
টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লড়াকু সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে জয় পেতে হবে এই ম্যাচে, সঙ্গে মেলাতে হবে নেট রান রেটের হিসাবও।
ডারউইনে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমির বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে দলটি সংগ্রহ করে ১৭৫ রান। দলের হয়ে সবচেয়ে বড় ইনিংস খেলেন জিশান, তিনি করেন ৫০ রান।
এ ছাড়া অন্য ব্যাটাররাও ছোট ছোট ইনিংসে অবদান রাখেন, ফলে শক্ত সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয় সফরকারী দল। এখন বোলারদের দায়িত্ব প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে জয় নিশ্চিত করা, যাতে সেমিফাইনালের সমীকরণ মিলিয়ে নেওয়া যায়।

টপ অর্ডারে জিশান আলমের ফিফটিতে ভর করে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে নাঈম শেখের সঙ্গে ৪৮ রান তোলেন তিনি। নাঈম ব্যক্তিগত ১৫ রানে আউট হলেও, জিশান খেলেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি। ৫ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫০ রান।
দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জুনিয়র টাইগাররা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন আফিফ হোসেন ও ইয়াসির আলি রাব্বি। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে ৭০ রানের জুটি গড়েন।
আফিফ আজও ফিফটির দেখা পাননি। গোল্ডেন ডাকের আগে টানা তিন ম্যাচে চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলার পর আজ সুযোগ ছিল অর্ধশতক পূর্ণ করার। কিন্তু এক রানের আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয় তাকে। ২১৩.০৪ স্ট্রাইকরেটে ৪৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ইয়াসির অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে। প্রতিপক্ষের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন হান্নো জ্যাকবস।
তবে এই লড়াইয়ের মাঝেও শেষ চারে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন। বর্তমানে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে ৯ নম্বরে। নেট রানরেট -০.৫১৩। অন্যদিকে ৪ নম্বরে থাকা মেলবোর্ন স্টারস একাডেমির পয়েন্ট ৬, নেট রানরেট +০.০১৩।
অর্থাৎ শুধু জয় নয়, নেট রানরেটে বড় ব্যবধান গড়ে দিতে হবে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে অ্যাডিলেড জিতলেই পেয়ে যাবে সেমিফাইনালের টিকিট।
আরটিভি/এসকে




