
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জমজমাট আসর পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে। আসন্ন এই টুর্নামেন্টের নবম আসরকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ক্রিকেটারদের নিলাম।
পিএসএলের আসন্ন আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফটে নাম দিয়েছিলেন ২২ বাংলাদেশি ক্রিকেটার। জাতীয় দলকে সময় দিতে শেষ মুহূর্তে নিজের নাম সরিয়ে নেন সাকিব আল হাসান। তবে বাকি ২১ ক্রিকেটারের কেউই দল পাননি।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) লাহোরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় পিএসএলের নিলাম। নিলাম শেষে ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল নিজেদের স্কোয়াড চূড়ান্ত করেছে। তবে এবারের আসরে কোনো বাংলাদেশিকে নেয়নি কোনো দল।
ব্যস্ত সূচির কারণে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের পক্ষেই পিএসএলের পুরো আসর খেলা সম্ভব হতো না। বিপিএল এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট একই সময় থাকায় বাংলাদেশি কোনো ক্রিকেটার দল পেলেও তাকে পুরো সময়ের জন্য পেতো না ফ্র্যাঞ্চাইজি।
আর এটিই বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পিএসএলে দল না পাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে শুরু হবে পিএসএল, যা শেষ হবে ১৯ মার্চ। প্রায় একই সময় মাঠে গড়াবে বিপিএলও। ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিপিএল শেষ হবে ১লা মার্চ।
বিপিএল শেষ হওয়ার পরও ১৮ দিন চলবে পিএসএল। সে সময় ক্রিকেটারদের পিএসএল খেলার সুযোগ থাকলেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ থাকায় সেটিও প্রায় অসম্ভবই। কেননা মার্চের প্রথম সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে লঙ্কানরা।
যে কারণে বিপিএলের পর বেশিরভাগ ক্রিকেটার ব্যস্ত থাকবেন লঙ্কানদের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে। তাতে করে পিএসএলে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ নেই বাংলাদেশের বেশিরভাগ ক্রিকেটারের। যার কারণে পিএসএলে লম্বা সময়ের জন্য কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারকেই পেতো না ফ্র্যাঞ্চাইজি। আর এ কারণে টাইগার ক্রিকেটারদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি পিএসএলের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি।




