
প্রথমবারের মতো নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২০২৫ সালের ১ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্ট শহরে বসবে এই মহারণ। ১২ দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ জুলাই সিডনির বিখ্যাত সিডনি হারবারে।
ড্রয়ের জন্য দলগুলোকে চারটি পটে ভাগ করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। ফিফার সর্বশেষ র্যাংকিং (১২ জুন, ২০২৫) অনুযায়ী এই পট ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক পটে রয়েছে তিনটি করে দল।
পটভিত্তিক গ্রুপ গঠনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি গ্রুপে থাকবে একটি করে দল প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পট থেকে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে ভারত ও ইরান পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে পট ১ এবং ২ থেকে শক্তিশালী দল আসার আশঙ্কা থাকলেও পট ৩ থেকে তুলনামূলক সমমানের প্রতিপক্ষ পাওয়ার আশা রয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি হবে পট ৩-এর দলের বিপক্ষে। কারণ সেই ম্যাচে জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আশা জাগবে। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে বাংলাদেশের সামনে খুলে যেতে পারে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকে খেলার স্বপ্নের দরজা।
অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে পয়েন্ট পাওয়া কঠিন হবে বাংলাদেশের জন্য। তবে দক্ষিণ কোরিয়া বা চীনের বদলে যদি পট ২ থেকে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের গ্রুপে পড়ে, তাহলে কিছুটা সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কারণ ভিয়েতনামের র্যাংকিং (৩৭) তুলনামূলকভাবে কম, যেখানে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার র্যাংকিং যথাক্রমে ১৭ ও ২১।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ৫৫ র্যাংকিংধারী মিয়ানমারকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ৪১ থেকে ৫১ র্যাংকিংধারী পট ৩-এর দলগুলোর বিপক্ষেও ভালো ফলের আশা করাই যায়।
নারী ফুটবলে এগিয়ে যাওয়ার এই যাত্রায় বাংলাদেশের জন্য এশিয়ান কাপ হতে পারে একটি বড় মঞ্চ। ড্রয়ের ফল নির্ধারণ করবে তাদের প্রথম পর্বের প্রতিপক্ষ, কিন্তু প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতের পথচলা।
পট ১ : অস্ট্রেলিয়া ( ১৫), জাপান (৭), উত্তর কোরিয়া ( ৯)
পট ২ : চীন ( ১৭) , দক্ষিণ কোরিয়া ( ২১), ভিয়েতনাম (৩৭)
পট ৩ : ফিলিপাইন (৪১), চাইনিজ তাইপে (৪২), উজবেকিস্তান (৫১)
পট ৪ : ইরান ( ৬৮), ভারত ( ৭০), বাংলাদেশ (১২৮)
আরটিভি/এসকে




