ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় দলে খেলেই বছরে আয় ৪৯ কোটি টাকা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর দাপট বাড়তে থাকায় জাতীয় দলের সঙ্গে খেলোয়াড় ধরে রাখাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ড। সেই প্রেক্ষাপটে নিজেদের শীর্ষ তারকাদের জাতীয় দলে ধরে রাখতে বড় অঙ্কের নতুন আর্থিক প্যাকেজ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, টেস্ট অধিনায়ক পেট কামিন্সকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে তার বার্ষিক আয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা। এর ফলে তার বর্তমান আয় থেকে প্রায় ১ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেতে পারে।

নতুন চুক্তিতে শুধু রিটেইনারই নয়, ম্যাচ ফি ও পারফরম্যান্স বোনাসও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সব মিলিয়ে আগামী তিন বছরে কামিন্সের আয় ১২ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একইভাবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আলোচনা চলছে দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার ট্রাভিস হেড এর সঙ্গেও। গত বছর তাকে জাতীয় দল ছেড়ে পুরোপুরি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে যাওয়ার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এছাড়া টেস্ট ব্যাটার লাবুচানে এবং অলরাউন্ডার ক্যামেরুন গ্রিনকেও নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে বোর্ড।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শীর্ষ খেলোয়াড়দের ধরে রাখতে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে আর্থিক নিরাপত্তা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ টি–টোয়েন্টি লিগগুলোর উচ্চ পারিশ্রমিকের কারণে অনেক খেলোয়াড় জাতীয় দল থেকে দূরে সরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ান পুরুষ ক্রিকেটারদের গড় বার্ষিক কেন্দ্রীয় চুক্তির মূল্য ১ মিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। তবে নতুন পরিকল্পনায় শীর্ষ খেলোয়াড়দের জন্য এই অঙ্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট প্রধান জেমস অলসোপ জানিয়েছেন, শীর্ষ ক্রিকেটারদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক বেতন কাঠামো তৈরি করাই এখন তাদের অগ্রাধিকার, যাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার সেরা খেলোয়াড়রা নিয়মিতভাবে অংশ নিতে আগ্রহী থাকে।

আরও পড়ুন

সব মিলিয়ে, বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের প্রভাব বাড়লেও জাতীয় দলের তারকাদের ধরে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার এই আর্থিক কৌশল নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইংলিশ পরীক্ষা দিয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের, দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ সূচি
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে ৮ অক্টোবর উইন্ডহোকে মুখোমুখি হবে ইংলিশদের। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সূচি ঘোষণা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি)। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার যৌথ আয়োজনে ২০২৭ সালের ২ অক্টোবর শুরু হবে বিশ্বকাপ। তিন দল নিয়ে উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত হবে সুপার সিরিজ। সেখান থেকেই নির্ধারিত হবে গ্রুপ পর্বের শেষ দল। গ্রুপ পর্ব শুরু হবে ৭ অক্টোবর।  প্রথম ম্যাচে কেপটাউনে মুখোমুখি হবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ১২ অক্টোবর কুগোম্পো সিটিতে হবে ম্যাচটি। এরপর ১৬ অক্টোবর ডারবানে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। একই ভেন্যুতে ১৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ২৩ অক্টোবর। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে বাছাইপর্ব থেকে আসা ‘কোয়ালিফায়ার বি’ দল। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ তিন দল সুপার সেভেন পর্বে জায়গা করে নেবে। এর সঙ্গে দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলের মধ্যে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দলটিও যাবে পরের পর্বে। সুপার সেভেন পর্ব চলবে ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। সেখান থেকে শীর্ষ চার দল উঠবে সেমিফাইনালে। ২১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। বৃষ্টিতে বা অন্য কোনো কারণে ম্যাচ আয়োজন সম্ভব না হলে ২২ নভেম্বর রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। এই টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে পরের ধাপে যাওয়ার লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় ১২টি ভেন্যুতে ১৪ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের সূচি ৮ অক্টোবর: ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ- উইন্ডহোক ১২ অক্টোবর: নিউজিল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ- কুগোম্পো সিটি ১৬ অক্টোবর: শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ- ডারবান ১৯ অক্টোবর: দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ-ডারবান ২৩ অক্টোবর: বাংলাদেশ বনাম কোয়ালিফায়ার বি- তশোয়ানে আরটিভি/এসআর
ইংলিশ পরীক্ষা দিয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের, দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ সূচি
২০২৭ বিশ্বকাপের গ্রুপিং চূড়ান্ত, কঠিন প্রতিপক্ষ পেল বাংলাদেশ
আসন্ন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপিং চূড়ান্ত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি)। ‘বি’ গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ দল। গ্রুপ ‘বি’তে রয়েছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ। সুপার সিরিজ থেকে একটি দল যোগ দেবে এই গ্রুপেও। যাদের বলা হচ্ছে কোয়ালিফায়ার বি। এদিকে এ গ্রুপে পড়েছে ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। তাদের সঙ্গে রয়েছে দুই চির প্রতিন্দ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও সহ-আয়োজক জিম্বাবুয়ে।  তাদের সঙ্গে সুপার সিরিজ পেরিয়ে আরও একটি দল যুক্ত হবে এই গ্রুপে। যাদের বলা হচ্ছে কোয়ালিফায়ার এ। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ১৪তম আসর বসতে যাচ্ছে আফ্রিকা মহাদেশে। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার যৌথ আয়োজনে আগামী বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে মাঠে গড়াবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ।  এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আফ্রিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০২৭ সালের ২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে টুর্নামেন্টটি চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। আরটিভি/এসআর
২০২৭ বিশ্বকাপের গ্রুপিং চূড়ান্ত, কঠিন প্রতিপক্ষ পেল বাংলাদেশ
গোল হজমে ব্রাজিলকেও হার মানালেন জামাল-হামজারা
২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। সেদিন কোটি কোটি ব্রাজিলিয়ানের সামনে সেলেসাও ফুটবলারদের লজ্জায় ডুবিয়েছিলেন মুলার-ওজিলরা। সেই ম্যাচে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল তারা। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সেই ম্যাচের ইতিহাস নিয়ে এখনও উপহাস সহ্য করতে হয় ব্রাজিলভক্তদের।  তবে আসিয়ান কাপে ব্রাজিলের সেই লজ্জাজনক পরাজয়কেও টপকে দিয়েছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। যা বাংলাদেশি ফুটবলভক্তদের চরমভাবে হতাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্লো স্টেডিয়ামে শেখ মোরসালিনের জায়গায় শাহরিয়ার ইমন একাদশে নামেন। ম্যাচে প্রথমার্ধে ৬-১ গোলে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় আরও ৩ গোল করেছে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশ মূলত হেরেছে ইন্দোনেশিয়ার ফুটবলার মিসেল বেকারের কাছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া মিসেল বেকার ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকত্ব নেন। অভিষেকেই কম্বোডিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নিজের আগমনী বার্তা দেন তিনি।  আর আজ ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে স্বভাবসুলভ পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাঁচ গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি! ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার এই ফরোয়ার্ডের নৈপুণ্যেই মূলত বাংলাদেশ বিধস্ত হয়েছে।  অন্যদিকে বাংলাদেশের হয়ে গোল দুটি করেছেন স্ট্রাইকার ইমন ও ফারহান। যা শুধু মাত্র ব্যবধানই কমিয়েছে। আরটিভি/এসআর  
