ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বড় দুঃসংবাদ পেল অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগে বড় দুঃসংবাদ পেল অস্ট্রেলিয়া। চোটের কারণে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি ছিটকে গেছেন অভিজ্ঞ পেসার ও দলের অন্যতম ভরসা প্যাট কামিন্স। প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে ছাড়াই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী দল পরিবর্তনের শেষ দিন শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুই পরিবর্তন এনে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। কামিন্সের জায়গায় দলে নেওয়া হয়েছে বাঁহাতি পেসার বেন ডোয়ার্শিসকে।

গত বছরের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময় পিঠের নিচের অংশে চোটে পড়েন কামিন্স। গত সাড়ে ছয় মাসে তিনি কেবল অ্যাডিলেড টেস্টে মাঠে নামতে পেরেছিলেন। যদিও সম্প্রতি স্ক্যান রিপোর্টে ইতিবাচক ফলের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া নিশ্চিত করেছে পুরোপুরি সেরে উঠতে কামিন্সের আরও সময় প্রয়োজন। ফলে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার খেলা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন এই সংস্করণে না খেলায় কামিন্সের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারও এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

চূড়ান্ত স্কোয়াডে আরেকটি বড় চমক ম্যাট রেনশর অন্তর্ভুক্তি। অফ-ফর্মে থাকা অলরাউন্ডার ম্যাথু শর্টকে বাদ দিয়ে রেনশের ওপর আস্থা রেখেছেন নির্বাচকরা। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রেনশ এবারের বিগ ব্যাশ লিগে ১৫৩.৫৫ স্ট্রাইক রেটে ৩২৪ রান করেছেন।

অন্যদিকে, বিগ ব্যাশে ভালো পারফরম্যান্স করলেও ওপেনিং পজিশনের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাননি স্টিভেন স্মিথ। নির্বাচকদের মতে, মিডল অর্ডারে স্পিন মোকাবিলায় দক্ষ বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের প্রয়োজন ছিল, যে কারণে রেনশকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।

তবে কামিন্স ছিটকে গেলেও স্বস্তির খবর আছে অজি শিবিরে। চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরেছেন জশ হেইজেলউড, ন্যাথান এলিস ও টিম ডেভিড। এই তিন ক্রিকেটারের উপস্থিতিতে বোলিং আক্রমণ ও লোয়ার অর্ডারের শক্তি অনেকটাই অটুট থাকছে।

আরও পড়ুন

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। ‘বি’ গ্রুপে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও ওমান।

