
পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে একাই লড়াই চালিয়ে যান সালমান আগা। তবে তার বিধ্বংসী ইনিংসও জয় এনে দিতে পারেনি পাকিস্তানকে। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দুর্দান্ত বোলিংয়ে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ ১-১ এ সমতায় শেষ করেছে শ্রীলঙ্কা।
বৃষ্টির কারণে দুই ঘণ্টা ২০ মিনিট বিলম্বে শুরু হওয়া ম্যাচটি নেমে আসে ১২ ওভারে। ভেজা আউটফিল্ডে বল গ্রিপ করতে বোলাররা ভুগলেও দুই দলই চালায় রান উৎসব। শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে তোলে ১৬০ রান, যা সংক্ষিপ্ত ম্যাচে বড় সংগ্রহ হিসেবেই ধরা হয়।
লঙ্কান ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। মাত্র ৯ বলেই ৩৪ রান করেন তিনি। ইনিংসের ৮.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১০০ রানে থাকা অবস্থায় ব্যাটিংয়ে নামেন শানাকা। নিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলেই ছক্কা হাঁকান। শেষ ওভারে মোহাম্মদ ওয়াসিমের প্রথম তিন বলেই তিনটি ছক্কা মেরে দলের সংগ্রহকে আরও বড় করেন।
শ্রীলঙ্কার হয়ে কুশল মেন্ডিস ১৬ বলে ৩০, কামিল মিশারা ৮ বলে ২০, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ১৫ বলে ২২, চারিথ আসালাঙ্কা ১৩ বলে ২১ এবং জানিথ লিয়ানাগে ৮ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন।
জবাবে পাকিস্তানের ইনিংস শুরু থেকেই চাপে পড়ে। তবে সালমান আগা একাই ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন। মাত্র ১২ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। এই ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও পাঁচটি চার। মাহিশ ঠিকশানাকে এক ওভারে ২২ রান তোলেন সালমান। মাথিশা পাথিরানাকে কাঁধের ওপর দিয়ে স্কুপ শট মেরে বাউন্ডারিও হাঁকান। শেষ পর্যন্ত পাথিরানার বলেই শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে।
সালমান আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের ইনিংস আর গতি পায়নি। অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা পাকিস্তান দল ৩.৪ ওভারে ৬০ রান তুলে সালমানকে হারায়। এরপর মোহাম্মদ নওয়াজ ২৮ ও খাজা নাফাই ২৬ রান করলেও দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেননি।
শ্রীলঙ্কার হয়ে ম্যাচসেরা হন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। তিন ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ডাম্বুলার উইকেটে পর্যাপ্ত টার্ন থাকায় সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান এই লঙ্কান স্পিনার। তাকে টার্গেট করে বড় শট খেলতে গিয়ে চার পাকিস্তানি ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন।
শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ১৪ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় এবং সিরিজ শেষ হয় ১-১ সমতায়।
আরটিভি/এসকে




