
চলমান নারী কাবাডি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ করেছিল বাংলাদেশ দল। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে তাদের পারফরম্যান্সে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও পদক নিশ্চিত করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
বাংলাদেশ দলের সামনে আরও বড় সাফল্যের অপেক্ষা করছে মন্তব্য করছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম। সেই সঙ্গে ক্রীড়াঙ্গনের যে কোন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের আরও মেলে ধরার জন্য সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, এরই মধ্যে ব্রোঞ্জ পদক পাওয়ার নিশ্চয়তা আমরা লাভ করেছি। আশা করছি সেমিফাইনালে যদি চাইনিজ তাইপেকে হারাতে পারি, তবে পরবর্তীতে লক্ষ্য থাকবে স্বর্ণ পদক অর্জনের। সব খেলাতেই দীর্ঘমেয়োদী প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে, তাহলেই আমরা বিভিন্ন গেমসগুলোতে আরও ভাল করতে পারব।
তিনি বনলেন, একটা দেশ যদি খেলাধুলা বা যে কোন ক্ষেত্রে উন্নতি করতে চায়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা থাকতে হবে। ইতিমধ্যে আমরা ২০১ টি উপজেলাতে মিনি স্টেডিয়াম করেছি, সেখানে সব ধরণে খেলাধূলার ব্যবস্থা থাকবে। আমাদের জেলা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে বলেও মনে করে যুব ও ক্রীড়া সচিব।
তার ভাষ্য, বাংলাদেশের জন্য এটা অত্যন্ত গৌরবের যে, আমরা এখানে নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পেরেছি। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন দক্ষতা এবং পেশাদারত্বের সঙ্গে পরিচালনা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করছি সব ধরণের সহায়তার জন্য। প্রশাসনিক, আর্থিক সহায়তা আমরা দিয়েছি।
আরটিভি/এসআর




