ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাফল্য-ব্যর্থতায় মোড়ানো বাংলাদেশের ক্রিকেট

মোহাম্মদ রনি খাঁ

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:২৩ এএম
ছবি- সংগৃহীত

২০২৩ সালে সাফল্য-ব্যর্থতায় মোড়ানো এক বছর পার করেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। কি ছিল না এই বছরে! বছরের শেষ দিকে নিউজিল্যান্ডের মাঠে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জয়ের নজির গড়েছে টাইগাররা। পাশাপাশি হোম ভেন্যুতে প্রথমবারের মতো কিউইদের টেস্টে হারিয়েছে লাল-সবুজেরা।

চলতি বছর সাফল্যে রাঙানোর সুবর্ণ সুযোগও হাতছাড়া করে শান্তরা। ওয়ানডে বিশ্বকাপে শোচনীয় ব্যর্থতা হতাশ করেছে টাইগার সমর্থকদের। বিশ্বকাপে মাত্র দুটি ম্যাচে জিতেছে লাল-সবুজেরা। এতে অষ্টম স্থানে থেকে বৈশ্বিক আসর শেষ করে কোন মতে, ২০২৫ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে সাকিব-লিটনরা।

বছর জুড়ে সাফল্যের নানান পালক ধরা দিলেও বিশ্বকাপের আগে টক অব দ্য কান্ট্রিতে রূপ নেওয়া দুই তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবালের মধ্যকার অলিখিত দ্বন্দ্ব ক্রিকেটকে অনেকটাই লজ্জায় ফেলেছে। তবে পরের বছরে পজিটিভ ইমেজ ধরে রাখতে পারবে তো বাংলাদেশ- এমন জিজ্ঞাসা নিয়েই শুরু হচ্ছে ২০২৪ সালে টাইগারদের পথচলা।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ : ২০২৩ সালে টেস্টে সোনার হরফে লিখে রাখার মতো সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই জিতেছে লাল-সবুজেরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সাফল্য হোম ভেন্যুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়। এ ছাড়া আয়ারল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারানোর পর আফগানিস্তানকে ৫৪৬ রানের বড় ব্যবধানে হারায় টাইগাররা। আফগানদের বিপক্ষে জয় টেস্ট ইতিহাসে তৃতীয় বড় এবং যেকোনো দলের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় জয়। এই ম্যাচে মুমিনুল হকের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর সিলেটে কিউইদের ১৫০ রানে হারায় লাল-সবুজেরা। এতে চলতি বছরে টেস্টে অপরাজিত থাকার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মিরপুরে নিজেদের পাতানো ফাঁদে পড়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবার টেস্ট সিরিজ জয়ের সুযোগ নষ্ট করে স্বাগতিকরা।

ওয়ানডে গর্ব ধূলিসাৎ : ২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ঘরের মাঠে ওয়ানডে ফরম্যাটে মাত্র একটি সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। এতে হোম ভেন্যুকে নিজেদের দুর্গে পরিণত করেছিল লাল-সবুজেরা। তবে চলতি বছরে সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়। ফলে কলঙ্কিত হয় ওয়ানডেতে গর্ব করার মত সাফল্য। হোম ভেন্যুতে ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে সিরিজ হারের লজ্জা পায় সাকিব বাহিনী। মন্থর উইকেট বানিয়েও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে পারেনি লাল-সবুজেরা। এর মধ্যে দুঃস্বপ্নের বিশ্বকাপ অভিযান ছিল বাংলাদেশের। তবে হতাশাজনক বছরের শেষ দিকে নিউজিল্যান্ডের মতো কঠিন কন্ডিশনে জয়ের দেখা পেয়েছে লাল-সবুজেরা। মাত্র ৯৮ রানে গুটিয়ে প্রথমবার ব্ল্যাক-ক্যাপসদের আঙিনায় ওয়ানডে ম্যাচ জিতে টাইগাররা। সব মিলিয়ে ২০২৩ সালে ৩২ ওয়ানডেতে ১১ জয়ের বিপরীতে ১৮টিতে হার দেখেছে লাল-সবুজেরা। এ ছাড়া পরিত্যক্ত হয় বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আধিপত্য : সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর চলতি বছরে এই ফরম্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ৫০ ওভারের সংস্করণের ন্যায় এই ফরম্যাটেও দাপট দেখায় সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন লাল-সবুজ শিবির। চলতি বছরে ৭ ম্যাচ খেলে (চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজ ছাড়া) ৬ জয়ের বিপরীতে মাত্র একটিতে হেরেছে টাইগাররা। এর মধ্যে হোম ভেন্যুতে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস রচনা করে বাংলাদেশ। এরপর আয়ারল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে ও আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করে টাইগাররা।