গোল হজমে ব্রাজিলকেও হার মানালেন জামাল-হামজারা
বাংলাদেশের জালে ইন্দোনেশিয়ার ৯ গোল, হ্যাটট্রিক হারের লজ্জা হামজাদের
আসিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে লক্ষ্য হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে ৩-৪ পয়েন্ট অর্জনের কথা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে মাঠের পারফরম্যান্সে। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই প্রতিপক্ষে সামতে দাঁড়াতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিনরা। প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলের সম্মানজনক ব্যবধানে হারলেও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশকে রীতিমতো লজ্জায় ডুবিয়ে হামজা-মোরসালিনরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্লো স্টেডিয়ামে শেখ মোরসালিনের জায়গায় শাহরিয়ার ইমন একাদশে নামেন। ম্যাচে প্রথমার্ধে ৬-১ গোলে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। তবে স্বাগতিকদের প্রথম ১০ মিনিট আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। একটু খোলামেলা খেলার চেষ্টা করেছে। তবে পরের মিনিট থেকে ইন্দোনেশিয়ার জাদু দেখানো শুরু হয়।  ১১ মিনিটে থ্রো-ইন থেকে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে যায়। রোমিনির কাটব্যাক থেকে মিসেল বেকারের গড়ানো প্লেসিং শট দূরের পোস্ট দিয়ে জড়িয়ে যায় জালে। শ্রাবণ ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি। ১৪ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার আরও একটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়। শ্রাবণ গোল হতে দেননি। ১৯ মিনিটে শাহরিয়ার ইমনের ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেননি কেউ।  প্রতি আক্রমণ থেকে স্বাগতিকররা উল্টো এগিয়ে যায়। মিসেল বেকার আবারও গোলদাতা। জটলা থেকে দীর্ঘদেহী এই ফরোয়ার্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩২ মিনিটে স্বাগতিকরা ৩-০ স্কোরলাইন করে। ওরাটমাংগোয়েনের কাটব্যাক থেকে তারিক কাজীর ক্লিয়ারেন্স গিয়ে পরে রিদো রিজকির পায়ে, ডান পায়ের জোরালো শটে রিদো কাঁপিয়ে দেন জাল। ৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ এক গোল শোধ দেয়। শুকির মাপা ক্রসে শাহরিয়ার ইমন দারুণ হেডে স্কোরলাইন ৪-১ করেন। পরের মিনিটেই বাংলাদেশ আবারও গোল হজম করে বসে। মিসেল বেকার পোস্টের সামনে থেকে প্লেসিং করেছেন অনায়াসে।  ৪২ মিনিটে ভুল পাস থেকে মিসেল বেকার হেডে নিজের চতুর্থ ও দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন। যোগ করা সময়ে স্কোর ৬-১ করে ইন্দোনেশিয়া। হাবনার জাস্টিন ষষ্ঠ গোল উপহার দেন। বিরতির পর ফারহান আলী ওয়াহিদ, স্বাধীন, সোহেল রানা নামেন। উঠে যান শমিত সোম, শুকি ইতোফুসা ও শাহরিয়ার ইমন।  স্বাগতিকরা এই অর্ধে অবশ্য আগের মতো গোল ব্যবধান বড়াতে পারেনি। শেষ দিকে এসে সব মিলিয়ে চার গোল হয়েছে। ৫৪ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার একজনের জোরালো শট রুখে দেন গোলকিপার। ৭৬ মিনিটে বাগটের বুলেট হেডার শ্রাবণ অসামান্য দক্ষতায় রুখে দেন।  দুই মিনিট পর ফারহানের শট সাইড নেটে লাগে। শেষ দিকে এসে উত্তেজনা আরও বাড়ে। গোলও আসে একের পর এক। ৮৯ মিনিটে হামজার পাসে ফারহানের শট ক্রস বারের ওপর দিয়ে যায়।  পরের মিনিটে ইন্দোনেশিয়া সপ্তম গোলের দেখা পায় লিউক দারুণভাবে প্লেসিং করলে। তার পরের মিনিটে রাকিবের ক্রসে ফারহান দারুণ এক শটে ব্যবধান কমান৭-২। ঠিক এরপরই সাদ উদ্দিন ফাউল করলে তার সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়। অন্যরাও তাতে যোগ দেয়। তবে ঘটনা বেশি দূর এগোয়নি। যোগ করা সময়ে অষ্টম গোল করেন কেবিন। শেষ মুহূর্তে তাদের আরও একটি গোলে স্বাগতিকদের ফাইনাল নিশ্চিত হয়।  মিসেল বেকার তার পঞ্চম গোল করে দলকে ট্রফি ছোঁয়া দূরত্বে নিয়ে বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। এতে ৯-২ গোলের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশের জালে ইন্দোনেশিয়ার ৯ গোল, হ্যাটট্রিক হারের লজ্জা হামজাদের
