ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ছেলেরা প্রাইভেটকারে করে প্র্যাকটিসে আসে, আর আমাদের মাস চলে না’

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৩১ পিএম
অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নারী ক্রিকেটার জুয়ায়রিয়া ফেরদৌস জয়িতা

চলতি বছরের শুরুতেই মাঠে গড়িয়েছিল নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। যেখানে দুর্দান্ত পারফরম করে বাংলাদেশকে সুপার সিক্সে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন জুয়ায়রিয়া ফেরদৌস জয়িতা। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখছেন এই ওপেনার ব্যাটার।

ক্রিকেট ক্যারিয়ার ও নিজের পরিবারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আরটিভির ক্রীড়া প্রতিবেদক হাবিবুল কবীর সম্রাটের সঙ্গে কথা বলেছেন জয়িতা। সেখানে নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে নিজের দেশকে পৃথিবীর বুকে তুলে ধরতে চান বলে জানান তিনি। এ ছাড়াও বিসিবির বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেছেন এই তরুণী।

আরটিভি নিউজ: পরিবার থেকে খেলার জন্য কে বেশি সাপোর্ট করে?

ফেরদৌস জয়িতা: আমার আম্মু সব থেকে বেশি সাপোর্ট করে। আজ আমি এ পর্যন্ত এসেছি আমার আম্মুর জন্য। হয়তো তিনি না থাকলে এ পর্যন্ত আর আসতে পারতাম না। আমাকে খেলাধুলায় আনতে তাকে আমার পরিবারের মানুষের কাছ থেকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে, কিন্তু তিনি আমাকে সবসময় সাপোর্ট করে গেছেন খেলাধুলার জন্য।

f5be38bb-35e8-4753-a139-2803960ffe4a

আরটিভি নিউজ: আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার জন্য সময় বের করেন কীভাবে?

ফেরদৌস জয়িতা: পড়াশোনা তো সবার প্রথমে। আমার ভার্সিটি টিচাররা আমাকে অনেক সাপোর্ট করেন। সবসময় পড়াশোনার ব্যাপারে অনেক হেল্প করেন। যেহেতু খেলাধুলা করি, সকালে প্র্যাকটিস থাকে। প্র্যাকটিস করার পরে ভার্সিটিতে ক্লাসে যাই, ক্লাস করি। যখন কোনো ক্যাম্প থাকে তখন টিচাররা অনেক হেল্প করেন, ছুটি দেন। আমার ফ্রেন্ডরা অনেক হেল্প করে। আমি যখন ক্লাস করতে পারি না, ক্লাসের পড়াশোনা সবকিছু বলে দেয়, কীভাবে করতে হবে, কী পড়িয়েছে টিচাররা—এভাবেই পড়াশোনাটা চালিয়ে যাচ্ছি।

আরটিভি নিউজ: আইসিসি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ আপনার কেমন কেটেছে?

ফেরদৌস জয়িতা: আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো কেটেছে। প্রথমবার ওয়ার্ল্ড কাপ খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম প্র্যাকটিস ম্যাচগুলোতে। আলহামদুলিল্লাহ ভালো করেছিলাম। তারপর আমাদের গ্রুপ পর্যায়ের খেলা শুরু হয়। সেখানে আমরা গ্রুপ পর্যায়ে রানার-আপ হয়েছিলাম। সেখানে আমি তেমন কিছু দেখাতে পারিনি। কিন্তু আমরা যখন সুপার সিক্সে উঠি, তখন সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচ হয় স্কটল্যান্ডের সাথে সেখানে হয়েছিল। আমি আমার দলের হয়ে ২০ রান সংগ্রহ করি। ম্যাচটা আমরা উইন করি। তারপরের ম্যাচটা ছিল ইন্ডিয়ার সাথে, সেখানে আমাকে ড্রপ দেওয়া হয়। তার পরের ম্যাচ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে, সেখানে আমি ২৮ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত ছিলাম।

আলহামদুলিল্লাহ আমরা খুব ভালোভাবে উইন করেছিলাম। বিশ্বকাপের এত বড় একটা আসরে এসে আমরা আমাদের শেষটা ভালো করতে পেরে অনেক ভালো লেগেছিল। যদিও আমরা ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারিনি, কিন্তু শেষ ম্যাচটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাথে খুব ভালো কবে জিতে আমরা একটু হলেও খুশি ছিলাম।

8001ed85-fb65-4ea9-ac8f-85603e671733

আরটিভি নিউজ: বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আপনার সেই ইনিংস নিয়ে কী বলবেন?

