
ডিসেম্বরেই টাইগারদের কোচ হওয়ার জন্য বিসিবির কাছে সাক্ষাৎকার দিয়ে গিয়েছিলেন ফিল সিমন্স। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন তিনি ও রিচার্ড পাইবাস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার সিমন্স সেই সাক্ষাৎকারে ৪০ মিনিটেই তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশ দল নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের কথাতেই বোঝা গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের সাবেক কোচের এখানে জায়গা হচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে উঠতি দল আফগানিস্তান তাই সুযোগটা হারাতে চায়নি। তারা তাদের প্রধান কোচের পদে দায়িত্ব দিয়েছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তী সিমন্সকে। রোববার জাতীয় দলের নতুন হেড কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।
আগামী ৮ জানুয়ারি দুবাইয়ে মোহাম্মদ নবী-রশিদ খানদের দায়িত্ব নেবেন ৫৪ বছর বয়সী সাবেক এ ক্রিকেটার। তিনি প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন লালচাঁদ রাজপুতের খালি জায়গায়। মাস তিনেক হলো দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়েছে রাজপুতের। আর ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আফগানিস্তানের দায়িত্ব পেয়েছেন সিমন্স। ফেব্রুয়ারিতে শারজায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান। এ সিরিজ সামনে রেখে সিমন্স দুবাইয়ে যোগ দেবেন তার শিষ্যদের সঙ্গে।
সিমন্সকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি জানিয়ে আফগানিস্তান বোর্ডের প্রধান নির্বাহী শফিক স্তানিকজাই বলেছেন, ফিল সিমন্স আমাদের দলটাকে বোঝেন বলেই তাকে বেছে নেয়া হয়েছে। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষেই আফগানিস্তান খেলবে।'
বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে অংশ নেয়ার পাশাপাশি এসিবিতেও যোগাযোগ করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২৬ টেস্ট এবং ১৪২ ওয়ানডে খেলা সিমন্স। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড দলের কোচ হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এ ছাড়া গত বছর আফগান জাতীয় দলেরই কোচিং কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন সিমন্স।
এএ