তামিমের অবসর-অধিনায়কত্ব : আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তামিম ইকবাল। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে ২৮ ঘণ্টার মধ্যে অবসরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন চট্টগ্রামের এই ক্রিকেটার। সে সময়ে গুঞ্জন উঠে, প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরেছিল তামিমের। এমনকি সাকিবের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়েও নানান প্রশ্ন উঠে আসে। এরপর রহস্যময় ইনজুরি নিয়ে উদ্বেগ থাকায় ওয়ানডেতে অধিনায়কত্ব ছাড়েন তামিম।

তামিম-সাকিব বৈরী সম্পর্ক : চলতি বছরে সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মধ্যকার অনাকাঙ্ক্ষিত দ্বন্দ্ব। ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় তামিম দাবি করেন, চারপাশের কিছু ব্যক্তির নোংরা আচরণে ক্লান্ত তিনি। পাশাপাশি ইনজুরি নিয়ে উদ্বেগ থাকায় বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। তামিমের এই বার্তার কয়েক ঘণ্টা পর দেশের এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তামিমের শিশুসুলভ আচরণের জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাকিব। এতে অনেকেই ধারণা করেন, এই বিবাদের কারণে বৈশ্বিক ইভেন্টে বাংলাদেশের ভরাডুবি হয়েছে।

এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক : চীনের হাংজুতে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্যে পাড়ি জমালেও বাংলাদেশকে ব্রোঞ্জ পদকেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এই টুর্নামেন্টে জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটারদের নিয়ে স্কোয়াড সাজানোর কারণে প্রত্যাশা আরও বেশি ছিল। গ্রুপ পর্বে সহযোগী দেশগুলোর বিপক্ষে সব ম্যাচেই জয় পেয়েছিল লাল-সবুজেরা। কিন্তু সেমির পরীক্ষায় ভারতের কাছে ৯ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ। এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতে লাল-সবুজ শিবির।

অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এশিয়া কাপ শিরোপা : অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। ফাইনালে ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ১৯৫ রানের বিশাল ব্যবধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারায় টাইগার যুবারা। শিরোপা জয়ের পথে প্রথমবার ভারত ও শ্রীলংকাকে হারায় লাল-সবুজেরা। দুটি করে সেঞ্চুরি ও হাফ-সেঞ্চুরিতে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৩৭৮ রান করেন শিবলি। অন্যদিকে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মিশ্র সাফল্য ছিল টাইগার যুবাদের।

বছরজুড়ে আলো ছড়িয়েছে টাইগ্রেসরা : ২০২৩ সালে দারুণ একটি বছর পার করেছে বাংলাদেশ নারী দল। ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে শক্তিশালী ভারতের সঙ্গে ড্রয়ে (১-১) নিজেদের শক্তির জানান দেয় টাইগ্রেসরা। ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারলেও এক ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জিতে লাল-সবুজের বাঘিনীরা। পরবর্তীতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় জ্যোতি-পিংকিরা। এরপর প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডেতে জয়ের স্বাদ পায় তারা। টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করলেও ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজে হারে বাঘিনীরা। সব মিলিয়ে নারী ক্রিকেটারদের জন্য স্মরণীয় বছরই ছিল।

দুর্দান্ত পিংকি, অসাধারণ শান্ত : চোটাক্রান্ত সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। টপ-অর্ডার এই ব্যাটারের নৈপুণ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাফল্যের পর তাকেই ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান অনেকেই। এ ছাড়া পুরো বছরজুড়েই দুর্দান্ত ফর্মে তিনি। ওয়ানডে ও টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বাঁ-হাতি এই ব্যাটার। টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও শান্ত। টেস্টে তিন সেঞ্চুরিতে ৪৪০ রান করেছেন তিনি। অল্পের জন্য ওয়ানডে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি শান্ত। দুই সেঞ্চুরি ও ৮ হাফ-সেঞ্চুরিতে ৯৯২ রান করেছেন ভারপ্রাপ্ত এই দলপতি।

প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ব্যাটারদের তালিকায় আইসিসির ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ ২০-এ জায়গা করে নেন ফারজানা হক পিংকি। আইসিসির সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ১৩তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে ১০৭ রানের ইনিংসের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রেকর্ডগড়া ইনিংসে ১০২ রান করেন তিনি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আনচেলত্তির ইউটার্ন, ব্রাজিলের কোচ হওয়ার দৌড়ে যারা 
ব্রাজিল ভক্তদের জন্য গেল বছরটা কিছুটা দুর্ভাগ্যেরই বলা চলে। অবশ্য ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হারার পর থেকেই অবশ্য তাদের এমন দুরাবস্থা চলছে। কোচ তিতের বিদায়ের পর নতুন বছরেও আসেনি কোনো বড় পরিবর্তন। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঘরের মাঠে বাজে পারফরম্যান্স আর নেইমারের বড় ইনজুরি।  বছরের শেষদিকে এসে ফিফার কাছ থেকে নিষেধাজ্ঞার হুমকিও পেয়েছে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ)। দেশটির রিও ডে জেনিরোর এক আদালত ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি এদনালদো রদ্রিগেজকে সরে যাওয়ার আদেশ দেওয়ার পর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে শুরু হয়েছে জটিলতা। এরপরেই কার্লো আনচেলত্তিকে ব্রাজিলের ডাগআউটে দেখা নিয়ে শঙ্কা শুরু হয়। কারণ এদনালদোই আনচেলত্তিকে ব্রাজিলে আনার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন।  এদিকে বর্তমান ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের সাথে চুক্তি নবায়ন করেছেন আনচেলত্তি। স্বাভাবিকভাবেই নতুন বিকল্প খোঁজার দিকে মন দিতে হচ্ছে সিবিএফকে। আর এই তালিকায় আছেন বিশ্বকাপ জেতানো কোচ লুই ফিলিপ স্কোলারির নামটাও। তবে স্কোলারি ছাড়াও নাম আছে আরও কিছু কোচের। যাদের প্রত্যেকেই ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগে বেশ পরিচিত মুখ। আর ব্রাজিলের নিজস্ব ধারার খেলার সঙ্গেও বেশ অভ্যস্ত তারা।  ১. লুই ফিলিপ স্কোলারি : ব্রাজিলের কোচের দৌড়ে শেষ দুই দিনে বারবার উঠে এসেছে স্কোলারির নাম। ব্রাজিল যে সবশেষ ২০০২ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল, সেটি এসেছিল তার হাত ধরেই। এমনকি ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে তার নেতৃত্বেই ব্রাজিল বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল। সেবার সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয় পর্তুগিজ এই মাস্টারমাইন্ডকে।  এ ছাড়া ব্রাজিলিয়ান ঘরোয়া লিগ সিরি আ জিতেছেন দুবার। পালমেইরাসে দুর্দান্ত আবেল ফেরেইরা দেশটিতে বেশ জনপ্রিয়। তাকেই কোচের পদে আগ্রহী বেশিরভাগ ব্রাজিলিয়ান।  ৩. হোর্হে জেসুস : ৬৯ বছর বয়সী কোচ হোর্হে জেসুস। ফুটবল নিয়ে ধারণা থাকলে লম্বা চুলের এই কোচকে চেনার কথা। বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলালের দায়িত্বে আছেন জেসুস। তারই অধীনে খেলছেন নেইমার। ২০১৯ সালে ফ্লামেঙ্গো কোচ হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন জেসুস। কোপা লিবার্তোদোরেস জয়ের পাশাপাশি ইতিহাস গড়ে ফ্লামেঙ্গোকে জিতিয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ।  অবশ্য ব্রাজিল জাতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দিনিজ এখনো বলার মতো সাফল্য পাননি। টানা চার ম্যাচ জয়শূন্য আছেন। শতকরা হিসেবে জয় ৪০ শতাংশের নিচে। তবে ব্রাজিল জাতীয় দলের খেলোয়াড়েরা দিনিজকে পছন্দ করেন। যার কারণে শেষ পর্যন্ত দিনিজই টিকে থাকতে পারেন ব্রাজিলের কোচ হয়ে। 
আনচেলত্তির ইউটার্ন, ব্রাজিলের কোচ হওয়ার দৌড়ে যারা 
২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
বিশ্ব ক্রিকেটে ২০২৩ সালে ব্যস্ত সময় পার করেছে বাংলাদেশ দল। এবারের মতো ২০২৪ সালেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত সময় পার করবে তারা। নতুন বছরে ৪০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এর মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।   আইসিসির এফটিপি (ফিউচার ট্যুর প্ল্যান) অনুযায়ী, ২০২৪ সালে রেকর্ড ১৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এক বছরে এর চেয়ে বেশি টেস্ট এর আগে খেলার সুযোগ হয়নি টাইগারদের। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলবে শুধু ইংল্যান্ড (১৭) ও ভারত (১৫)।   নতুন বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা শুরু হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) দিয়ে। বিপিএল শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সফরে আসার কথা শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের। ফেব্রুয়ারি-মার্চে লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন ফরম্যাটের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে ও ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠের এই সিরিজে রোডেশিয়ানদের বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পাশাপাশি আছে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজও। তবে তাদের বিপক্ষে কোনো ওয়ানডে ম্যাচ থাকছে না। তারপরই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। আগামী জুনে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে বসতে যাওয়া এই আসরে আগেই জায়গা নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। মূলত র‍্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে সরাসরি এই মেগা আসরে অংশ নিচ্ছে টাইগাররা। বিশ্বকাপ শেষে জুলাই-আগস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সমান ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। পাশাপাশি আফগানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজও খেলবে টাইগাররা। এ সিরিজটি হতে পারে আরব আমিরাতে। আফগানিস্তানের হোম ভেন্যু হিসেবে আপাতত সেখানেই ম্যাচ খেলে তারা। আফগানিস্তানের পর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। আগস্ট সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে টাইগাররা। পাকিস্তানের মাটিতে শুধুমাত্র ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজ হওয়ার কথা রয়েছে। কোনো ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি নেই।  পাকিস্তান সফর শেষে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভারত সফর করবে বাংলাদেশ। এ সফরে দুই ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজের পাশাপাশি ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও খেলবে টাইগাররা। তবে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নেই। অক্টোবর-নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাঠের এই সিরিজে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শুধুমাত্র ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। সীমিত ওভারের কোনো ম্যাচ নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করবে বাংলাদেশ। এ সফরে সমান ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। তাছাড়া ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজও আছে।
২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
এই তরুণ দলটার কোনো ভয় নেই : হাথুরুসিংহে
ওয়ানডে সিরিজে মুশফিকুর রহিম ছাড়া এবার নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ দলটা তুলনামূলক তরুণই বলা যায়। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে এই দলই নিউজিল্যান্ডে প্রথমবার ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে জয় এনে দিয়েছে বাংলাদেশকে।  রোববার (৩১ ডিসেম্বর) মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভালে প্রথমবার সিরিজ জয়েরও সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। যদিও শেষ পর্যন্ত আশা জাগিয়েও সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে হেরেছে টাইগাররা। সিরিজ জিততে না পারার কিছুটা আক্ষেপ থাকলেও দলের পারফরম্যান্সে খুশি বাংলাদেশের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান এই কোচ বলেন, ‘সিরিজের শুরুতেই আমরা বলছিলাম আগে এখানে কী করেছি। আর আমরা তার চেয়ে ভালো করতে চাই। এদিক থেকে এটা খুব সফল একটা সফর।’ হাথুরু বলেন, ‘আমার মনে হয় ক্রিকেটারদের মানসিকতা, এই তরুণ দলটার কোনো ভয় নেই। তারা মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে, শান্তর নেতৃত্ব অসাধারণ ছিল। সে টেকটিক্যালি দারুণ ছিল। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বার্তায় সে খুব পরিষ্কার ছিল। তাদের কাছে কী চায়, স্পষ্ট করে বলেছে।’ বোর্ড নাজমুলের অধিনায়কত্ব নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাববে বলেও মনে করেন হাতুরাসিংহে, ‘আমার মনে হয় তারা (বোর্ড) বেশ ভালোভাবেই চিন্তা করবে। অবশ্যই এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। কিন্তু শান্ত যথেষ্ট প্রমাণ রেখেছে তাকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার।’
এই তরুণ দলটার কোনো ভয় নেই : হাথুরুসিংহে
অভিষেকেই নেতৃত্ব পেয়ে প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের ইতিহাস
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এখনও কোনো সংস্করণেই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি নীল ব্র্যান্ড। সেই ব্র্যান্ডই কিনা পেলেন টেস্ট অভিষেকে প্রোটিয়া দলের নেতৃত্ব! আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দল। কিউইদের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে দলকে নেতৃত্বে দেবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় এই অলরাউন্ডার!  আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি লিগ (এসএটি-২০)। যে কারণে দলের নিয়মিত তারকাদের ছাড়াই এই সফরে টেস্ট খেলতে নামবে সফরকারীরা। ফলে শুধু নেতৃত্বেই চমক নয়, বলতে গেলে আনকোরা এক স্কোয়াড নিয়েই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)।   শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য ১৪ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নতুন ও অনভিজ্ঞ মুখে ভরপুর এই স্কোয়াডে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন সাতজন। এই স্কোয়াডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হলেন ডুয়ান অলিভিয়ের। ২০১৭ সালে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ১৫টি টেস্ট খেলেছেন প্রোটিয়া এই পেসার।  দলের টেস্ট অভিষেকে যারা অধিনায়কত্ব করেছেন তাদের হিসেব থেকে বাদ দিলে গত ৫০ বছরে ব্র্যান্ড বাদে অভিষেকে টেস্ট অধিনায়কত্ব করার রেকর্ড আছে শুধু নিউজিল্যান্ডের লি জার্মনের। ১৯৯৫ সালে টেস্ট অভিষেকেই ভারতের বিপক্ষে কিউইদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এই উইকেটকিপার। ফলে এই সময়ে মাত্র দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট অভিষেকেই অধিনায়কত্ব করতে যাচ্ছেন নীল। টেস্ট ইতিহাসে ৩৪ জন খেলোয়াড় অভিষেকেই অধিনায়ক ছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জনের অভিষেকের দিনে তাদের দলেরও অভিষেক হয়েছিল। ব্যতিক্রম শুধু পাকিস্তানের অধিনায়ক আবদুল হাফিজ কারদারের বেলায়। পাকিস্তানের হয়ে অধিনায়কত্বের অভিষেকের আগেই ভারতের হয়ে টেস্ট খেলে ফেলেছেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে চলমান টেস্ট সিরিজের স্কোয়াডের মাত্র তিনজন আছেন দলে- কিগান পিটারসেন, ডেভিড বেডিংহ্যাম ও জুবাইর হামজা। এদের মধ্যে হামজা দলে এসেছেন ইনজুরিতে পড়া টেম্বা বাভুমার বদলি হিসেবে। তবে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ টি-টুয়েন্টির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় মূল দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকা। এসএ টি-টুয়েন্টির টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কারণে নিয়মিত অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা, এইডেন মার্করাম, ত্রিস্তান স্টাবস, কাইল ভেরেইনা, মার্কো ইয়ানসেন, উইয়ান মুল্ডার, জেরাল্ড কোয়েৎজি, টনি ডি জর্জি, নান্দ্রে বার্গার, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি ও কেশব মহারাজকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাচ্ছে না প্রোটিয়ারা। আর ডিন এলগার ভারত সিরিজের শেষ টেস্ট খেলেই জাতীয় দলকে বিদায় বলবেন। অভিষেকে নেতৃত্ব পাওয়া নিল ব্র্যান্ড অবশ্য ফার্স্ট ক্লাসে বেশ অভিজ্ঞ। ২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার এখন পর্যন্ত ৫১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬ শতক ও ২০ অর্ধশতকে ২৯০৬ রান করেছেন। গড় ৩৯.২৭। বল হাতেও ৩০.৮১ গড়ে ৭২ উইকেট শিকার করেছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি এই সিরিজ মাঠে গড়াবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে জয় দিয়ে শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বক্সিং ডে টেস্টে ভারতকে ইনিংস ও ৩২ রানে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে আছে তারা।  দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট স্কোয়াড : নীল ব্র্যান্ড (অধিনায়ক), ডেভিড বেডিংহ্যাম, রুয়ান দু সোয়াত, ক্লাইড ফোরটান, জুবাইর হামজা, টিশেপো মোরেকি, মিহালি এমপোংওয়ানা, ডুয়ান অলিভিয়ের, ডেন প্যাটারসন, কিগান পিটারসেন, ডেন পিট, রায়নার্ড ভন টন্ডার, শন ফন বার্গ, খায়া জন্ডো।
অভিষেকেই নেতৃত্ব পেয়ে প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের ইতিহাস
ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের অস্ট্রেলিয়া দল ঘোষণা
পাকিস্তান সিরিজের পর টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। পার্থ ও মেলবোর্ন টেস্টে ব্যাট হাতে ভালোভাবেই কাটিয়েছেন তিনি, দলও দুই ম্যাচে পেয়েছে জয়ের দেখা। এবার সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শেষবারের মতো ‘ব্যাগি গ্রীন’ ক্যাপ পরতে যাচ্ছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।  আগামী ৩ জানুয়ারি সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান। এই টেস্টের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। যদিও ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের স্কোয়াডে কোনো পরিবর্তন আনেনি ক্রিকেট বোর্ড। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে টেস্টকেই সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন অর্জন হিসেবে গণ্য করা হয়। আর এই মর্যাদাসম্পন্ন ক্যাপকে ওয়ার্নার বিদায় জানাতে প্রস্তুত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি, আমরা তার ঘরের মাঠ, সিডনিতে অসাধারণ ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচ উদযাপন করতে মুখিয়ে আছি। ইতোমধ্যে প্রথম দুই টেস্ট জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অজিরা। তবে মেলবোর্ন টেস্টে লড়াই করে হেরেছে পাকিস্তান। একটা সময় তাদের জেতার সুযোগ থাকলেও, অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বোলিং নৈপুণ্যে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার ১৩ সদস্যের দল : প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, উসমান খাজা, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, মিচেল মার্শ, ট্রাভিস হেড, নাথান লায়ন, মিচেল স্টার্ক, ক্যামেরুন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার), স্কট বোল্যান্ড, জস হ্যাজেলউড। 
ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের অস্ট্রেলিয়া দল ঘোষণা
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেই আজকের উন্নত বাংলাদেশ
ফেনীতে ১৬৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ, আটক ১
থার্টিফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তায় বিজিবির ডগ স্কোয়াড
রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন ফের পেছাল