
১৯তম ওয়ানডেতে গিয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবার তাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ বিশ্বকাপে কিউইদের মাটিতে স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছিল সাকিব-তামিমরা। সেই হিসেবে নিউজিল্যান্ডে এটি বাংলাদেশের ২০তম ম্যাচ। ঐতিহাসিক এই জয়ের ম্যাচে আরও কিছু রেকর্ড দেখা গেছে...
২
ঘরের মাঠে দ্বিতীয়বার টাইগারদের বিপক্ষে কোনো ইনিংসে অলআউট হয়েছে ব্ল্যাক-ক্যাপসরা। এর আগে, ২০১৬ সালে নেলসনে ২৫১ রানে গুটিয়ে গেলেও ৬৭ রানের ব্যবধানে জিতেছিল কিউইরা।
৩
তৃতীয়বারের মতো ১০০-এর নিচে প্রতিপক্ষকে অল-আউট করলো বাংলাদেশ। এর আগে, ২০০৯ সালে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়েকে ৪৪ এবং ২০১১ সালে চট্টগ্রামেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬১ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল লাল-সবুজেরা।
৬
টাইগারদের ভারপ্রাপ্ত দলপতি শান্তর ৮ রানের আক্ষেপের দিনে কিউইদের ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে এক পঞ্জিকাবর্ষে ১ হাজার রান পূর্ণ করেছেন উইল ইয়াং। এর আগে, নিউজিল্যান্ডের হয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে ১ হাজার রানের কীর্তি গড়েছেন, রজার টুজ (২০০০), মার্টিন গাপটিল, রস টেলর ও কেইন উইলিয়ামসন (২০১৫) ও ড্যারিল মিচেলের (২০২৩)।
১০
দ্বিতীয়বার কোনো ওয়ানডেতে সবকটি উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। এই ম্যাচে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন তানজিম হাসান, শরীফুল ইসলাম ও সৌম্য সরকার। এ ছাড়া দ্য ফিজের শিকার একটি উইকেট। এই বছরের মার্চে সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ (৫), তাসকিন আহমেদ (৩) ও ইবাদত হোসেন (২)।
৫০
১৪তম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ৫০ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল। সবমিলিয়ে লাল-সবুজের জার্সিতে তৃতীয় দ্রুততম (৩৩ ম্যাচ) তিনি। এর আগে, ২৭ ম্যাচে মোস্তাফিজ এবং ৩২ ম্যাচে আবদুর রাজ্জাক এই রেকর্ডে নাম তুলেছিলেন।
৯৮
বাংলাদেশের বিপক্ষে অল-আউট হয়ে যাওয়া ম্যাচে কিউইদের সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে, ২০১৩ সালে মিরপুরে ১৬২ ছিল সর্বনিম্ন স্কোর। সব মিলিয়ে দেশের মাটিতে চতুর্থ এবং ওয়ানডেতে নবমবার ১০০-এর নিচে অলআউট হলো নিউজিল্যান্ড।
২০৯
বল বাকি রেখেই কিউইদের হারিয়েছে শান্ত বাহিনী। ওয়ানডেতে যেটি তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ।
৯৯২
এই ম্যাচে ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল হোসেন। তবে ৮ রানের আক্ষেপ থাকলো তার। ২০২৩ সালে ওয়ানডেতে ৯৯২ রানেই থামলেন তিনি। শাহরিয়ার নাফীসের (২০০৬) পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এক পঞ্জিকাবর্ষে ১ হাজার রানের রেকর্ডে নাম তোলা হলো না তার। তবে এক পঞ্জিকাবর্ষে কমপক্ষে ৮০০ রান করা ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গড় তার। শান্তর ৪১ দশমিক ৩৩। আর নাফীসের ছিল শান্তর ৪১ দশমিক ৩২।




