল বনাম অ্যাস্টন ভিলার ম্যাচটি স্থগিত হয়। যা ছিল মৌসুমের প্রথম স্থগিত ম্যাচ।
ওয়াই