ফেরদৌস জয়িতা: আলহামদুলিল্লাহ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমাদের বিশ্বকাপের ছিল শেষ ম্যাচ। শেষটা ভালো করা আমাদের জন্য এবং আমাদের দেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেটা অর্জন করি এবং আমি সেখানে ২৮ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত ছিলাম। নিজেকে প্রমাণ করার একটা সুযোগ ছিল ওইদিন। এবং সেটা আমি আমার তরফ থেকে করার চেষ্টা করেছিলাম নিজের দলের জন্য নিজের দেশের জন্য। আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া সে আমাকে সে তৌফিক দান করেছিলেন। আমাদের হেড কোচ সরোয়ার ইমরান স্যার, তিনি আমার ওপর অনেক ভরসা করতেন। আমি ভালো কিছু করতে পারব বলে তার যে ভরসা ছিল, সেটি রাখার চেষ্টা করেছিলাম।

আরটিভি নিউজ: অবসরে কী করা হয়?

ফেরদৌস জয়িতা: ফ্যামিলির সাথে অবসর কাটাতে পছন্দ করি। রান্না করা আমার অনেক শখ, সেগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকি।

আরটিভি নিউজ: দেশের ভেতরে আপনার প্রিয় খেলোয়াড় কে?

ফেরদৌস জয়িতা: দেশের ভেতরে আমার সবথেকে প্রিয় খেলোয়াড় মেয়েদের মধ্য থেকে নিগার সুলতানা জ্যোতি আপু। তিনি যেমন খেলেন, তেমন উইকেট কিপিং করেন। আমিও ব্যাটসম্যান উইকেট কিপার। এ জন্য তাকে আমার খুব পছন্দ এবং তিনি আমাদের জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন। অনেক সুন্দর নেতৃত্ব দেন তিনি। জ্যোতি আপু অনেক সুন্দর ব্যাটিং করেন। তার ব্যাটিংয়ের ফ্যান আমি।

আরটিভি নিউজ: দেশের বাহিরের আপনার প্রিয় খেলোয়াড় কে?

ফেরদৌস জয়িতা: সারা টেইলার ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং আমার সবথেকে ফেভারিট। বিরাট কোহলি ওয়ার্ল্ড ক্লাস একজন ব্যাটসম্যান। তার ব্যাটিং সবারই নজর কাড়তে বাধ্য এবং সারা টেইলার ইংল্যান্ডের একজন নারী ক্রিকেট খেলোয়াড়। তিনি উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। খুবই দুর্দান্ত ব্যাটিং এবং কিপিং করেন তিনি। এ জন্য তাকে আমার সবথেকে বেশি ভালো লাগে। তার কিপিংয়ের বেসিক তার ব্যাটিং খুবই সুন্দর।

37288974-f748-4321-9f1f-3039ff8f7d16

আরটিভি নিউজ: বাংলাদেশের মেয়েরা বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করেছে, তাদের জন্য আপনার কী মেসেজ?

ফেরদৌস জয়িতা: আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশ ক্রিকেট নারী টিম বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করেছে। অনেক কঠোর পরিশ্রমের পর তারা বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে। তাদের পরিশ্রমের কোনো তুলনা হয় না। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা দিন-রাত কষ্ট করে আসছে। তাদের জন্য সবসময় অনেক অনেক দোয়া থাকবে। তারা সুস্থ-সুন্দরভাবে বিশ্বকাপ খেলে আসুক এবং দেশের সুনাম অর্জন করে নিয়ে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

আরটিভি নিউজ: খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?

ফেরদৌস জয়িতা: খেলোয়াড় হিসেবে অবশ্যই নিজেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট টিমে দেখতে চাই। নিজের দেশকে পৃথিবীর বুকে তুলে ধরতে চাই—এটা আমার জীবনের সবথেকে বড় স্বপ্ন।

আরটিভি নিউজ: নারীদের খেলা নিয়ে সমাজের কিছু মানুষের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কখনো কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন কিনা?