ক্রিকেটের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনলো আইসিসি
সময় নষ্ট করা, বলের আকার ও ওজন, ওভারথ্রো এবং রানআউট-স্টাম্পিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পাশাপাশি বেশ কিছু পুরোনো নিয়ম আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পুরুষ ও নারী ক্রিকেটের সব সংস্করণের হালনাগাদ প্লেয়িং কন্ডিশন প্রকাশ করেছে আইসিসি। আইসিসির পুরুষ ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, প্লেয়িং কন্ডিশনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রিকেট বল, ফিল্ডিংয়ের কিছু বিষয়ে আরও স্পষ্টতা এবং খেলার গতি বাড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে।  তিনি আরও বলেন, আধুনিক ক্রিকেটের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মগুলো তৈরি করা হয়েছে, একই সঙ্গে খেলার সততা ও ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা হয়েছে। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই যেসব নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে সময় নষ্ট করলে ব্যাটারকে শাস্তি ব্যাটার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বল মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত না থাকলে প্রথম অপরাধে সতর্ক করবেন আম্পায়ার। একই ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটলে দেওয়া হবে শেষ সতর্কতা। তৃতীয়বার এবং এরপর প্রতিবার এমন হলে ফিল্ডিং দল পাবে ৫ পেনাল্টি রান। বারবার একই অপরাধ করলে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের বিধানও প্রয়োগ করা যেতে পারে। নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটে বলের মাপ নির্দিষ্ট পুরুষ ক্রিকেটের বলে আকার ও ওজনের ক্ষেত্রে এত দিন থেকেই নির্দিষ্ট সীমা ছিল। তবে নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটে অনেক সময় একই বল দুই শ্রেণিতে ব্যবহার করা হতো। নতুন নিয়মে পুরুষ, নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটের জন্য তিনটি আলাদা আকার ও ওজনের স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী ক্রিকেটের বলে আকার ও ওজনের সীমা আরও কঠোর করা হয়েছে। ওভারথ্রো কোন পরিস্থিতিকে ওভারথ্রো বলা হবে, সেটিও স্পষ্ট করেছে আইসিসি। রান আটকানো বা রানআউট করার উদ্দেশ্যে বল স্টাম্পের দিকে ছুড়ে দেওয়া হলে সেটি ওভারথ্রো হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে বল থামানোর চেষ্টা কিংবা অন্য ফিল্ডারের কাছে বল পাঠানোর সময় সাধারণ মিসফিল্ড হলে সেটিকে ওভারথ্রো বলা হবে না। বল ‘সেটলড’ হওয়ার নিয়মে পরিবর্তন বল কখন পুরোপুরি ‘সেটলড’ হয়েছে, তা নির্ধারণে এখন আম্পায়ারকে আরও বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ শেষ বলে বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। নতুন নিয়মে বল ‘সেটলড’ হওয়ার জন্য সেটি অবশ্যই বোলার বা উইকেটকিপারের হাতে থাকতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না। রানআউট বা স্টাম্পিং রানআউট বা স্টাম্পিংয়ের সময় কোনো ফিল্ডার বল হাতে ধরে স্টাম্প ভাঙলে সেটি বৈধভাবে ‘হেল্ড’ বল হিসেবে বিবেচিত হবে কেবল তখনই, যখন বলের ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। অর্থাৎ স্টাম্প ভাঙার মুহূর্তে হাতে শুধু বলের স্পর্শ থাকলেই সেটিকে বল ধরে রাখা হিসেবে গণ্য করা হবে না। আরটিভি/এসআর
ক্রিকেটের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনলো আইসিসি
আরও পড়ুন
ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে এবার ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি পেলেন অনায়া