
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর বিশ্বব্যাপী নারী ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটি প্রথমবারের মতো আয়োজন করতে যাচ্ছে আইসিসি নারী ইমার্জিং নেশনস ট্রফি।
২০ নভেম্বর থাইল্যান্ডে শুরু হতে যাওয়া এই টি-টোয়েন্টি আসরে অংশ নেবে আইসিসির আট সহযোগী সদস্য দেশ-থাইল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা, পাপুয়া নিউগিনি ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আইসিসির তথ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী আট দলের মধ্যে পাঁচটি দলের ওয়ানডে স্ট্যাটাস রয়েছে। বাকি তিনটি দল টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের সেরা অবস্থানে থাকার কারণে সুযোগ পেয়েছে এই প্রতিযোগিতায়।
টুর্নামেন্টটি রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রতিটি দল একে অপরের মুখোমুখি হবে একবার করে। ৩০ নভেম্বর শেষ দিনের খেলা শেষে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দল হবে চ্যাম্পিয়ন।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘নারী ইমার্জিং নেশনস ট্রফি একটি তিন-স্তরের ডেভেলপমেন্ট পথের অংশ, যা উদীয়মান দেশগুলোর জন্য উচ্চমানের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট নিশ্চিত করবে।’
নারী ক্রিকেটে সহযোগী দেশগুলোর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে আরও দুটি নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি। ২০২৬ সালে রুয়ান্ডায় অনুষ্ঠিত হবে পাঁচ দলের নারী চ্যালেঞ্জ ট্রফি। ২০২৭ সাল থেকে শুরু হবে আট দলের আরেকটি নতুন প্রতিযোগিতা, যেখানে সহযোগী দেশগুলো মুখোমুখি হবে বিশ্বসেরা টিমগুলোর।
নারী ক্রিকেটের বৈশ্বিক প্রসার ও ক্রিকেট শক্তিধর তৈরির এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধাপ হিসেবে দেখছে ক্রিকেটবিশ্ব।
আরটিভি/এসকে