ফেরদৌস জয়িতা: আসলে বাংলাদেশে মেয়েদের খেলাটা সবাই ভালো চোখে দেখে না। গ্রাম-গঞ্জে এখনো মেয়েদের বাল্যবিবাহ দেওয়া হয়। তার মধ্যে মেয়েদের খেলাধুলা করা অনেক কষ্ট। পরিবার থেকে সাপোর্ট করে না। পরিবার থেকে সাপোর্ট করলে আশপাশের মানুষজন নানা কূটনৈতিক কথাবার্তা বলে থাকে। এটা আমার সাথে হয়েছে। আমার আম্মু একজন ক্রীড়া শিক্ষক। এ জন্য আম্মু সবসময় আমাকে অনেক সাপোর্ট করে এসেছেন খেলাধুলার ব্যাপারে। কিন্তু আশপাশের মানুষ নানা কথাবার্তা বলত। ছেলেদের পোশাক পরে খেলা। ছেলেদের পোশাক পরে মাঠে দৌড়ানো—এ ধরনের অনেক কথাবার্তা। তারপরও আমার আম্মুর সাপোর্টে আমি আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। সব বাধা পেরিয়ে আমার আম্মু সবসময় আমার সাথে ছিল এবং সবকিছুর প্রটেস্ট করতেন, এ জন্যই আজ আমি এই পর্যন্ত।

আরটিভি নিউজ: বেতন বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্ট কি না?

ফেরদৌস জয়িতা: মেয়েরা সবসময় অবহেলার পাত্রই হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে শুধু ন্যাশনাল টিমই বেতন পেত। কয়েক মাস আগে ন্যাশনাল টিমের বাইরে ২০ জনকে ২৫ হাজার টাকা বেতনের তালিকায় আনা হয়। কিন্তু এই স্বল্প পরিমাণ টাকা এবং এই স্বল্প পরিমাণ খেলোয়াড়কে বেতন দিলে আমাদের বাংলাদেশর ক্রিকেট কীভাবে এগিয়ে যাবে?

‘আমাদের মতোন মেয়েরা; আমরা ঢাকায় থেকে প্র্যাকটিস করি। আমাদের বাসা ভাড়া, প্র্যাকটিস খরচ, খাওয়াদাওয়া—সবকিছুই নিজেদেরকে অ্যারেঞ্জ করতে হয়। বছরে একটা খেলা প্রিমিয়ার লিগ, ওটা থেকেও খুব বেশি টাকা আসে না। কত মেয়েরা এভাবে খেলা ছেড়ে দিয়েছে। তারা ঠিকভাবে প্র্যাকটিস করতে পারে না। বাসা থেকে তাদেরকে ঠিকভাবে টাকা-পয়সা দেয় না প্র্যাকটিস করার জন্য। তাদের নিজেদের চলার মতো টাকা থাকে না। যদি বিসিবি আরও কিছু মেয়েকে বেতনভুক্ত করত, তাহলে হয়তো আরও নতুন নতুন খেলোয়ার তৈরি হতো ন্যাশনাল টিমের জন্য। বিসিবির কাছে আমার এটাই প্রত্যাশা থাকবে, মেয়েদের দিকে আরও নজর দেওয়া। কারণ, ছেলেরা যেমন দেশের জন্য খেলছে মেয়েরাও তেমন দেশের জন্যই খেলছে। ছেলেরা যেমন দেশের জন্য কাপ নিয়ে আসছে, মেয়েরাও তেমন দেশের জন্য কাপ নিয়েছে। তাহলে তাদেরকে কেন ছেলেদের তুলনায় বঞ্চিত করা হবে। ছেলেদের মতো পুরোপুরি সুযোগ-সুবিধা না দিলেও অন্তত তাদের অর্ধেকটা দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।’

আরটিভি নিউজ: কী ধরনের পদক্ষেপ নিলে নারী ক্রিকেট আরো এগিয়ে যাবে?

ফেরদৌস জয়িতা : নারী ক্রিকেট আরও এগিয়ে নিতে হলে প্রথমত আমাদের ঘরোয়া পর্যায়ে আরও বেশি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা দরকার। স্কুল, কলেজ এবং জেলা পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণ এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, নারী ক্রিকেটারদের জন্য পর্যাপ্ত স্পন্সরশিপ, ভালো কোচিং স্টাফ, ফিটনেস ট্রেনার, এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে পরিবার এবং সমাজ থেকে মেয়েদের খেলাধুলায় আরও বেশি সমর্থন নিশ্চিত করা।

আরটিভি নিউজ: বিসিবির এক্ষেত্রে কী ধরনের ভূমিকা রাখা উচিত বলে মনে করেন?