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দল: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, বেন ডোয়ার্শিস, ক্যামেরন গ্রিন, ন্যাথান এলিস, জশ হেইজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাট কুনেমান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাট রেনশ, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জ্যাম্পা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টি-টোয়েন্টিতে শারমিনের উন্নতি, অবনতি মারুফার
নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের শারমিন আক্তারের। তবে বোলিংয়ে অবনতি হয়েছে বাংলাদেশ পেসার মারুফা আক্তারের।  মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নারী টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। গত সপ্তাহে শেষ হওয়া নারী এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৩১ রানে হারে বাংলাদেশ। ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন শারমিন। এতে দশ ধাপ এগিয়ে ৩৫তম স্থানে উঠেছেন তিনি। তার রেটিং ৫২৩। র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় বাংলাদেশের হয়ে সেরা অবস্থানে আছেন নিগার সুলতানা। ৫৯৭ রেটিং নিয়ে ২০তম স্থানে আছেন তিনি।  ব্যাটিং তালিকায় তিন ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের সোবহানা মোস্তারির। ৪৮৪ রেটিং নিয়ে ৪২তম স্থানে নেমে গেছেন তিনি।  বোলারদের তালিকায় অবনতি হয়েছে মারুফার। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ ওভার বল করে ২৬ রান দিয়েও উইকেটের দেখা পাননি তিনি। চার ধাপ পিছিয়ে ৬০২ রেটিং নিয়ে ২১তম স্থানে নেমে গেছেন মারুফা।  পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৫৭০ রেটিং নিয়ে ২৯তম স্থানে উঠেছেন বাঁ-হাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার।  এদিকে, নারী র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন চরণী। অস্ট্রেলিয়ার মেগান শুটকে টপকে সর্বোচ্চ রেটিং পয়েন্টের রেকর্ডের মালিক এখন তিনি। ২০১৮ সালে ৮০৬ রেটিং নিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন শুট। আজ ৮১৭ রেটিং নিয়ে শুটকে টপকে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন চরণী।  টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটিং তালিকায় অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি, বোলিং তালিকায় ভারতের শ্রী চরণী এবং অলরাউন্ডার তালিকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের হিলি ম্যাথুজ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। আরটিভি/এসআর
টি-টোয়েন্টিতে শারমিনের উন্নতি, অবনতি মারুফার
ওলিসের গোলের পর পাগলাটে উদযাপনের কারণ জানালেন জিদান
নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে গোল করে জয় এনে দিয়েছেন মাইকেল ওলিসে। তার এই জয়সূচক গোলের পর মাঠে বাইরে পাগলাটে উদযাপনে মাতেন কোচ জিনেদিন জিদান। ম্যাচ শেষে এই উদযাপনের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। গতকাল মাইকেল ওলিসের অসাধারণ নৈপুণ্যে ৮৮ মিনিটে ফ্রান্স ম্যাচ জয় পায়। আর ১১ নম্বর জার্সিধারী তারকা জালের দেখা পেতেই সাইডলাইনে রাখা একটি বলে জোরে লাথি মারেন জিদান।  সাধারণত মার্জিত ও শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত জিদানের এমন উদযাপন ছিল বেশ ব্যতিক্রমী। তার সেই উদযাপনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরবর্তীতে এমন পাগলাটে উদযাপনের কারণ জানাতে গিয়ে হাসতে হাসতে জিদান জানান, চেরকির কাছ থেকে ওলিসে বল পাওয়ার পরই তার মনে হয়েছিল কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। ওলিসে দৌড়ে বেলজিয়ামের গোলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময়ই জিদান বুঝতে পেরেছিলেন, গোল হতে পারে।  নিজের প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নেওয়ার পর তিনি শক্তিশালী শটে বল মেরে উদযাপন করেন, যা তার খেলোয়াড়ি জীবনে বল সামলানোর মার্জিত ধরনের সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্য। জিদান বলেন, আসলে আমি কী করেছি, সেটাই জানি না (হাসি)। নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, মাইকেল (ওলিসে) যখন বল পেল তখন থেকেই আমি তার খেলাটি অনুসরণ করছিলাম, কারণ আমার মনে হয়েছিল সে ড্রিবল করবে। আর সে অসাধারণ একটি কাজ করেছে। এরপর আমি বলটি দেখলাম, আর আমাকে শট নিতেই হলো। ব্যাপারটা কিছুটা হাস্যকর ছিল, কিন্তু এটা বিশেষ কিছু নয়। আমি তার সঙ্গে ছিলাম, তার সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলাম। আমি তাকে ড্রিবল করতে দেখলাম এবং ভাবলাম ‘সে গোল করবে!’ যাই হোক, আমি পুরোপুরি তার সঙ্গেই ছিলাম (হাসি)। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত খেলোয়াড় ওলিসের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ফ্রান্স কোচ। জাতীয় দলে বর্তমানে কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলের সঙ্গে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা খেলোয়াড়দের একজন ওলিসে।  বায়ার্ন মিউনিখের এই মিডফিল্ডারকে নিয়ে জিদান বলেন, সে খাঁটি প্রতিভা। সে এমন একজন খেলোয়াড়, যাকে আমি পছন্দ করি। সে যখন খেলে, তখন মানুষকে আনন্দ দিতে চায়। শুধু তা-ই নয়, ফুটবল সম্পর্কে তার দারুণ অনুভূতি আছে। সে আগে থেকেই খেলা বুঝতে পারে, কখন ঝুঁকি নিতে হবে আর কখন পিছু হটতে হবে, সেটাও জানে। তার পাশে থাকতে পেরে, তাকে এভাবে খেলতে দেখে আমি খুশি। প্রসঙ্গত, দিদিয়ের দেশমের উত্তরসূরি হয়ে জিদান তার প্রথম ম্যাচেও জয় পান। তুরস্কের বিপক্ষে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ১-০ গোলে জেতে লে ব্লুরা। আগামী ২ অক্টোবর তারা ইতালির বিপক্ষে গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচ খেলবে। আরটিভি/এসআর
ওলিসের গোলের পর পাগলাটে উদযাপনের কারণ জানালেন জিদান
ডি থ্রি ট্রফিতে ৬ দলের হেড কোচ চূড়ান্ত
ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে গড়াচ্ছে যাচ্ছে নতুন টুর্নামেন্ট ডি থ্রি ট্রফি। যেখানে অংশ নেবে ৬ দল। ইতোমধ্যে ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট থেকে নিজেদের হেড কোচ চূড়ান্ত করে ফেলেছে দলগুলো। যেখানে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ সালাউদ্দিন-বাবুলদের বড় নাম। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ডি থ্রি ট্রফির ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট। যেখানে প্রথমে প্রধান কোচ বাছাই করার সুযোগ পায় ব্লু-স্টার। তারা দলে ভেড়ায় সোহেল ইসলামকে। এরপর সুযোগ পায় একমি গ্রুপ। তারা দলে ভেড়ায় রাজিন সালেহকে। তৃতীয় ডাকে সিটিজেন গ্রুপ প্রধান কোচ হিসেবে দলে টেনেছে মিজানুর রহমান বাবুলকে।  পরবর্তীতে ফরচুন গ্রুপ দলে ভেড়ায় মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে। সেভেন রিংস সিমেন্ট যুক্ত করে তালহা জুবায়েরকে। এ ছাড়া ওয়ালটন গ্রুপ নেয় আব্দুর রাজ্জাককে। ডি থ্রি ট্রফিতে ৬ দলের আইকন ক্রিকেটার হয়েছেন মুশফিকুর রহিম, নাঈম শেখ, নুরুল হাসান সোহান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ।  মুশফিক সেভেন রিংস সিমেন্টের, মিরাজ ওয়ালটনের, হৃদয় ফরচুনের, মোসাদ্দেক একমির, সোহান ব্লু স্টারের এবং নাঈম শেখ সিটিজেনের আইকন ক্রিকেটার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। আরটিভি/এসআর
ডি থ্রি ট্রফিতে ৬ দলের হেড কোচ চূড়ান্ত
বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল
আসন্ন ২০২৭ সালের নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে বাংলাদেশের ভেন্যু ও প্রস্তুতি দেখতে আগামী ১ অক্টোবর ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশের তিনটি ক্রিকেট ভেন্যু পরিদর্শন করবে দলটি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর ভেন্যুগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করবে আইসিসির প্রতিনিধিরা। এ সময় মাঠের অবস্থা, ড্রেসিংরুমসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা খতিয়ে দেখা হবে। বাংলাদেশের আগে নেপালের প্রস্তুতিও পরিদর্শন করেছে আইসিসির দল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর কাঠমান্ডুতে বিশ্বকাপের জন্য নির্ধারিত ভেন্যুগুলো ঘুরে দেখেছেন প্রতিনিধিরা। ২০২৭ সালের নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ১৬টি দল। স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশ ও নেপাল সরাসরি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পাবে। আইসিসির পরিদর্শন ও মূল্যায়ন শেষে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের জন্য চূড়ান্ত ভেন্যু নির্ধারণ করা হবে। আরটিভি/এসআর
বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল
ঘুরে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার জালে এক হালি দিলো ব্রাজিল
২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন দল তৈরি মিশনে নেমেছে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। প্রথমটিতে অজিদের বিপক্ষে ড্র করে চাপে পড়লেও দ্বিতীয় ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে সেলেসাওরা। ফলে সম্মান নিয়েই অস্ট্রেলিয়া ছাড়ছে পাচঁবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল। ব্রাজিলের হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেছেন রাফিনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বাকি দুটি গোল করেছেন ভ্যান্ডারসন ও গিমারায়েস। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ডান দিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণ থেকে ভ্যান্ডারসন দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বল অস্ট্রেলিয়ার জালে পাঠান। শুরুতেই গোল হজম করলেও এতে ভেঙে পড়েনি স্বাগতিকরা। বরং ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া। ২৮ মিনিটে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। মেটকাফের নেওয়া কর্নার কিক ব্রাজিলের এক খেলোয়াড়ের মাথায় লেগে দূরের পোস্টে থাকা আলেসান্দ্রো সিরকাটির কাছে পৌঁছায়। সুযোগ কাজে লাগিয়ে পা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার এই ডিফেন্ডার।  গোলটি অফসাইড কি না, তা যাচাই করতে ভিএআর দেখা হলেও শেষ পর্যন্ত গোলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এরপর প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল। ৪৫তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় দানিলোর সামনে ঝাঁপিয়ে পড়েন হ্যারি সাউটার।  এতে দানিলোর পায়ে আঘাত লাগলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। প্রথমে রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেও ভিএআরের পরামর্শে পরে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন ব্রাজিল অধিনায়ক রাফিনিয়া। নিচু ও জোরালো শটে তিনি বল পাঠিয়ে দেন গোলের নিচের কোণায়। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ সঠিক দিক অনুমান করে ঝাঁপ দিলেও শটের গতি ও নিখুঁততায় বল ঠেকাতে পারেননি। রাফিনিয়ার ওই গোলেই প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আবার সমতায় ফেরে ব্রাজিল। ফলে বিরতিতে ২-২ সমতায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে দুই দলই গোল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে ৬৯ মিনিটে দলকে লিড এনে দেন ব্রুনো গিমারায়েস। এন্ড্রিকের বাড়ানোর বল থেকে দারুণভাবে গোল তুলে নেন তিনি। এরপর ৮০ মিনিটে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। আর স্পট কিকে দলকে ৪-২ গোলের জয় নিশ্চিত করে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। দীর্ঘদিন পর গোলের দেখা পেলেন তিনি। ক্লাব ফুটবলের কিছুদিন ধরেই খারাপ সময়ের মধ্য যাচ্ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না পাওয়ায় ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। এতে অজিদের বিপক্ষে এক ড্র ও জয় নিয়ে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরছেন ভিনি-রাফিনিয়ারা। আরটিভি/এসআর
ঘুরে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার জালে এক হালি দিলো ব্রাজিল
আরও পড়ুন
ঘুরে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার জালে এক হালি দিলো ব্রাজিল
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সামরিক সহযোগিতা জোরদারের তাগিদ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে সাত পরিবর্তন
ব্রাজিল সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান আনচেলত্তির