ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের কাছে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:১৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের কাছে ৮৪ রানে হারল যুবারা
২১:৩৫, ২০ জানুয়ারি
৪৬তম ওভারে শেষ বলে মারুফ মৃধা বোল্ড হলে ১৬৭ রানে অলআউট হয় টাইগার যুবারা। এতে ৮৪ রানে জয় পায় ভারত। ফলে তার দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশ।

টাইগারদের উইকেট মিছিল
২১:২৮, ২০ জানুয়ারি
ফিফটি পূরণের পর পিচে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি শিহাব। ৭৭ বলে ৫৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই টাইগার ব্যাটার। এরপর উইকেট মিছিল শুরু করে রোহানত দৌল্লাহ বর্ষণ (০) ও ইকবাল হোসেন ইমন।

শিহাবের লড়াকু ফিফটি
২১:০৫, ২০ জানুয়ারি
আরিফুলের বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে আসেন মাহফুজুর রহমান রব্বি। মলিয়ার বলে ক্যাচ তুলে দেন এই টাইগার অধিনায়ক। ১১ বল খেলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৫ বলে ফিফটি তুলে নেন শিহাব জেমস।

ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন আরিফুল
২০:৪৫, ২০ জানুয়ারি
দলীয় ৫০ রানে চার উইকেট হারালে, টাইগার শিবিরে হাল ধরেন আরিফুল ইসলাম ও শিহাব জেমস। দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তবে ফিফটি পূরণ করতে পারেনি আরিফুল। ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

আমিনের বিদায়
১৯:৫৩, ২০ জানুয়ারি

টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে নিজের উইকেট রক্ষার করতে পারেনি আহার আমিনও। ১৫ বলে ৫ রান করে লেগ বিফোরে কাটা পড়েন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ফলে ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

থিতু হতে পারল না শিবলিও
১৯:১৪, ২০ জানুয়ারি

এদিন ব্যাট হাতে পিচে থিতু হতে পারেনি এশিয়া কাপে দুর্দান্ত ব্যাট করা আশিকুর রহমান শিবলি। শুরুতে দেখে শুনে খেললেও ৩৫ বলে ১৪ রান পান্ডের বলে বোল্ড আউট হন তিনি।

জিসানের পর রিজওয়ানের বিদায়
১৯:০২, ২০ জানুয়ারি
জিসানের বিদায়ের পর এদিন শূন্য হাতে ফেরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দলীয় ৩৯ রানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা।

১৪ রান করে ফিরল জিসান
১৮:৫৫, ২০ জানুয়ারি
জবাবে ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু করেছিল দুই টারগার ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি ও জিসান আলম। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি জিসান। ১৭ বলে ১৪ রান করে আউট হন তিনি।

বাংলাদেশকে ২৫২ রানের লক্ষ্য দিলো ভারত

১৭:৪৫, জানুয়ারি ২০

শুরুটা নড়বড়ে হলেও ওপেনার আরশান ও সাহারানের জুটিতে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রান তুলেছে ভারতীয় শিবির। লাল-সবুজের হয়ে মারুফ মৃধার শিকার ৫ উইকেট।

মারুফ মৃধার চতুর্থ শিকার

১৭:৩২, জানুয়ারি ২০

অবীনেশ আউট হলে, ৪২ বলে ২৩ রান করে তাকে সঙ্গ দেন মলিয়া। এবারও মারুফের বলে বোকা ধরা পড়েন এই ভারতীয় ব্যাটার। সেই সঙ্গে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন মারুফ।

মারুফ মৃধার তৃতীয় শিকার

১৭:১৫, জানুয়ারি ২০

সাহারানের বিদায়ের পর প্রিয়ানশু মলিয়াকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন আরেভেলি অবনীশ। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি অবনীশও। ১৭ বলে ২৩ করে মারুফ মৃধার বলে ক্যাচ আউট হন তিনি।

ফিরলেন সাহারানেও

১৬:১৫, জানুয়ারি ২০

ওপেনার আরশাদকে যোগ সঙ্গ দিয়ে দলের রানের চাকা সচল রেখেছিলেন সাহারান। তবে হাফ-সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়লেন টপ-অর্ডার এই ব্যাটার। ইনিংসের ৩৯তম ওভারে রাব্বির বলে বর্ষণের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৪ বাউন্ডারিতে ৬৪ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই ব্যাটার।

ফিরলেন আরশাদ

১৬:১৫, জানুয়ারি ২০

একপ্রান্ত আগলে রেখে দলীয় রানের চাকা সচল রেখেছিলেন ভারতীয় ওপেনার আরশাদ। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নিজের ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরিও তুলেন নেন তিনি। লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের জন্য ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন এই ওপেনার। তবে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ইনিংসের ১৫০ পেরিয়ে যাওয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। ব্যক্তিগত ৭৬ রানে রিজওয়ানের বলে বর্ষণের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ওপেনার।

সাহারানের হাফ-সেঞ্চুরি

১৬:১৫, জানুয়ারি ২০

আরশাদের পর নিজের ব্যক্তিগত ৫০ রান পূর্ণ করেছেন সাহারানে। ৪ বাউন্ডারিতে ৬৯ বলে ফিফটি করেছেন তিনি।

১০০ পার ভারতের

১৫:৫০, জানুয়ারি ২০

৩০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা ভারতকে টেনে নিচ্ছেন ওপেনার আরশাদ ও টপ-অর্ডার ব্যাটার সাহারানে। এই জুটিতেই দলীয় ১০০ পেরিয়েছে ভারত। একপ্রান্ত আগলে রেখে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন আরশাদ। তাকে যোগ সং দিচ্ছেন সাহারানে।

এই প্রতিবেদন প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৪ ওভার শেষ ভারতের সংগ্রহ ১১৭ রান। ৫৮ রানে আরশাদ এবং ৩৮ রানে সাহারানে ক্রিজে আছেন।

আরশাদ-সাহারানে লড়াইয়ে ভারত

১৫:২২, জানুয়ারি ২০

৩১ রানেই দুই উইকেট হারায় ভারত। এরপর সেখান থেকে দলকে টেনে নিচ্ছেন ওপেনার আরশাদ ও টপ-অর্ডার ব্যাটার সাহারানে। প্রথম পাওয়ার প্লেতে ৪৫ রান তুলে ভারত।

এই প্রতিবেদন প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৬ ওভার শেষ ভারতের সংগ্রহ ৭৩ রান। ৩৭ রানে আরশাদ এবং ২০ রানে সাহারানে ক্রিজে আছেন।

মারুফের জোড়া আঘাত

১৪:৫৫, জানুয়ারি ২০

মারুফ মৃধার আগুনে বোলিংয়ে ৮ ওভারের মধ্যেই জোড়া উইকেট হারিয়েছে যুব বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। কুরকার্নির পর মুশিরের উইকেটও তুলে নিয়েছেন তিনি। এতে ৩১ রানেই দুই উইকেট হারিয়েছে ভারত। শিবলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩ রানে ফিরেছেন ভারতীয় টপ-অর্ডার এই ব্যাটার।

ভারতীয় শিবিরে মারুফের আঘাত

১৪:৩৫, জানুয়ারি ২০

বিশ্বকাপে শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতে বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দাপট দেখিয়ে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই ভারতীয় ওপেনার আশিস কুলকারনির উইকেট তুলে নিয়েছেন মারুফ। শিবলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৭ বলে মাত্র ৭ রানে ফিরেছেন এই ওপেনার।

একাদশ

১৩:৩৯, জানুয়ারি ২০

বাংলাদেশ একাদশ- শিবলী, জিসান, রিজওয়ান, আরিফুল, আহরার, জেমস, মাহফুজুর, জীবন, বর্ষণ, এমন, মারুফ

ভারত একাদশ- আদর্শ, কুলকার্নি, সাহারান (সি), মুশির, ধস, মোলিয়া, অবনীশ (উক), অভিষেক, লিম্বানি, তিওয়ারি, পান্ডে

টস

১৩:৩৫, জানুয়ারি ২০

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ।

স্বাগতম

১৩:১৫, জানুয়ারি ২০

সবাইকে স্বাগতম আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কিছুক্ষণ পর মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টায় মাঠে নামবে টাইগার যুবারা।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম
এসএসসি পাসে নিয়োগ দেবে বিসিবি
ভারত যেন আমাদের অশান্তির কারণ হয়ে না দাঁড়ায়: জামায়াত আমির
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (৩১ ডিসেম্বর)