ফেরদৌস জয়িতা: আমি মনে করি বিসিবি (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) নারী ক্রিকেটের উন্নতির জন্য আরও অবকাঠামোগত এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে পারে। নিয়মিতভাবে স্কুল ও জেলা পর্যায়ে নারী ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আয়োজন, বিশেষায়িত একাডেমি স্থাপন এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, নারী ক্রিকেটারদের জন্য আরও ভালো আর্থিক সুবিধা, যেমন সম্মানজনক বেতন, ম্যাচ ফি, এবং পারফরম্যান্স ভিত্তিক বোনাস চালু করা দরকার। এতে মেয়েরা পেশাদারত্বের সাথে ক্রিকেটকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবে। এ ছাড়া, মিডিয়া কাভারেজ বাড়ানো এবং নারী ক্রিকেটারদের সাফল্য প্রচারের মাধ্যমেও বিসিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমি বিশ্বাস করি, এসব উদ্যোগ একত্রে নারী ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

আরটিভি/এসকে/এসআর-টি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চট্টগ্রাম থেকে বিপিএল সরানোর কারণ জানাল বিসিবি
চলমান বিপিএলের ১২তম আসরের কোনো ম্যাচ চট্টগ্রামে হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সিলেটের পর ঢাকা পর্ব দিয়ে পর্দা নামবে টুর্নামেন্টের। চট্টগ্রাম পর্ব বাদ দেওয়ার কারণ জানিয়েছেন বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু। তার মতে, বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও দলগুলোর ভ্রমণ, লজিস্টিক্যাল বিভিন্ন সমস্যা, সম্প্রচার-সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার সুবিধার কথা মাথায় রেখে চট্টগ্রামকে বাদ দিয়েছেন তারা। মিঠু বলেন, আমাদের প্রথম সমস্যা হচ্ছে ২৩ তারিখেই ফাইনাল করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপে যাবে ২৬ জানুয়ারির দিকে। এ ছাড়া আমাদের প্রোডাকশন, এমনকি আপনাদেরও একটা পরিকল্পনা আছে।  আরও পড়ুন সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি ‘সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দল, গভর্নিং কাউন্সিল, টেকনিক্যাল কমিটি সবার সাথে আলাপ করে আমাদের যে দুইদিন গ্যাপ হয়েছে সেটা আমার অ্যাডজাস্ট করার জন্য দুইটি ভেন্যুতে খেলা নিয়ে আসা হচ্ছে। এ ছাড়া আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, এটা ছাড়া অ্যাডজাস্ট করা যাচ্ছে না।’ নতুন সূচি নিয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব বলেন, আমরা এখানে ভ্রমণের দুদিন বাঁচাব। অ্যাডজাস্ট করার জন্য চট্টগ্রামের খেলাগুলো আমরা ঢাকায় ও এখানে (সিলেট) নিয়ে এসেছি। সিলেটে ১২ তারিখ পর্যন্ত খেলা হবে। ১৩ তারিখ দলগুলো ঢাকায় চলে যাবে। বাকি অন্য কিছু পরিবর্তন না করে কিছু খেলা সকাল-বিকেল করতে হয়েছে। তিনটা ভেন্যু থেকে আমরা দুটো ভেন্যু করেছি। চট্টগ্রাম সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব। তিনি বলেন, আমরা চট্টগ্রামের দর্শকদের কাছে দুঃখিত। চট্টগ্রামের সমর্থক, ম্যানেজমেন্ট সবাই সবকিছু প্রস্তুত করে ফেলেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের চট্টগ্রাম ভেন্যু বাতিল করতে হয়েছে। আরটিভি/এসআর
চট্টগ্রাম থেকে বিপিএল সরানোর কারণ জানাল বিসিবি
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক, রুটের পরেই ব্রুক
অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ হারলেও মেলবোর্নে দুর্দান্তভাবে কামব্যাক করেছে ইংল্যান্ড। আর এই ম্যাচে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়ে টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে ইংলিশ ব্যাটার হ্যারি ব্রুক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পারফরম্যান্সে ব্রুকের রেটিং পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৬। এই সংস্করণে তার সামনে শুধু ইংল্যান্ডেরই জো রুট, যিনি ৮৬৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। ব্যাটারদের তালিকায় এক ধাপ করে নেমে তিন ও চার নম্বরে আছেন যথাক্রমে নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন ও অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। দুই ধাপ অবনতি হয়েছে স্টিভ স্মিথের, অবস্থান এখন পাঁচ নম্বরে। ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের প্রথম টেস্ট জয়ের ম্যাচে ব্রুক ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৩৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। পরে ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় অপরাজিত ১৮ রান করে দলকে জয়ের পথে রাখেন। আরও পড়ুন সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি ব্যাটারদের তালিকায় উন্নতি হয়েছে আরও কয়েকজন ইংলিশ ক্রিকেটারের। ওপেনার জ্যাক ক্রলি চার ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩৫তম স্থানে উঠেছেন। একই ম্যাচে ৪০ রানের ইনিংস খেলা জ্যাকব বেথেল ৯ ধাপ এগিয়ে এখন ৭৭ নম্বরে। একই সঙ্গে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক ও পাকিস্তানের নোমান আলী। বোলারদের মধ্যে শীর্ষস্থান আগের মতোই ভারতের জসপ্রিত বুমরাহর দখলে, তার রেটিং পয়েন্ট ৮৭৯। মেলবোর্ন টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে চার উইকেট নেওয়া স্টার্ক এক ধাপ এগিয়ে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় স্থানে উঠেছেন। তার পয়েন্ট ৮৪৩, যা নোমান আলির সঙ্গেও সমান।  কামিন্স দুই ধাপ নেমে এখন চার নম্বরে। অস্ট্রেলিয়ার স্কট বোল্যান্ড পেস সহায়ক উইকেটে পাঁচ উইকেট নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন। ইংল্যান্ডের গাস অ্যাটকিনসন তিন উইকেট নিয়ে চার ধাপ এগিয়ে ভারতের রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে যৌথভাবে ১৩ নম্বরে আছেন। ব্রাইডন কার্স ছয় ধাপ এগিয়ে ২৩তম এবং ম্যাচসেরা জশ টাং ১৩ ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ৩০তম স্থানে উঠেছেন। টেস্ট অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন জাদেজা। তার পরেই আছেন সাউথ আফ্রিকার মার্কো জানসেন ও ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস। স্টার্কের অবনমনের সুযোগে এক ধাপ এগিয়ে চার নম্বরে উঠেছেন বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ। আরটিভি/এসআর
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক, রুটের পরেই ব্রুক
খালেদা জিয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর সোনালী অতীত ক্লাবে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্য সচিব জাহেদ পারভেজ চৌধুরীসহ ক্রীড়া দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।  এ ছাড়া সাবেক তারকা ফুটবলার মোহাম্মাদ আসলাম, আলফাজ আহমেদসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সোনালী অতীত ক্লাবের সদস্যরাও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ক্রীড়াঙ্গনের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি। মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া দেশের রাজনীতি ও সমাজে যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন- তা স্মরণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আদর্শ ও মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে৷ তবেই দেশ তার কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাবে বলে মনে করেন বক্তারা। সেই সাথে খালেদা জিয়ার স্বপ্নের দেশ ( ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র) গড়তে কাজ করার অঙ্গীকার করেন বক্তারা। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের দোয়া মাহফিল
এক হালি গোল হজম করে মেজাজ হারালেন মার্টিনেজ
এমিরেটস স্টেডিয়ামে আর্সেনালের কাছে ৪ গোল হজম করেছে অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। যা হজমে মানতে পারেননি তিনি। ফলে ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে ফেরার সময় মেজাজ হারিয়ে বসেন এই গোলরক্ষক। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর টানেলে ফেরার পথে আর্সেনাল সমর্থকদের কটাক্ষের মুখে পড়েন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক। সে সময় এক সমর্থক উচ্চস্বরে ‘ইউ আর র‍্যাটল্ড!’ বলে চিৎকার করলে মার্তিনেজ আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। আরও পড়ুন সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি ক্ষুব্ধ অবস্থায় দর্শকদের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাতে দেখা যায় তাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে টেনে নিয়ে যান। পুরো ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। এদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে আর্সেনাল লিগে মাত্র দুইটি হার নিয়ে বছর শেষ করল। ১৯ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। সমান ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে অ্যাস্টন ভিলা। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। উল্লেখ্য, অ্যাস্টন ভিলাকে ৪–১ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে আর্সেনাল। এই হারের মধ্য দিয়ে থেমে গেছে ভিলার টানা ১১ ম্যাচের জয়যাত্রা। আরটিভি/এসআর
এক হালি গোল হজম করে মেজাজ হারালেন মার্টিনেজ
সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন দেশের ক্রিকেটের পোস্টারবয় সাকিব আল হাসান। রাজনৈতিক কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। সম্প্রতি আবারও জাতীয় দলের হয়ে খেলা ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। ফলে তার দেশে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন মুখে পড়েছে বিসিবি পরিচালকরা। সম্প্রতি সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু। তিনি বলেন, এই বিষয়টা নিয়ে মন্তব্য করার মতো আমি কেউ না। এখন আমি বিপিএল নিয়ে কথা বলছি। এটা মূল্যবান প্রশ্ন। এটার জন্য সঠিক কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন। এই ঘটনাটা বর্তমান সভাপতির সময় ঘটেনি। তাই বলে যে আমরা বলব বিসিবির এখানে কিছু না সেটা তো না।  ‘এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব ছিল কিনা সেটা তখনকার বোর্ড সভাপতি (ফারুক আহমেদ) বলতে পারবেন। কারণ সভাপতি হিসেবে তখন উনিই সব যোগাযোগ করেছেন।’ আরও পড়ুন বিপিএলের নতুন সূচি প্রকাশ, চট্টগ্রামবাসীর জন্য বড় দুঃসংবাদ  এদিকে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছিলেন, সাকিব যেন খেলতে না পারে সেটা নিয়ে তিনি বিসিবিতে আলাপ করবেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন কি না, সেটি নিশ্চিত হন মিঠু।  তবে বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। তার ভাষ্য, আমার মনে হয় বিষয়টা নিয়ে আমাদের আলাপ করা উচিত। সাকিব দারুণ একজন ক্রিকেটার, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সম্পদ। আজ পর্যন্ত ওর মতো ক্রিকেটার বাংলাদেশে আসেনি। যেহেতু আলাপটা উঠেছে, এটা নিয়ে আমি বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আলাপ করব। কিন্তু সভাপতি এবং মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে বিষয়টা নিয়ে কথা বলবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফিরতে না পারায় বিসিবির পাশাপাশি সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং বর্তমান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে দায়ী করেন সাকিব। সাকিবের অভিযোগ, ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে তার দেশে ফেরা হয়নি। বিষয়টি নিয়মের বাইরে হওয়ায় বিসিবির নিষিদ্ধ হওয়া উচিত বলে মনে করেন সাবেক অধিনায়ক। সাকিবের সেসব অভিযোগের কোনো জবাব দিতে পারেননি বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।  সাকিব বলেন, আমাকে সরাসরি ক্রীড়া উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টা গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছিলেন। আমি প্লেনে উঠেছি। বিসিবি থেকে আমাকে পুরো নিশ্চিত করা হয়েছে। (যুক্তরাষ্ট্র থেকে) তারপর আমি প্লেনে উঠেছি। দুবাইয়ে নামার পর তাদের সব জায়গা থেকে আবার বলছে, না, তাদের নাকি ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। যদি না আসি, তাহলে ভালো হয়। আমি আর যাইনি। বিসিবিতে সরকারের হস্তক্ষেপ হওয়ায় রীতিমতো হতাশা প্রকাশ করেছেন সাকিব। তিনি বলেন, কথা হচ্ছে ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্কই থাকার কথা নয়। আর ক্রিকেট বোর্ড যদি সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়, এর মানে, ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের হস্তক্ষেপ আছে। এর অর্থ হলো, বিষয়টা আইসিসিতে যাওয়া উচিত।  তাদের সঙ্গে সঙ্গে নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া উচিত (হাসি) ! আসলে ওই সাবজেক্টেই যাওয়া উচিত নয়। আমাকে যদি ক্রিকেট বোর্ড ফেরত না নিতে পারে (দেশে), এটা তাদের ব্যর্থতা। ঠিক না? আমার কী করার আছে এখানে? আরটিভি/এসআর
সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি
আরও পড়ুন
ডা. তাহেরের চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ ৫ গুণ বেশি
সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি
৭ বছর কোমায় থাকার পর মারা গেলেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার
সিলেটে বিসিবির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত